logo
রোববার ২৫ আগস্ট, ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬

  যাযাদি রিপোটর্   ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০০:০০  

হাইকোর্টের নির্দেশ

এক মাসের মধ্যে অস্ত্র ও মাদক মামলার চার্জশিট

এক মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ না করতে পারলে সংশ্লিষ্ট আদালতের কাছে কারণ ব্যাখ্যা করতে বলা হয়েছে

এক মাসের মধ্যে অস্ত্র ও মাদক মামলার চার্জশিট

মাদক ও অস্ত্রের সব মামলার চাজির্শট এক মাসের মধ্যে দাখিলের নিদের্শ দিয়েছে হাইকোটর্। এক মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ না করতে পারলে সংশ্লিষ্ট আদালতের কাছে কারণ ব্যাখ্যা করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে নরওয়ে প্রবাসী ড. নুরুল ইসলাম শেখকে মাদক মামলায় চার সপ্তাহের আগাম জামিন দিয়েছে আদালত। এছাড়া বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নরওয়ের এক নাগরিকসহ চারজনকে মাদক দিয়ে ফঁাসানোর ঘটনায় গাজীপুরের জয়দেবপুর থানার এসআই (মামলার বাদী) আব্দুল হালিমকে প্রত্যাহারের নিদের্শ দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি মাদক মামলার তদন্ত ও তদারকি করার জন্য সেল গঠনে পুলিশের মহাপরিদশের্ক নিদের্শ দেয়া হয়েছে। ইয়াবা দিয়ে ফঁাসানোর ঘটনায় করা মাদক মামলায় জারি করা রুলের শুনানিতে মঙ্গলবার হাইকোটের্র বিচারপতি মো. জাহাঙ্গীর হোসেন ও বিচারপতি রিয়াজ উদ্দিনের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে নুরুল ইসলাম শেখের জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন অ্যাডভোকেট ফারুক আলমগীর চৌধুরী। এসআই আব্দুল হালিমের পক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটনির্ জেনারেল জাহিদ সারওয়ার কাজল। ডেপুটি অ্যাটনির্ জেনারেল জাহিদ সারওয়ার কাজল বলেন, মাদক ও অস্ত্র মামলার তদন্ত এক মাসের মধ্যে শেষ করতে সংশ্লিষ্ট কমর্কতাের্দর নিদের্শ দিয়েছে আদালত। এ সময়ের মধ্যে তদন্তে ব্যথর্ হলে সংশ্লিষ্ট আদালতের কাছে তদন্ত শেষ না করার কারণ ব্যাখ্যা করতে বলা হয়েছে। অন্যদিকে, মাদক ও অস্ত্র মামলার তদন্ত কমর্কতাের্দর তদারকিতে মনিটরিং সেল গঠনের নিদের্শ দিয়েছেন হাইকোটর্। পুলিশের মহাপরিদশর্ক ও দেশের সব এসপিকে এ আদেশ বাস্তাবায়ন করতে বলা হয়েছে। আইনজীবী কাজল জানান, ওই প্রবাসীকে মাদক মামলায় ফঁাসানোর চেষ্টার কারণে গাজীপুরের জয়দেবপুর থানার এসআই আব্দুল হালিমকে থানা থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে প্রত্যাহারের জন্য গাজীপুরের এসপিকে নিদের্শ দেয়া হয়েছে। এছাড়াও ওই এসআইকে ভবিষ্যতে এ ধরনের কমর্কাÐের বিষয়ে সতকর্ করেছেন আদালত। উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ২৯ নভেম্বর এসআই আব্দুল হালিমের নেতৃত্বে একদল পুলিশ দশ পিস ইয়াবাসহ রাজু আহমেদ নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে। পরে রাজু আহমেদের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে নরওয়ে প্রবাসী নুরুল ইসলামসহ চারজনকে অভিযুক্ত করা হয়। এরপর নুরুল ইসলাম ওই মামলায় আগাম জামিন চাইতে হাইকোটের্ আবেদন জানান। জামিন শুনানিকালে আদালত দেখতে পান, নুরুল ইসলাম একজন নরওয়ে প্রবাসী এবং পিএইচডি হোল্ডার। দশ পিস ইয়াবা উদ্ধারের মামলায় তাকে অভিযুক্ত করায় আদালত বিষয়টি তদন্ত করে গাজীপুরের এসপিকে প্রতিবেদন দাখিলের নিদের্শ দেন। তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের আগেই গত ১০ ডিসেম্বর নুরুল ইসলামকে বাদ দিয়ে চাজির্শট দেন মামলার তদন্ত কমর্কতার্। পরবতীের্ত গাজীপুরের এসপির তদন্ত প্রতিবেদন পেয়ে মামলার বাদী জয়দেবপুর থানার এসআই আব্দুল হালিকে তলব করে হাইকোটর্।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close

উপরে