logo
  • Mon, 19 Nov, 2018

  রণেশ মৈত্র   ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০০:০০  

অস্ট্রেলিয়ায় মন্ত্রিসভার পরিবতর্ন ও বাংলাদেশ

বিরোধী দল মাঠে আদৌ নামেনিÑ নামার প্রস্তুতিও নেয়নি বা তেমন কোনো পদক্ষেপ নেয়ার কথা ভাবেওনি যে তারা হুংকার ছেড়ে বলবে, ‘মরিসন গদি ছাড়, লিবারেল পাটির্ আস্থা হারিয়েছে’ ‘এক কথা একদাবি, গদি কবে ছেড়ে দিবি’- না এমন কোনো অবমাননাকর ভাষায় কোনো ¯েøাগান লেবার পাটির্ ক্ষমতাসীন লিবারেল পাটির্ বা তার নেতৃত্বাধীন সরকারের বিরুদ্ধে তুলে মাঠে নামছে না। কোথাও কেউ ওই ধরনের দাবিতে ‘জ্বালাও পোড়াও জাতীয় ভাষা মুখেও আনছে না- হরতালও ডাকছে না, গাড়ি ঘোড়ায় আগুন দিয়ে চালক বা যাত্রীদের পুড়িয়ে মারছে না বা সংসদ বয়কট করার কথাও কেউ ভাবছে না- বা কারও মুখে তেমন কোনো কথা শোনাও যাচ্ছে না। একটি অনুকরণ বা অনুসরণযোগ্য পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ দিয়ে অস্ট্রেলিয়ার রাজনৈতিক দলগুলো দেশের গণতন্ত্রকে টিকিয়ে রাখছেÑ তাকে সমৃদ্ধ করছে। আর আমরা?

অস্ট্রেলিয়ায় মন্ত্রিসভার পরিবতর্ন ও বাংলাদেশ
গত ২৮ আগস্ট অস্ট্রেলিয়ার ফেডারেল মন্ত্রিসভার একটি বড় ধরনের রদবদল হয়ে গেল। টেলিভিশনে দেখলাম দীঘর্ সময় ধরে এখানকার শাসকদল লিবারেল পাটির্র নেতা ম্যালকম টামর্বুল দলীয় সংসদ সদস্যদের আস্থা হারিয়ে ফেলায় তার প্রধানমন্ত্রিত্বের অবসান ঘটে। সবাির্ধক ভোট পেয়ে নতুন নেতা হিসেবে নিবাির্চত হন স্কট মরিসন। তিনিই শপথ নিলেন নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এক বছরেরও অনেক কম সময়ের জন্য। কারণ ফেডারেল পালাের্মন্টের মেয়াদ ফুরিয়ে এসেছে। সম্ভবত আগস্ট ২০১৯ সালের প্রথম কয়েক মাসের মধ্যেই নতুন নিবর্চান করতে হবে।

স্কট মরিসন ও লিবারেল পাটির্র অন্যতম নেতা-অধিকতর দক্ষিণপন্থি মনোভাবসম্পন্ন বলে পরিচিত। সংবাদ মাধ্যমের ভাষায় লিবারেল পাটির্র অভ্যন্তরে যেন একটা শক্তিশালী সাইক্লোন বয়ে গেলÑ ঘটালো ব্যাপক পরিবতর্ন। তবে নিতান্ত আকস্মিকভাবে এটা ঘটল তা নয়। দীঘির্দন ধরেই দলটির অভ্যন্তরে টানর্বুলের বিরুদ্ধে কট্টর সমালোচনা এবং নতুন নেতৃত্ব প্রয়োজন এমন কথাবাতার্, পক্ষে-বিপক্ষে নানাবিধ কথা লিবারেল পাটির্র অভ্যন্তরে চলে আসছিল। জনগণের মধ্যেও লিবারেল পাটির্র জনপ্রিয়তা কমে আসছিল মমের্ জনমত জরিপ প্রতিষ্ঠানগুলো জানাচ্ছিল।

জনমত জরিপের এই ফলাফল নতুন করে শক্তি জোগায় ম্যালকম টানর্বুলের বিরোধী অংশের মধ্যে। টানর্বুল লিবারেল পাটির্র নেতৃত্বের অবস্থায়ে থাকলেও পরিস্থিতি ভেতরে ভেতরে তার আস্থার বাইরে চলে যায়। কট্টর দক্ষিণপন্থি অংশ সুযোগটির সদ্ব্যবহার করতে মাঠে নেমে পড়ে। লিবারেল দলের পালাের্মন্টারি পাটির্র অভ্যন্তরে স্বাক্ষর সংগ্রহ অভিযান চলতে থাকে টানর্বুলের বিরুদ্ধে সৃষ্টি হয় নেতৃত্বের গভীর সংকট। অধিকাংশ সদস্যই তার নেতৃত্বের বিরুদ্ধে স্বাক্ষর দেন। ফলে টানর্বুল প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে সরে দঁাড়াতে বাধ্য হন।

এবারে তিনজন প্রাথীর্ দঁাড়িয়ে যান লিবারেল পাটির্র নেতৃত্বের পদের জন্য। স্কট মরিসন সবাির্ধক ভোটে নেতা নিবাির্চত হন এবং এর দুই ঘণ্টার মধ্যেই তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন।

লিবারেল পাটির্ অস্ট্রেলিয়ার দুটি বৃহৎ দলের অন্যতম। মৌলিকভাবে দলটি দক্ষিণপন্থি-মাকির্ন সরকারের দোসরও। তবে টানর্বুলের পরিচিত ছিল মধ্যপন্থী নেতা হিসেবে। নতুন নেতৃত্বে যারা এলেন তারা কট্টর দক্ষিণপন্থি বলে অভিহিত। বিশেষ করে অভিবাসন নীতি কঠোরতর করা, দরিদ্রদের ট্যাক্স বৃদ্ধিসহ ধনিকতোষণের নীতির কারণে জনগণের মধ্যে তাদের জনপ্রিয়তা হ্রাস পেয়ে আসছিল। যেসব নীতি গণবিরোধী বলে অভিহিত সেগুলোর উৎসাহী সমথর্ক মরিসন ও অন্যান্য টানর্বুল বিরোধী নেতারা। ফলে দলটি আগামী নিবার্চনে বিজয়ী হয়ে ক্ষমতায় ফিরে আসতে পারবে কিনা তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহের অবকাশ আছে।

ফলে অন্য বৃহৎ দল অস্ট্রেলিয়ান লেবার পাটির্ ওই নিবার্চনে বিজয়ী হয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে আসতে পারে বলেও এখানকার রাজনৈতিক বিশ্লেষকমহল ধারণা করছেন। লিবারেল পাটির্র নেতৃত্বের এই কোন্দল ও জনগণের মধ্যে দলটির ভাবমূতির্ ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

ক্ষমতাসীন লিবারেল পাটির্র উগ্রদক্ষিণপন্থী নেতা পিয়ার ডাটন নিজে প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন ধারণা করে প্রধানমন্ত্রী টানর্বুলের প্রতি অনাস্থা জানিয়ে দলীয় সংসদ সদস্যদের স্বাক্ষর সংগ্রহে উদ্যোগী ভ‚মিকা পালন করেন এবং অনাস্থা জানাতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক স্বাক্ষর সংগ্রহে সফলও হয়েছিলেন। কিন্তু অনাস্থা প্রমাণিত হওয়ার পর টানর্বুলের নেতৃত্বের অবসান ঘটল ঠিকই কিন্তু নতুন নেতা নিবার্চনের সময় দেখা গেল লিবারেল পাটির্র সদস্যরা তাদের অধিকাংশ ভোটে নেতা নিবার্চন করলে স্কট মরিসনকে। ৪৫-৪০ ভোটে মরিসন নিবাির্চত হলেন এবং ডাটন পরাজিত হলেন।

শেষ কথা হলো আপাতত দলের অভ্যন্তরীণ বা নেতৃত্বের কোন্দলের অবসান ঘটলেও লিবারেল পাটির্ কতদিন ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারবে তা অনিশ্চিত। সেটা নেতৃত্বের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের ফলেই।

অনেকে ধারণা করেছিলেন, ম্যালকম টানর্বুল প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দঁাড়ানোর পর অস্ট্রেলিয়া সম্ভবত একজন মহিলা প্রধানমন্ত্রী হবেন। জুলি বিশপ নামই ওই মহিলা এমপি দীঘির্দন লিবারেল পাটিের্ত সক্রিয় এবং তিনিও দলের নেতৃত্ব গ্রহণের প্রতিযোগিতায় ছিলেন। কিন্তু তিন সংসদ সদস্যদের সমথর্ন পেতে ব্যথর্ হন ফলে যারা তাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পাওয়ার সম্ভাবনা দেখছিলেন তারা হতাশ হয়েছেন।

ক্ষমতায় নতুন মন্ত্রিসভা কতদিন থাকতে পারবে তা নিয়ে যে অনিশ্চয়তার কথা বললাম তার কারণ হলো প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দঁাড়ানোয় সাংবাদিক সাক্ষাৎকারে ম্যালকম টানর্বুল বলেছিলেনÑ তিনি সংসদ সদস্যের পদ থেকেও পদত্যাগ করবেন কারণ, তিনি মনে করেন, একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সংসদে ব্যাক-বেঞ্চোর হয়ে থাকা অসংগত। যদি তিনি আসলেই তা করেন-তাতে লিবারেল পাটির্ সংসদে সংখ্যাধিক্য হারিয়ে বিরোধী বৃহত্তম দল লেবার পাটির্র সমান সমানে পরিণত হবে। আবার জুলি শিপও পদত্যাগ করতে পারেন বলে অনেকের অভিমত। যদি তা নাও হয়, টানর্বুল একা পদত্যাগ করলে সংখ্যাধিক্য থাকবে না এবং তেমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে হয় টানর্বুলের আসনে অন্য কাউকে লিবারেল পাটির্ থেকে মনোনয়ন দিয়ে উপনিবার্চনে জিতিয়ে আনতে হবে। সে কাজটিও দুরূহ এবং অনিশ্চিত হবে। সে কাজটিও দুরূহ এবং অনিশ্চিত কারণ উপনিবার্চনে এবার হয়তো লেবার পাটির্ বিজয়ী হতে পারে এবং লেবার পাটির্ নিশ্চিতভাবেই ক্ষমতায় এসে যাবে। তাই সে পথে না হেঁটে, ঝুঁকিপূণর্ পথে না গিয়ে মরিসন হয়তো সংসদ ভেঙে দিয়ে নতুন নিবার্চন দিতে পারেন। সে ক্ষেত্রেও, জনমত জরিপ যদি সত্য ধারণা দিতে সক্ষম হয়, তবে নিঘার্ত লেবার পাটির্ বিস্তর সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় পুনরধিষ্ঠিত হতে সক্ষম হবে। লিবারেল পাটির্র জনপ্রিয়তার কথা আগেই বলেছি, তাদের ধনিকতোষণনীতি এবং নেতৃত্বের কোন্দলের কারণে, ব্যাপক ধস নেমেছে।

মরিসন বিষয়টা উপলব্ধি করে দলীয় ঐক্য পুনঃপ্রতিষ্ঠার প্রতি বিশেষ নজর দিয়েছেন এবং দেশে জনপ্রিয়তা পুনরুদ্ধারের জন্য ব্যাপক খরাপীড়িত এলাকার (কৃষি কাজের জন্য বিশেষ উপযুক্ত দু’তিনটি রাজ্যে ভয়াবহ খরা চলছে দীঘির্দন ধরে) কৃষক ও ভুক্তভোগীদের সমস্যা সমাধানকেই অগ্রাধিকার কমর্সূচি হিসেবে ঘোষণা করেছেন।

ইতোমধ্যে মরিসন তার নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের কজাও নতুন এবং পুরাতন মুখ দিয়ে সম্পন্ন করে ফেলেছেন-তবে তার দ্বারা নেতৃত্বের কোন্দল প্রশমিত করতে পেরেছেন কিনা তা এখনো জানা যাচ্ছে না।

১৯৭৫ সাল থেকে অস্ট্র্রেলিয়ায় এ পযর্ন্ত প্রধানমন্ত্রী বদলের ইতিহাস ঘঁাটলে দেখা যায়-১৯৭৪ এ ফ্রেজার; অতঃপর হক, কিটিং, জন হাওয়াডর্, কেভিন রাদ্র, জুলি গিলাডর্, জুনরায় কেভিন, কেভিন রাড, অতঃপর টানর্ এবোট, টানর্বুল এবং এখন মরিসন ক্ষমতাসীন হলেন। এই তালিকায় দেখা যায় লিবারেল এবং লেবার- উভয় দলই ঘুরে-ফিরে ক্ষমতায় এসেছেন তবে কোনো দলই এক নাগাড়ে দুই বারের বেশি নিবাির্চত হয়ে আসতে পারেনি। এ দেশে পালাের্মন্টের মেয়াদ তিন বছর। তাই ২০১৯ সালে পরবতীর্ নিবার্চনÑ যদি মরিসন মন্ত্রিসভা তাদের মেয়াদটুকু চালিয়ে যেতে পারেন।

অস্ট্রেলিয়ার এই সরকার পরিবতর্ন যেভাবে ঘটল এবং অতীতেও ঘটেছে অনুরূপ বাধ্যতামূলক রদবদল অবশ্য বাংলাদেশে দীঘর্কাল ধরে ঘটতে দেখা যায় না। তাই সরাসরি কোনো তুলনা সে ব্যাপারে করা যাবে না।

কিন্তু যে বিষয়টি অন্তত প্রবাসী বাংলাদেশিদের দৃষ্টি এড়ায়নি- তা হলো ক্ষমতাসীন দলের এই পরিবতর্ন নিয়ে কি সরকারি দলের নেতারাÑ কি বিরোধী দলের নেতারা কদাপি পরস্পর সম্পকের্ ন্যূনতম অশালীন কথাও বলেননি।

টানর্বুলের বিরুদ্ধে যখন থেকে স্বাক্ষর সংগ্রহ অভিযান শুরু হলো-প্রধানমন্ত্রী টানর্বুল তাকে আদৌ কোনো ‘রাষ্ট্রদ্রোহীদের ষড়যন্ত্র’ ‘গণতন্ত্র বিপন্ন করার অপচেষ্টা’ ইত্যাদি আমাদের পরিচিত অভিধায় অভিহিত করেননি। বরং তিনি নিঃশব্দে ওই অনাস্থাকে মাথা পেতে নিয়ে নতুনের আসর পথ সুগম করেছেন এবং পরবতীর্ প্রধানমন্ত্রী মরিসনকে স্বাগত জানিয়েছেন।

আবার বৃহৎ এই দেশটির কোনো অঞ্চলেই লিবারেল পাটির্র টানর্বুল সমথর্করা বিক্ষোভ মিছিল বের করে ¯েøাগান তোলেনিÑ ‘ষড়যন্ত্রকারীরা হুশিয়ার-টানর্বুল এগিয়ে চল-আমরা আছি তোমার সাথে।’ অথবা তার বিরোধী কমীর্রাও কোথাও কোনো মিছিল সমাবেশের আয়োজন করে, মরিসন, ডাটন বা জুলি বিশপকে সমথর্ন জানিয়ে টানর্বুলের সমালোচনামূলক কোনো ¯েøাগান দেয়নি।

আবার লেবার পাটির্ বিশাল একটি দল যারা অবশ্যই লিবারেল পাটির্র নেতৃত্বের কোন্দল এবং তাদের জনপ্রিয়তাসংক্রান্ত জনমত জরিপের ফলাফল দেখে উচ্ছ¡সিত হয়ে ‘লিবারেল পাটির্ ক্ষমতা ছাড়, গো ব্যাক’ জাতীয় কোনো ¯েøাগান দিয়ে এই মুহ‚তের্ ক্ষমতায় যেতে অতি উৎসাহী কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি বরং বিরোধীদলীয় নেতা, লেবর পাটির্র নেতা বিল শটের্ন অত্যন্ত সংযুত ভাষায় বলেছেন, ‘লেবার পাটির্ এখন মরিসনের বিরুদ্ধে প্রতিদ্ব›িদ্বতা করতে সারা দেশ ব্যাপক প্রস্তুতি অভিযান চালাবে অথার্ৎ আগামী নিবার্চনে তারা লিবারেল পাটিের্ক পরাজিত করার জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি নেবে।

বিরোধী দল মাঠে আদৌ নামেনিÑ নামার প্রস্তুতিও নেয়নি বা তেমন কোনো পদক্ষেপ নেয়ার কথা ভাবেওনি যে তারা হুংকার ছেড়ে বলবে, ‘মরিসন গদি ছাড়, লিবারেল পাটির্ আস্থা হারিয়েছে’ ‘এক কথা একদাবি, গদি কবে ছেড়ে দিবি’- না এমন কোনো অবমাননাকর ভাষায় কোনো ¯েøাগান লেবার পাটির্ ক্ষমতাসীন লিবারেল পাটির্ বা তার নেতৃত্বাধীন সরকারের বিরুদ্ধে তুলে মাঠে নামছে না। কোথাও কেউ ওই ধরনের দাবিতে ‘জ্বালাও পোড়াও জাতীয় ভাষা মুখেও আনছে না- হরতালও ডাকছে না, গাড়ি ঘোড়ায় আগুন দিয়ে চালক বা যাত্রীদের পুড়িয়ে মারছে না বা সংসদ বয়কট করার কথাও কেউ ভাবছে না- বা কারও মুখে তেমন কোনো কথা শোনাও যাচ্ছে না। একটি অনুকরণ বা অনুসরণযোগ্য পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ দিয়ে অস্ট্রেলিয়ার রাজনৈতিক দলগুলো দেশের গণতন্ত্রকে টিকিয়ে রাখছেÑ তাকে সমৃদ্ধ করছে। আর আমরা?

তারা জনগণের কাছে যাবে নিবার্চনের আগ মুহ‚তের্-তখনও কারও প্রতি কেউ অসম্মানজনক কথা বলবে নাÑ অতীতেও বলেনি। পোস্টার আর লিফলেট এবং টেলিভিশনে ভাষণের মধ্যেই সীমিত থাকবে সব দলের- সব প্রাথীর্র নিবার্চনী প্রচারণা। লিফলেট বিলি হবে বাড়ি বাড়ি, রেলস্টেশন, নদীবন্দর প্রভৃতি এলাকায় হাতে হাতে।

অবশেষে নিবার্চনী রায় সবাই মেনে নেবেন নিদ্বির্ধায়। নিবার্চন কমিশনকেও কেউ দুষবে না। আমরা কবে বাংলাদেশে দেখবো এমন শ্রদ্ধাবোধের রাজনীতি?

রণেশ মৈত্র: সভাপতিমÐলীর সদস্য, ঐক্যন্যাপ সাংবাদিকতায় একুশে পদকপ্রাপ্ত

ৎধহবংযসধরঃৎধ@মসধরষ.পড়স
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সকল ফিচার

রঙ বেরঙ
উনিশ বিশ
জেজেডি ফ্রেন্ডস ফোরাম
নন্দিনী
অাইন ও বিচার
ক্যাম্পাস
হাট্টি মা টিম টিম
তারার মেলা
সাহিত্য
সুস্বাস্থ্য
কৃষি ও সম্ভাবনা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
close

উপরে