logo
রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০২০, ১ ভাদ্র ১৪২৬

  শাদমান শাহিদ, প্রভাষক, আওলিয়ানগর এমএ ইন্টারমিডিয়েট কলেজ ব্রাহ্মণবাড়িয়া য়   ৩১ জুলাই ২০২০, ০০:০০  

এইচএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি (বাংলা দ্বিতীয় পত্র)

এইচএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি (বাংলা দ্বিতীয় পত্র)
তাজমহল
আজ তোমাদের জন্য বাংলা দ্বিতীয় পত্র নিয়ে আলোচনা করা হলো

অব্যয় : যে পদের আকৃতি কোনো অবস্থায় পরিবর্তন হয় না, তাকে অব্যয় বলে। যেমন : এবং, কিন্তু, তথা ইত্যাদি।

ক্রিয়া : যে পদ দ্বারা কোনো বিশেষ কালে সম্পন্ন ক্রিয়া বোঝায় তাকে ক্রিয়া বলে। যেমন : করব, করেছি, করে ইত্যাদি।

২। বিশেষ্য কাকে বলে? উহা কত প্রকার ও কী কী? লেখ।

উত্তর : যে পদ দ্বারা ব্যক্তি, স্থান, জাতি, দ্রব্য, গুণ, সমষ্টি ও ক্রিয়ার নাম বোঝায়, তাকে বিশেষ্য বলে।

বিশেষ্য ছয় প্রকার।

যথা : ক. নামবাচক বিশেষ্য

খ. জাতিবাচক বিশেষ্য

গ. বস্তুবাচক বিশেষ্য

ঘ. গুণবাচক বিশেষ্য

ঙ. সমষ্টিবাচক বিশেষ্য

চ. ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য

ক. নামবাচক বিশেষ্য : যে পদ দ্বারা কোনো ব্যক্তি, স্থান বা সংজ্ঞা অথবা গ্রন্থ বিশেষের নাম বোঝায়, তাকে বিশেষ্য বলে। যেমন : করিম, ঢাকা, তাজমহল, শাহনামা ইত্যাদি।

খ. জাতিবাচক বিশেষ্য : যে পদ দ্বারা কোনো এক জাতীয় প্রাণী বা পদার্থের নাম বোঝায়, তাকে জাতিবাচক বিশেষ্য বলে। যেমন : মানুষ, নদী, গাছ ইত্যাদি।

গ. বস্তুবাচক বিশেষ্য : যে পদ দ্বারা কোনো বস্তুর নাম বোঝায়, তাকে বস্তুবাচক বিশেষ্য বলে।

যেমন : পানি, মাটি, লবণ ইত্যাদি।

ঘ. গুণবাচক বিশেষ্য : যে পদ দ্বারা কোনো বস্তুর বৈশিষ্ট্যবাচক দোষ বা গুণের নাম বোঝায়, তাকে গুণবাচক বিশেষ্য বলে। যেমন : তারুণ্য, লজ্জা, মধুরতা ইত্যাদি।

ঙ. সমষ্টিবাচক বিশেষ্য : যে পদ দ্বারা ব্যক্তি, বস্তু বা প্রাণীর সমষ্টি বোঝায়, তাকে সমষ্টিবাচক বিশেষ্য বলে। যেমন : সমিতি, ঝাঁক, বহর ইত্যাদি।

চ. ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য : যে পদ দ্বারা কোনো ক্রিয়ার ভাব প্রকাশ পায়, তাকে ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য বলে। যেমন : গমন, শয়ন, শোনা ইত্যাদি।

৩। বিশেষণ কাকে বলে? উহা কত প্রকার ও কী কী? লেখ।

উত্তর : যে পদ দ্বারা বিশেষ্যের দোষ, গুণ, অবস্থা বা সংখ্যা বিশেষরূপে বোঝায় তাকে বিশেষণ বলে।

বিশেষণ পাঁচ প্রকার।

যথা : ক. বিশেষ্যের বিশেষণ

খ. বিশেষণের বিশেষণ

গ. ক্রিয়া-বিশেষণ

ঘ. ক্রিয়া-বিশেষণের বিশেষণ

ঙ. বিধেয় বিশেষণ

ক. বিশেষ্যের বিশেষণ : যে পদ দ্বারা বিশেষ্যের দোষ, গুণ, অবস্থা বা সংখ্যা ইত্যাদি বোঝায়, তাকে বিশেষ্যের বিশেষণ বলে। যেমন : ভালো, মন্দ, দশ ইত্যাদি।

খ. বিশেষণের বিশেষণ : যে পদ বিশেষণকে বিশেষরূপে নির্দেশ করে, তাকে বিশেষণের বিশেষণ বলে। যেমন : খুব ভালো, অতি সুন্দর ইত্যাদি।

গ. ক্রিয়া-বিশেষণ : যে পদ ক্রিয়াপদকে বিশেষরূপে নির্দেশ করে, তাকে ক্রিয়া বিশেষণ বলে। যেমন : আস্তে বলো। দ্রম্নত চলো ইত্যাদি

ঘ. ক্রিয়া-বিশেষণের বিশেষণ : যে পদ ক্রিয়া-বিশেষণকে বিশেষরূপে নির্দেশ করে, তাকে ক্রিয়া-বিশেষণের বিশেষণ বলে। যেমন : খুব আস্তে বলো। অতি দ্রম্নত চলো ইত্যাদি

ঙ. বিধেয় বিশেষণ : যে পদ বিশেষ্য, বিশেষণ বা সর্বনামের পরে বসে বিধেয়রূপে বাক্যের উদ্দেশ্যস্থানীয় বিশেষ্য বা সর্বনামকে বিশেষরূপে নির্দিষ্ট করে, তাকে বিধেয় বিশেষণ বলে। যেমন : বালিকাটি সুন্দরী। তিনি ধনবান ইত্যাদি।

৪। ক্রিয়াপদ কাকে বলে? উহা কত প্রকার ও কী কী? লেখ।

উত্তর : যে পদ দ্বারা কোনো বিশেষ কালে সম্পন্ন ক্রিয়া বোঝায় তাকে ক্রিয়াপদ বলে। ক্রিয়াপদ প্রধানত দুই প্রকার। যথা: ১. সমাপিকা ক্রিয়া

২. অসমাপিকা ক্রিয়া।

১. সমাপিকা ক্রিয়া : যে ক্রিয়া দ্বারা বাক্যের সমাপ্তি ঘটে, তাকে সমাপিকা ক্রিয়া বলে।

যেমন : আমি ভাত খাই, রফিক স্কুলে যায় ইত্যাদি।

২. অসমাপিকা ক্রিয়া : যে ক্রিয়া দ্বারা বাক্যের সমাপ্তি ঘটে না, তাকে অসমাপিকা ক্রিয়া বলে।

যেমন : আমি ভাত খেয়ে..., রফিক স্কুলে যেয়ে... ইত্যাদি
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সকল ফিচার

রঙ বেরঙ
উনিশ বিশ
জেজেডি ফ্রেন্ডস ফোরাম
নন্দিনী
আইন ও বিচার
ক্যাম্পাস
হাট্টি মা টিম টিম
তারার মেলা
সাহিত্য
সুস্বাস্থ্য
কৃষি ও সম্ভাবনা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
close

উপরে