logo
শনিবার ২৩ মার্চ, ২০১৯, ৯ চৈত্র ১৪২৫

  রণেশ মৈত্র   ১২ জানুয়ারি ২০১৯, ০০:০০  

সংসদীয় গণতন্ত্রের মূল চেতনা

একটি কথা স্পষ্টতই বলা দরকার, কারচুপি যতই ঘটে থাকুক তার সুনিদির্ষ্ট প্রতিবাদ, উদাহরণ সংসদে, আদালতে ও জনগণের সমাবেশে তুলে ধরাই হলো আন্দোলনের প্রকৃষ্ট পন্থা, শপথ গ্রহণ না করা কিংবা সংসদ অভিবেশন বজর্ন নয়। সংসদের ভেতরে বাইরে আন্দোলন চালাতে হবে।

সংসদীয় গণতন্ত্রের মূল চেতনা
নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের মধ্য নিবার্চনের (২০১৮) যাবতীয় প্রক্রিয়া শেষ। এখন অপেক্ষা একাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন। তাও ৩০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। তার আগে হয়তো মহিলা আসনে (পরেও হয়তো হতে পারে, তবে আগে হওয়ারই তো কথা) ৫০ জন সদস্য মনোনীত হবেন। আমাদের শাসকরা সম্ভবত নিধাির্রত ৫০টি আসনে মহিলাদের সরাসরি নিবার্চন অপছন্দ করেন না কারণ তাতে প্রত্যাশা অনুযায়ী দলীয় শক্তি বৃদ্ধি নাও পেতে পারে। তবুও চাইব, ২০২৩-২৪ থেকে যেন আমরা মহিলাদের আসন ১০০-তে উন্নীত হবে এবং সাধারণ আসন ৩০০ থেকে ৪০০-তে (জনসংখ্যার বিপুল বৃদ্ধির কারণে উন্নীত করে মোট ৫০০ আসনেই সরাসরি নিবার্চন অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা সংবিধান সংশোধনীর মাধ্যমে।

এবারের নিবার্চন ভোটের মাধ্যমে কাযর্ত একদলীয় পালাের্মন্টই গঠন করে একদলীয় শাসনের ব্যবস্থা সম্পন্ন করলÑ যা বহুদলীয় গণতন্ত্রের মূল ধারণায় সম্পূণর্ বিরোধী। সত্য বটে অনেক জায়গায় ভোটের দিন কুৎসিত কারচুপি হয়েছেÑ যা আদৌ কাম্য ছিল না। সন্দেহ নেই, নানা যৌক্তিক কারণেই বিএনপিসহ ছোট-বড় সব বিরোধী দল ও জোটের নিমর্ম পরাজয় ঘটেছে। তাই তাদের পরাজয় অবশ্যম্ভাবী ছিল নানা কারণে তবে ঠিক এমন করুণদশা কখনও কাম্য ছিল না। বিএনপির এতগুলো আসনে এবং বাম গণতান্ত্রিক জোটের এতগুলো প্রাথীর্র জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়া প্রত্যাশিত ছিল না।

বাম গণতান্ত্রিক জোটের করুণ পরাজয়, প্রাথীের্দর বিপুল সংখ্যা, সংগঠন ও প্রাথীের্দর সাংগঠনিক শক্তির অভাব থাকায় জনসাধারণের সঙ্গে প্রয়োজনীয় সম্পকর্ বহুকালেও গড়ে না ওঠা, নানাবিধ অপপ্রচার, সময় থাকতে নিবার্চনী প্রাথীের্দর নিয়ে মাঠ-ঘাট চঞ্চল করে না তোলা, অথার্ভাব এবং সবোর্পরি জোটের অভ্যন্তরেও লুকিয়ে থাকা-কখনও বা প্রকাশ্যে আসা বিতকর্-মতানৈক্য সহানুভ‚তিশীল অনেককে বিভ্রান্ত করেছে। কোথাও কোথাও দলগুলো ঐকমত্যে না এসে সবারই জামানত খোয়ানোর পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে।

সবাির্ধক ক্ষতিকর কাজটি হয়েছে অতগুলো প্রাথীর্ দঁাড় করিয়ে। তাদের নিজ নিজ পৌর এলাকায় কি উপযুক্ত সংগঠন ছিল? বা উপজেলার ইউনিয়নগুলোতে? ছিল না অবশ্যই। ফলাফল যা হওয়ার তাই হয়েছেÑ ফলে আশংকা করি ব্যাপক হতাশা নেমে এসেছে কমীের্দর মধ্যে দেশব্যাপী।

জোটকে প্রসারিত করার জন্যও কোনো উদ্যোগ দৃশ্যমান হয়নি। আমি লিখেছি শুধুই কমিউনিস্ট ঐক্যের পরিস্থিতি এখনো আসেনি। এটা সাম্প্রতিক অতীতের পশ্চিমবাংলা বা ত্রিপুরাও নয়। কাজেই বাংলাদেশে প্রয়োজন ব্যাপকতম প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক ঐক্য- যাতে বামেরা থাকবে, অন্যান্য প্রগতিশীল শক্তিরা থাকবেন আর থাকবেন গণতন্ত্রী উদার গণতন্ত্রীরা। ওরাও খারাপ এরাও খারাপ না বলে যারাই খারাপ তাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন ও নিবার্চনী ঐক্যের প্রয়োজন। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে এটাই হতো সঠিক কৌশল যা মৌলিক নীতিগুলো বাস্তবায়নে সহায়ক।

কৃষক, শ্রমিক, নিম্ন-মধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্তরাও যে কারণে, নায্য মজুরির অভাবে, ফসলের ন্যায্য মূল্য না পেয়ে রীতিমতো অস্থিরতায় ভুগছে। সংগঠন ও আস্থাভাজন নেতৃত্বের অভাবে বড় কোনো আন্দোলনের ডাকও দেয়া যাচ্ছে না। তাই শুরু করা প্রয়োজন মানববন্ধন, দোকানে দোকনে বাড়িতে বাড়িতে ছোট ছোট লিফলেট হাতে হাতে হাটে-বাজারে-দোকানে বাড়িতে বিতরণ ও পরবতীের্ত দেশব্যাপী পোস্টার। এরপর মিছিল সমাবেশ ভারতের মতো। কঠিন পরিস্থিতিতে আদায় যোগ্য দাবিতে নিয়মতান্ত্রিক ও সুশৃঙ্খল ভাবে হরতাল তবে তার আগে সবর্ত্র কতৃর্পক্ষের কাছে স্মারকলিপি প্রদান নিদির্ষ্ট সময়ের মধ্যে দাবিগুলো বাস্তবায়নের জন্য।

বাংলাদেশের বামপন্থীদের অনেকের বক্তৃতা বিবৃতিতে ধারণা জন্মায়, যেহেতু বুজোর্য়ারা মেহনতি মানুষের দুশমন তাদের শোষক তাই এখুনি তাদের উচ্ছেদ সাধন করে এ দেশে সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে হবে। কিন্তু গরিব মানুষ তো বুজোর্য়া শাসিত দেশগুলোতে নানা কারণে, মূলত, শিক্ষা ও চাকরির জন্য যেতে উদগ্রীব। ব্যক্তিগতভাবে আমি বার পঁাচেক অষ্ট্রেলিয়া যাওয়ার সুযোগ পেয়েছি সেখানকার সিডনি শহরে থেকেছি। ওই শহরে সাবেক ন্যাপ, কমিউনিস্ট পাটির্ ছাত্র ইউনিয়ন করা অনেকে স্থায়ীভাবে আছেনÑ তবে তারা সাংস্কৃতিক কাযর্কলাপ ছাড়া অন্য কিছুতে নেই। ও দেশের শাসনটা বুজোর্য়াদের হাতে- তা সে যে দলেরই হোক না কেন? তবে তুলনামূলকভাবে লেবার পাটির্ অনেকটা গণমুখী হওয়ায় এশিয়ানরা ব্যাপকভাবে লেবার পাটির্ অনুসারী। কেউ কেউ ওই পাটিের্ত যোগও দিয়েছেনÑ স্থায়ীভাবে নেতৃত্বেও এসেছেন। যা হোক, অস্ট্রেলিয়ার পঁুজিপতিরা বৃহৎ পঁুজিপতি। তাদেরই রাজত্ব। সেখানে অতীতে কমিউনিস্ট পাটির্ থাকলেও আজ আর তার অস্তিত্ব খঁুজে পাওয়া যায় না-মিউজিয়াম ছাড়া। আমি অবশ্য মিউজিয়ামে গিয়ে খেঁাজ করতে চাইলেও তা করিনি। যা হোক অস্তিত্বকালীন সময়ে অস্ট্র্রেলিয়ার কমিউনিস্ট পাটির্ শক্তিশালী ট্রেড ইউনিয়ন গড়ে তুলেছিল এক শিল্প এক ইউনিয়ন এই নীতিতে। দরকষাকষির অনুক‚লে ভালো শক্তিও অজর্ন করেছিল এবং তাই শক্তিশালী আন্দোলনের মাধ্যমে শ্রমজীবীদের জন্য ন্যূনতম মজুরি স্বীকৃত হয় প্রতি ঘণ্টায় ২০ ডলার। এর প্রয়োগ সবর্ত্র। ন্যূনতম হওয়ায় বাড়তি মজুরিও কোনো কোনো শিল্পে শ্রমজীবীদের দেওয়া হয়।

বেকার নেই সে দেশে। যদি কিছু থাকেও তাদের বিস্তর বেতন-ভাতাদি দেয়া হয়। এক পরিবারে তিনজন বেকার থাকলে তিনজনেরই বেকার ভাতা দেয়া হয় যা দিয়ে তারা বাড়ি-গাড়িও করতে পারে। কিন্তু এ সুযোগ পাওয়ার অধিকার শুধু সে দেশের নাগরিকরা। বিদেশি অস্থায়ী ভিজিটররা নন। তাদের ও তাদের সন্তান-সন্ততি সবার জন্যই শিক্ষা-চিকিৎসা পরিপূণর্ভাবে ফ্রি।

যখন বললাম, একটি মিলনমেলা ডাকুন সব ন্যাপ-কমিউনিস্ট পাটির্-ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সদস্যরা একত্রে বসে একটা সংগঠন গড়ে তুলি অস্ট্র্রেলিয়া শাখা হিসেবে-এক. না গড়ে সবাই বলে উঠলেন আংকেল বা দাদু, এখানে আমরা যে সব সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছি তা তো সমাজতন্ত্রের চেয়ে কম নয়। শোষণ এখানে থাকলেও কোনোভাবেই তা বোঝার উপায় নেই কারণ যে সব সুযোগ-সুবিধা রাষ্ট্র আমাদের দেয়, সোভিয়েত ইউনিয়নেও প্রায় একই সুযোগ-সুবিধা ছিল বরং মধ্যবিত্তের উপাজর্ন এখানকার চেয়ে ওখানে সম্ভবত; কমই ছিল- শ্রমিকদের মজুরির ক্ষেত্রে তো তা সত্য ছিল বটেই। এখানে নিম্নতম মজুরি প্রতি ঘণ্টায় ২০ ডলার কিন্তু আমেরিকায় এখনো তা সাত ডলার মাত্র। তাই আমরা কোনো সংগঠন করিনি-করতে আগ্রহীও নই।

বললাম, কোনো দাবিতে নাই বা হলো কিন্তু সমমনারা মাঝেমধ্যে বসে দেশ নিয়ে, দেশের আমাদের ভ‚মিকা নিয়ে আলোচনার জন্যও তো একটা সংগঠন থাকলে ভালো হয় কিন্তু সাড়া তেমন একটা না পাওয়ায় সেটা আর করা গেল না।

সুতরাং এ ব্যাপারে শেষ কথাটি হলো এখুনি পঁুজিবাদ নিপাত যাক-কৌশলগতভাবে এ কথা না বলে আমরা যদি মেহনতি মানুষের দাবিগুলো যথাথর্ভাবে তুলে ধরি সেটাই যুগোপযোগী এবং সবার কাছে গ্রহণযোগ্য ইস্যু হতে পারে-অধিকতর সংখ্যক মানুষকে আকৃষ্টও করা যেতে পারে।

আর এই দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বিচার করলে নিংসন্দেহে বলা যায়, জামায়াত, হেফাজত বজের্নর দাবি জোরেশোরে তোলা, দুনীির্ত, স্বজনপ্রীতি, দলবাজি, হেফাজত প্রীতির বিরুদ্ধে ঐক্য অবশ্যই আন্তরিক প্রচেষ্টাও উদ্যোগ নিলে ড. কামাল হোসেন ও অপরাপর গণতান্ত্রিক প্রগতিশীল শক্তিকে একটি ..... শক্তিতে পরিণত হতে পারতাম। সে উদ্যোগ তখন নিলে অনেক বেশি উপকার হতো। কিন্তু সময় এখনো আছে।

আমার মতে বিএনপিকেও এই জোটে নেয়া ভালো যদি তারা তাদের ২০ দলীয় উগ্র দক্ষিণপন্থী শক্তিগুলোকে ছেড়ে আসতে রাজি হয়। একদিকে সরকারের ওপর জামায়াত হেফাজত নিষিদ্ধ করার দাবি জোরদার করা-অন্যদিকে বিএনপি থেকে তাদের বিছিন্ন বা সংযোগ ছিন্ন করার চেষ্টা করা জাতীয় স্বাথের্, সংবিধানের মূলনীতিগুলো অবিকল উদ্ধার করতে অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। এবং সে কাজটির জন্য বতর্মানকালে ড. কামাল হোসেন ছাড়া ভিন্ন কোনো কাউকে ভাবা যায় না। তার নেতৃত্বে অনেক প্রখ্যাত আইজীবীও বেশকিছু রাজনৈতিক দল আস্থার সঙ্গেই আজও সমবেত হবেন বলে বিশ্বাস করি। পাকিস্তানি ধারা আমাদের রাজনীতিতে যেভাবে বেঁকে বসেছে তাতে এ ছাড়া উত্তম কোনো বিকল্প দেখি না।

সত্য বটে, ড. কামাল হোসেনের সাম্প্রতিক ভ‚মিকা বেশ কিছুটা বিতকির্ত হয়েছে। আবার তাকে প্রগতিশীল ধারায় সম্পৃক্ত রাখার ব্যাপারে আমাদের অনেকে যে উন্নাসিকতা ও নেতিবাচকতার ভ‚মিকা পালন করেছে- তাও কম সত্য নয়। তিনি চানটি-তবু ঐক্যফ্রন্টের প্রাথীের্দর চাপেই ধানের শীষ প্রতীক ঐক্যফ্রন্টের প্রতীকে পরিণত হয়। উচিত ছিল গণফোরাম প্রাথীের্দর ‘উদীয়মান সূযর্’, এবং বিএনপি বাদে বাদ বাকি দলগুলোরও নিজ নিজ দলীয় প্রতীকে নিবার্চন করা।

ড. কামাল হোসেনের স্পষ্ট অভিমত ছিল, ঐক্যফ্রন্টে জামায়াতে ইসলামী থাকবে না কিন্তু শেষ পযর্ন্ত দেখা গেল গণফোরাম, রব জাসদ, মান্নার দল ও বিএনপি নিয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট, ড. কামাল হোসেনের দাবি সবাই মেনে নিলেন। কিন্তু হঠাৎ ২০ দলীয় উগ্র দক্ষিণপন্থী জোটের পৃথক সভা করে বিএনপি জামায়াতে ইসলামীকে ধানের শীষ প্রতীক দিল। এটা সুস্পষ্টভাবেই ঐক্যফ্রন্টের গৃহীত নীতিমালা লঙ্ঘন। এই ক্ষেত্রে ড. কামাল হোসেন তার ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছেন। বলেছেন, ‘জামায়াতে ইসলামীকে ধানের শীষ প্রতীক দেয়া হবে জানলে আমি ঐক্যফ্রন্টে যোগ দিতাম না।’ এতে স্পষ্টতই বোঝা যায় বিএনপি আসলে প্রতারণামূলকভাবে এমন সিদ্ধান্ত ঐক্যফ্রন্টের মূল নেতাকেও না জানিয়ে গ্রহণ ও কাযর্কর করেছে।

হ্যঁা, ড. কামাল হোসেন এটা জানার পর ঐক্যফ্রন্ট থেকে পদত্যাগ করে বেরিয়ে আসতে পারতেন কিন্তু সম্ভবত শেষ মুহ‚তের্ তার তেমন পদক্ষেপ ঐক্যফ্রন্টের প্রাথীের্দর নিবার্চনী বিপযর্য় ডেকে আনতে পারে- এই রকমটাই আমার ধারণা। এখন এর মযার্দা আগামীর ও বতর্মানের রাজনীতিতে বিএনপি দেবে কিনা তা তারাই জানে।

আবারও ভুল করবে বিএনপি? বিএনপির নিবার্চনী ফলাফলে যথেষ্ট ক্ষুব্ধ হওয়ার ও এ নিবার্চন প্রত্যাখ্যান করার সঙ্গত কারণ আছে। তাই ঐক্যফ্রন্ট ও তারা একযোগে এই নিবার্চন বাতিল করে নিদর্লীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নতুন নিবার্চন অনুষ্ঠানের দাবি জানিয়েছেন। নিবার্চন কমিশন ও সরকার এ দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন।

এহেন পরিস্থিতিতে বিএনপি বলেছে তাদের সদস্যরা যেহেতু নিবার্চন বয়কট করেছে সুতরাং শপথ গ্রহণ ও সংসদ অধিবেশনে যোগদান করলে নিবার্চনে বৈধতা দেয়া হবে। তাই তারা তাতে রাজি নন। তবে গণফোরাম থেকে নিবাির্চত দুইজন সদস্য শপথ নিতে ও সংসদে যোগ দিতে ইচ্ছুক বলে মতপ্রকাশ করায় ঐক্যফ্রন্টে স্পষ্ট দ্বিমত দেখা দিয়েছে। সে কারণে ঐক্যফ্রন্টের সভা ডেকে সেখান থেকেই এ ব্যাপারে চ‚ড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

একটি কথা স্পষ্টতই বলা দরকার, কারচুপি যতই ঘটে থাকুক তার সুনিদির্ষ্ট প্রতিবাদ, উদাহরণ সংসদে, আদালতে ও জনগণের সমাবেশে তুলে ধরাই হলো আন্দোলনের প্রকৃষ্ট পন্থা, শপথ গ্রহণ না করা কিংবা সংসদ অভিবেশন বজর্ন নয়। সংসদের ভেতরে বাইরে আন্দোলন চালাতে হবে।

তাতে জনসম্পৃক্তি ঘটাতে হবে ধারাবাহিক আন্দোলনের মধ্যদিয়ে এবং সেভাবেই জনমত সঙ্গে আনা যেতে পারে- অন্য যে পথ তা হলো সন্ত্রাসী পথ-গণতন্ত্র-বিরোধী পথ এবং এ কথা পূবের্ই প্রমাণিত ওই পথে সাফল্য আসবে না।

সবের্শষ কথাটি হলো জামায়াত ও ধমার্শ্রয়ী দলগুলোকে পরিত্যাগ করে তাদের গণহত্যা ও স্বাধীনতাবিরোধী ভ‚মিকাকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে হবে । আজ বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভ‚মিকা নিয়ে যেন প্রশ্ন না ওঠে সে বিষয়টিও খেয়াল রাখতে হবে।

রণেশ মৈত্র: সভাপতিমÐলীর সদস্য, ঐক্য ন্যাপ

ৎধহবধযসধরঃৎধ@মসধরষ.পড়স
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সকল ফিচার

রঙ বেরঙ
উনিশ বিশ
জেজেডি ফ্রেন্ডস ফোরাম
নন্দিনী
অাইন ও বিচার
ক্যাম্পাস
হাট্টি মা টিম টিম
তারার মেলা
সাহিত্য
সুস্বাস্থ্য
কৃষি ও সম্ভাবনা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
close

উপরে