logo
বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৯, ২৯ কার্তিক ১৪২৬

  ক্রীড়া প্রতিবেদক   ১৬ অক্টোবর ২০১৯, ০০:০০  

সবুজ সংকেত পাচ্ছেন না ইমরুল কায়েস

সবুজ সংকেত পাচ্ছেন না ইমরুল কায়েস
ইমরুল কায়েস

বিরতি কাটিয়ে মাঠে ফিরেই ডাবল সেঞ্চুরি করেছেন ইমরুল কায়েস। জাতীয় লিগের প্রথম রাউন্ডে আর কেউ সেঞ্চুরি না পেলেও খুলনার এ বাঁহাতি খেলেছেন ২০২ রানের অপরাজিত ইনিংস। তারপরও বাংলাদেশ দলে ফেরার সবুজ সংকেত পাচ্ছেন না ইমরুল। মঙ্গলবার প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার শুরু হতে যাওয়া জাতীয় লিগের দ্বিতীয় রাউন্ড শেষ হলে পারফরম্যান্স মূল্যায়ন করে ঘোষণা করা হবে ভারত সফরের টেস্ট ও টি২০ দল। পরের ম্যাচের পারফরম্যান্সও বিবেচনায় আনবেন তারা। প্রধান নির্বাচক বলেন, 'ইমরুল কায়েস ডাবল সেঞ্চুরি করেছে। এখন মাত্র একটি রাউন্ড গেছে। বলা মুশকিল (জাতীয় দলে ফেরা)। আরেকটি রাউন্ড গেলে তারপর বোঝা যাবে। ঘরোয়া ক্রিকেটের পারফরম্যান্স কিন্তু একটু অন্য রকম। কেননা অনেকগুলো খেলোয়াড় একসঙ্গে খেলে। ক্লাবের দিকে খেলে বা অন্য জায়গায় খেলে, তারপর প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ওরা খুব অল্প সময়ের জন্য একসঙ্গে হয়। সে হিসেবে এভাবে পারফরম্যান্স করাটা ক্রিকেটারের জন্য অনেক ভালো। ইমরুল গত দুই মাস খুব কঠিন সময়ে ছিল পরিবার নিয়ে। তারপর এভাবে ফিরে ডাবল সেঞ্চুরি করাটা দারুণ ব্যাপার।' 'এখানে দেখার কোনো শেষ নাই। যারা পারফর্ম করবে ওদের সবসময় আমাদের নজরে রাখতে হবে। এখানে এমন না যে নির্দিষ্ট কাউকে আমাদের ভালো করে দেখতে হবে। ও কঠিন সময়ে ছিল। এখন সেটা পার করে ভালো ফর্মে এসেছে, সামনের খেলোয়াড় নির্বাচনী সভায় অবশ্যই এটা নিয়ে আলোচনা হবে।' বলেন প্রধান নির্বাচক। ইমরুল সর্বশেষ টেস্ট খেলেছেন ২০১৮ সালে। সাদা পোশাকে তামিম ইকবালের এক সময়ের নিয়মিত ওপেনিং সঙ্গী এখন কোনো সংস্করণেই দলে নেই। তার জায়গায় এসে গেছেন সাদমান ইসলামের মতো তরুণরা। সামনে ভারত সফরের আগে দলে জায়গা ফিরে পেতে খেলতে চেয়েছিলেন বড় ইনিংস, 'আসলে ভাই দেখেন এখন তো অনেক প্রতিযোগিতা। তরুণরা ভালো করছে। এদের মধ্যে জায়গা করতে হলে সব সময়ই চ্যালেঞ্জ নিতে হবে। নিজের সেরাটা দিতে হবে। বড় রান না করলে আসলে টিকে থাকা মুশকিল। ইচ্ছা ছিল বড় রান করব। অবশেষে সেটা হলো। ' জাতীয় দলের বাইরে থাকা ইমরুল জানান সংকটের সময়ে দেশের বাইরেও ফিটনেস নিয়ে কাজ করতে ভোলেননি, 'খেলার মধ্যে ছিলাম না কয়েকদিন। ব্যাটিং অনুশীলন করা হচ্ছিল না। কিন্তু ফিটনেসটা যাতে না পড়ে সেই চেষ্টা করেছি। সিঙ্গাপুরে রাত্রিবেলা বের হয়ে ফিটনেস নিয়ে কাজ করেছি। যাতে ফিরেই স্বচ্ছন্দে ব্যাটিংটা করতে পারি। আমার মনে হয় সেটা আমাকে চাঙ্গা রেখেছে।' ২০১৪ সালে মিরপুরে বিসিএলে ২০ চার ৯ ছক্কায় করেছিলেন ২০৪ রান। প্রথম শ্রেণিতে সেটাই ছিল তার একমাত্র দ্বিশতক। পাঁচ বছর পর আরেকটি এমন ইনিংসের ফল কাজে লাগল কি না বুঝবেন ভারত সফরে দলে জায়গা পেলেই, 'যদি সুযোগ পাই (ভারত সফরে) তখন বলা যাবে এটা কাজে লাগবে কি না, তার আগে তো কিছু বলা যায় না। তবে রান করলে তো নিজের একটা আত্মবিশ্বাস পাওয়া যায়। ফিরে আসার জন্য একটা জ্বালানি পাওয়া যায়।' ভারত সফরের জন্য দল ঠিক করতে নির্বাচকরা ইতোমধ্যে কাজ শুরু করে দিয়েছেন। তবে নির্বাচকদের ভাবনায় ফেলে দিয়েছে অনেকগুলো খেলোয়াড় ইনজুরিতে পড়ায়। যদি এক থেকে দশ জনের একটি তালিকা করা হয়, তাহলে দেখা যাবে পাঁচজনই ইনজুরিতে আছে। এইচপিতে অনেকগুলো তরুণ খেলোয়াড় আছে, তারাও ইনজুরিতে পড়েছে। এটি নির্বাচকদের যথেষ্ট ভোগাচ্ছে। চলমান প্রথম শ্রেণির আসর এনসিএল থেকেই ফিটনেস পরীক্ষা হয়ে যাবে খেলোয়াড়দের।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close

উপরে