logo
শনিবার ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৮, ১ পৌষ ১৪২৫

  ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি   ০৬ ডিসেম্বর ২০১৮, ০০:০০  

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে জামাই-শ্বশুর দ্ব›দ্ব

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে জামাই-শ্বশুর দ্ব›দ্ব
জামাই-শ্বশুর দ্ব›েদ্ব ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে কপাল খুলে যেতে পারে বিদ্রোহী প্রাথীর্ ও আওয়ামী লীগ নেতা মঈন উদ্দিন মঈনের। ফলে আসনটি মহাজোটের শরিকদল জাতীয় পাটির্র হাতছাড়া হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন নেতা-কমীর্রা।

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নিবার্চনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৬টি আসনের মধ্যে ৫টি আসনে দলীয় প্রাথীর্ মনোনয়ন দেয় আওয়ামী লীগ। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২-(সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনটি মহাজোটের শরিকদল জাতীয় পাটিের্ক ছেড়ে দেয়া হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২-আসনের বতর্মান সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক মৃধা। তিনি জাতীয় পাটির্র নিবার্হী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান। অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক মৃধা নবম জাতীয় সংসদ নিবার্চনে মহাজোটের প্রাথীর্ হিসেবে চারদলীয় ঐক্যজোটের প্রাথীর্ ও ইসলামী ঐক্যজোটের একাংশের তৎকালীন চেয়ারম্যান মুফতি ফজলুল হক আমিনীকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নিবাির্চত হন। দশম জাতীয় সংসদ নিবার্চনে তিনি নিদর্লীয় প্রাথীর্ মিসেস নায়ার কবিরকে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো সংসদ সদস্য নিবাির্চত হন।

তবে আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নিবার্চনে বতর্মান সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক মৃধা জাতীয় পাটির্র মনোনয়ন পাননি। এ আসনে জাতীয় পাটির্র মনোনয়ন পান অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক মৃধার মেয়ের জামাই ও জাতীয় পাটির্র চেয়ারম্যানের যুব বিষয়ক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রেজাউল ইসলাম ভ‚ঁইয়া।

রেজাউল ইসলামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বাসুদেব ইউনিয়নের কোড্ডা গ্রামে। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩-(সদর-বিজয়নগর) আসন থেকে নিবার্চন করবেন বলে দীঘির্দন ধরে প্রচারণা চালিয়েছেন। কিন্তু শেষ পযর্ন্ত দলীয় মনোনয়ন পান শ্বশুরের আসনে।

এদিকে মনোনয়ন পেয়েও শ্বশুর অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক মৃধার অনুসারীদের প্রতিরোধের মুখে নিবার্চনী এলাকায় যেতে পারছেন না মহাজোট প্রাথীর্ রেজাউল ইসলাম। মারা গেলেও জামাতা রেজাউল যাতে মুখ না দেখেন এ ধরনের অসিয়ত করেছেন বতর্মান সাংসদ জিয়াউল হক মৃধা। তিনিও নিদর্লীয় প্রাথীর্ হিসেবে মনোনয়ন দাখিল করেছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন ২৭ জন প্রাথীর্। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রাথীর্ ৬ জন এবং বিএনপি ৯জন।

মনোনয়নপত্র যাছাই-বাছাই শেষে এই আসনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ৫ জন, বিএনপির ২ জনসহ মোট ১০ জন প্রাথীর্র মনোনয়ন বাতিল হয়। মনোনয়নপত্র বৈধ বলে বিবেচিত হয় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রাথীর্ মঈন উদ্দিন মঈনসহ ১৭ জনের। এর মধ্যে রয়েছেন বিএনপির ৭ জন প্রাথীর্। এই আসনে কে বিএনপির মূল প্রাথীর্ তা এখনো নিশ্চিত হতে পারছেনা দলের কমীর্-সমথের্করা। এ ছাড়া বিএনপিতে রয়েছে দলীয় কোন্দল। এই অবস্থায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রাথীর্ মঈন উদ্দিন মঈনকে নিয়ে আশাবাদী হয়ে উঠছেন দলীয় নেতারা।

এ ব্যাপারে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল-মামুন সরকার বলেন, দলীয় মনোনয়ন নিয়ে জাতীয় পাটিের্ত রয়েছে চরম কোন্দল। প্রতীক বরাদ্দের আগে যদি শ্বশুর-জামাইয়ের বিরোধ না মেটানো যায় তাহলে আসনটি মহাজোটের হাতছাড়া হতে পারে। এমন অবস্থায় আসনটি উম্মুক্ত করে দেয়ার জন্য তিনি মহাজোটের নেতাদের প্রতি দাবি জানান।

এ ব্যাপারে জাতীয় পাটির্র এই আসনের প্রাথীর্ অ্যাডভোকেট রেজাউল ইসলাম ভ‚ইয়া বলেন, আমিই এই আসনের মহাজোট প্রাথীর্। ১০ ডিসেম্বরের পরেই সব ঠিক হয়ে যাবে।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সকল ফিচার

রঙ বেরঙ
উনিশ বিশ
জেজেডি ফ্রেন্ডস ফোরাম
নন্দিনী
অাইন ও বিচার
ক্যাম্পাস
হাট্টি মা টিম টিম
তারার মেলা
সাহিত্য
সুস্বাস্থ্য
কৃষি ও সম্ভাবনা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
close

উপরে