logo
মঙ্গলবার ১৬ জুলাই, ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

  হবিগঞ্জ প্রতিনিধি   ২০ জুন ২০১৯, ০০:০০  

জমে উঠেছে হবিগঞ্জ পৌর নির্বাচনে প্রচারণা

আগামী ২৪ জুন হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র পদের উপনির্বাচন। তাই নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের তৎপরতা ততই বৃদ্ধি পাচ্ছে।

প্রতীক বরাদ্দের পূর্বে প্রার্থীদের মধ্যে নির্বাচনী তৎপরতা কিছুটা কম থাকলেও প্রতীক বরাদ্দের পর প্রতিদ্বন্দ্বী ৫ প্রার্থী ভোটারদের মন জয় করতে কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছেন।

উপনির্বাচনে বিজয়ী মেয়রের মেয়াদ থাকবে দেড় বছরের মতো। অথচ প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীরা যেভাবে আটঘাট বেঁধে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছে তাতে মনে হচ্ছে, তারা যেন ৫ বছরের জন্য মেয়র নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন।

তবে ইতিহাস বলে, যারা একবার হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র-চেয়ারম্যান পদে বসতে পেরেছেন, তারাই বারবার নির্বাচিত হন। যেমন ক্ষিতিশ চৌধুরী, ফকির তালিব হোসেন, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী ও সদ্য পদত্যাগকারী জিকে গউছ পরপর কয়েকবার একটানা মেয়র বা চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। হবিগঞ্জ পৌরসভার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন ও ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, এবারের নির্বাচনে সংখ্যালঘু ভোট জয়লাভে অন্যতম ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করবে। সাধারণত জাতীয় রাজনীতিতে সংখ্যালঘু ভোট আওয়ামী লীগের ভোট ব্যাংক হিসেবে পরিচিত হলেও হবিগঞ্জ পৌরসভার প্রেক্ষাপট ভিন্ন।

বিগত দুটি নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী জিকে গউছের বিজয়েও সংখ্যালঘু ভোট একটি ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করেছিল। এছাড়া এ নির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মিজানুর রহমান মিজান থাকলেও তার বিপরীতে রয়েছেন আওয়ামী লীগেরই তিন বিদ্রোহী প্রার্থী। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নারিকেল গাছ প্রতীকে পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট নিলাদ্রী শেখর পুরকায়স্থ টিটু, জগ প্রতীক নিয়ে জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সৈয়দ কামরুল হাসান, চামচ প্রতীক নিয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মর্তুজ আলী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

আর বিএনপি দলীয় প্রতীকে নির্বাচনে অংশ না নিলেও একক প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন এককালের তুখোড় ছাত্রনেতা জেলা বিএনপি'র যুগ্ম আহ্বায়ক এম ইসলাম তরফদার তনু। তিনি মোবাইল ফোন প্রতীক নিয়ে এ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কিছু সংখ্যালঘু ভোটার জানান, তারা কারো ভোট ব্যাংক হিসেবে পরিচিত হতে চান না। একটি আধুনিক পৌরসভার পাশাপশি যিনি সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে পারবেন, তাকেই তারা ভোট দেবেন।

অপরদিকে সংখ্যালঘু ভোটারদের মনজয় করতে প্রতিদ্বন্দ্বী ৫ প্রার্থীই ভোটারদের নানা প্রতিশ্রম্নতি দিয়ে যাচ্ছেন। তবে তাদের ভোট কার বাক্সে পড়বে, তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে আগামী ২৪ জুন সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close

উপরে