logo
শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯, ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

  এস এ প্রিন্স, নীলফামারী   ০৩ ডিসেম্বর ২০১৯, ০০:০০  

জুনে চিলাহাটি-হলদিবাড়ী রেলপথ উদ্বোধন

নীলফামারীর চিলাহাটি-হলদিবাড়ী সীমান্তে রেল যোগাযোগ স্থাপনের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ৫৪ বছর পর বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের রেল যোগাযোগ পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ভারতের সঙ্গে রেল যোগাযোগের পাশাপাশি চিলাহাটিতে স্থলবন্দর প্রতিষ্ঠার দাবি এখনো উপেক্ষিত। ভারতের হলদিবাড়ী থেকে ডাঙ্গাপাড়া পর্যন্ত ৪ দশমিক ৩৪ কিলোমিটার রেলপথ নির্মাণের কাজ এরই মধ্যে শেষ করে ট্রায়াল ট্রেনও চালিয়েছে ভারত। কিন্তু বাংলাদেশ অংশের পৌনে ৭ কিলোমিটারের রেলপথ নির্মাণের কাজ চলছে ধীরগতিতে। এতে নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

১৯৬৫ সালে পাক-ভারত যুদ্ধের সময় চিলাহাটি থেকে হলদিবাড়ী পর্যন্ত প্রায় ১২ কিলোমিটার রেলপথ তুলে বন্ধ হয়ে যায় রেলপথে যোগাযোগ। সম্প্রতি দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে সুদৃঢ় করতে নেয়া হয় রেল যোগাযোগের উদ্যোগ। বাংলাদেশ অংশে চিলাহাটি থেকে ডাঙ্গাপড়া পর্যন্ত ৬.৭২৪ কিলোমিটার রেলপথ স্থাপনে বরাদ্দ দেয়া হয় ৮০ কোটি ১৬ লাখ ৯৪ হাজার টাকা। এ অর্থে রেলপথ বসানোর পাশাপাশি নির্মাণ করা হবে ইমিগ্রেশন ও কাস্টমস অফিস। ২০২০ সালের জুন মাসের মধ্যে চিলাহাটি-হলদিবাড়ি রেলপথে ট্রেন চলাচল দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সেরে মাধ্যমে উদ্বোধন করার কথা থাকলেও বর্তমান বাস্তবতায় তা অনেকটাই অনিশ্চিত হয়ে গেছে। বাংলাদেশ অংশের কাজ ধীরগতিতে চলার কারণে অগ্রগতি হয়েছে মাত্র ২৫ ভাগ।

সীমান্ত ইউনিয়ন ভোগডাবুড়ির তোজাম্মেল হোসেন মঞ্জু, আশরাফ আলী, সোহরাব হোসেনসহ অনেকে জানান, হলদিবাড়ী থেকে ডাঙ্গাপাড়া পর্যন্ত ভারত কর্তৃপক্ষ প্রায় দেড় বছর আগে তাদের অংশের কাজ শেষ করেছে। নতুনভাবে নির্মিত রেলপথে তারা চালিয়েছে ট্রায়াল ট্রেন। চিলাহাটি রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার আশরাফুল ইসলাম বলেন, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাজের গতি অত্যন্ত হতাশাব্যঞ্জক। এ পর্যন্ত তারা মাত্র ২৫ ভাগ কাজ করেছে।

রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন বলেন, দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের সুফল হিসেবে চালু হতে যাচ্ছে চিলাহাটি-হলদিবাড়ী রেলপথ। যা এক সোনালি অধ্যায়ের সূচনা করেছে। আগামী জুন মাসের মধ্যে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই রেলপথের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close

উপরে