logo
  • Sat, 17 Nov, 2018

  জালাল উদ্দিন ভিকু, দৌলতপুর (মানিকগঞ্জ)   ০৯ নভেম্বর ২০১৮, ০০:০০  

একাদশ জাতীয় সংসদ নিবার্চন

বড় দুই দলেই গৃহদাহ

মানিকগঞ্জ-১ (ঘিওর, দৌলতপুর, শিবালয়)

বড় দুই দলেই গৃহদাহ
ঘিওর-দৌলতপুর-শিবালয় উপজেলা নিয়ে গঠিত মানিকগঞ্জ-১ আসন। আসন্ন জাতীয় সংসদ নিবার্চনকে ঘিরে দলীয় কোন্দলের ফলে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি বড় দুই দলের নেতাকমীর্রা বিভক্ত হয়ে পড়েছেন। আগামী জাতীয় সংসদ নিবার্চনে দুই দলের একাধিক নেতা নিজ দলের প্রাথীের্দর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। পরপর দু’বার দখলে থাকা এ আসনটি আওয়ামী লীগ চায় ধরে রাখতে। কিন্তু বাধা হয়ে দঁাড়িয়ে নিজ দলের সম্ভাব্য প্রাথীের্দর বিদ্রোহের আগুন। এ আসনে বতর্মান সংসদ সদস্য জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও ক্রিকেট বোডের্র পরিচালক এএম নাঈমুর রহমান দুজর্য়। তার বিরুদ্ধে নিজ দলের সম্ভাব্য প্রাথীর্রা প্রকাশ্যে সভা-সমাবেশে বিশদ্গার করছেন। এ আসনটি আগে বিএনপির ঘঁাটি হিসেবে পরিচিত ছিল। এখন তা পুনরুদ্ধার করতে চায় বিএনপি। কিন্তু একই অবস্থা বিএনপিতে। বিএনপির প্রয়াত মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের পরিবারের বিরুদ্ধেও অবস্থান নিয়েছেন তার দলের সম্ভাব্য প্রাথীর্রা। সভা সমাবেশে বিএনপির সম্ভাব্য প্রাথীর্রা ওই পরিবারের বিরুদ্ধে বিশদ্গার করছেন।

১৯৭৩ সালে প্রথম জাতীয় সংসদ নিবার্চনে এ আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে সংসদ সদস্য হন বতর্মান সংসদ সদস্য নাঈমুর রহমান দুজের্য়র পিতা অধ্যক্ষ এএম সায়েদুর রহমান। ১৯৭৯ সালে দ্বিতীয় সংসদ নিবার্চনে সংসদ সদস্য হন প্রয়াত বিএনপি মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন। ১৯৮৬ সালে তৃতীয় সংসদ ও ১৯৮৮ সালে চতুথর্ সংসদ নিবার্চনে এ আসন থেকে সংসদ সদস্য নিবাির্চত হন জাতীয় পাটির্র নেতা প্রয়াত মোহাম্মদ সিদ্দিকুর রহমান। ১৯৯১ সালে পঞ্চম, ১৯৯৬ সালে ফেব্রæয়ারি মাসে ষষ্ঠ ও ১৯৯৬ সালের সপ্তম ও ২০০১ সালে অনুষ্ঠিত ৮ম জাতীয় সংসদ নিবার্চনে সংসদ সদস্য হন বিএনপির প্রয়াত মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন। অথার্ৎ এ আসনে তিনি মোট ৫ বার সংসদ সদস্য নিবাির্চত হয়েছেন । এ কারণে মানিকগঞ্জের অন্য আসনের মতো এ আসনকেও বলা হতো বিএনপির ঘঁাটি।

২০০৮ সালে ৯ম সংসদ নিবার্চনে প্রথমবার দঁাড়িয়ে বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিএনপির মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনকে হারিয়ে জয়লাভ করেন আওয়ামী লীগের প্রাথীর্ এবিএম আনোয়ারুল হক। ওই সময় বিএনপির বিদ্রোহী প্রাথীর্ ছিলেন বতর্মান দৌলতপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান তোজাম্মেল হক তোজা।

২০১৪ সালের ১০ম সংসদ নিবার্চনে এবিএম আনোয়ারুল হককে বাদ দিয়ে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন দেয়া হয় জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোডের্র পরিচালক এএম নাঈমুর রহমান দুজর্য়কে। তিনি জাসদ প্রাথীর্ আফজাল হোসেন খান জকিকে পরাজিত করে সংসদ সদস্য নিবাির্চত হন।

বতর্মান সংসদ সদস্য এএম নাঈমুর রহমান দুজর্য় একাদশ সংসদ নিবার্চনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চাইবেন। তবে তার দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার ক্ষেত্রে বড় বাধা হয়ে দঁাড়িয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জজ কোটের্র পিপি মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য এসএম জাহিদ ও সাবেক সংসদ সদস্য এবিএম আনোয়ারুল হক।

এছাড়া মনোনয়ন চাইবেন মানিকগঞ্জ পৌরসভার কাউন্সিলর সুভাষ সরকার, বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের সদস্য ও ট্যাক্স ল’ ইয়াসর্ কাবের বতর্মান সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. মুস্তাফিজুর রহমান কাদেরী, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ঢাকা মহানগর উত্তরের সাবেক সহ-সভাপতি, বতর্মানে বঙ্গবন্ধু কল্যাণ পরিষদের ঢাকা উত্তরের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শফিক।

এ ব্যাপারে মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম জানান, তিনি ২০০১ সালে দলের প্রাথীর্ হয়ে নিবার্চনে অংশ নিয়েছিলেন। এবার তিনি দলের কাছে মনোনয়ন চাইবেন। ছাত্রজীবন থেকে ধারাবাহিক রাজনীতি করে আজ আওয়ামী লীগের জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন। তিনি ঘিওর-দৌলতপুর-শিবালয় প্রতিটি ইউনিয়নে গ্রাম-গঞ্জে ব্যাপক গণসংযোগ করে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, দল যদি তাকে মনোনয়ন না দেন তবে যাকে দেবেন তিনি তার পক্ষেই কাজ করবেন বলে জানান।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্নেহভাজন ও বতর্মান সংসদ সদস্য এএম নাঈমুর রহমান দুজর্য় বলেন, আওয়ামী লীগ একটি বৃহৎ রাজনৈতিক দল, এখানে একাধিক প্রাথীর্ দলের কাছে মনোনয়ন চাইতে পারেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সিদ্ধান্ত নেবেন কাকে মনোনয়ন দেবেন। তিনি বলেন, সংসদ সদস্য হওয়ার পর জেলা যুব উন্নয়ন কমপ্লেক্স, ঘিওর বাজারে জেলা পরিষদ বহুতলবিশিষ্ট ৬ তলা বাণিজ্যিক কমপ্লেক্স, উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স, মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স, আরিচা-টাঙ্গাইল আঞ্চলিক মহাসড়ক উন্নয়ন, জাফরগঞ্জ থেকে চরকাটারী পযর্ন্ত নদী শাসন প্রকল্পের কাজ এগিয়ে চলছে, তিন উপজেলায় আশ্রয়ণ প্রকল্প, ২টি কলেজ ও ২টি হাইস্কুল সরকারিকরণ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নতুন ভবন, ঘিওর নদীর ওপর ব্রিজ, সিংজুরী কালীগঙ্গা নদীর ওপর ৩৬৫ মিটার ব্রিজ, ঘিওরে মিনি স্টেডিয়াম নিমার্ণ। এছাড়া প্রতিটি ইউনিয়ন থেকে উপজেলা সদরের যাতায়াতের রাস্তা নিমার্ণ করা হয়েছে। তিনি অসংখ্য অসচ্ছল-গরিব মানুষের মধ্যে ব্যক্তিগত সহযোগিতা করেছেন। তিনি বলেন, প্রস্তাবিত আন্তজাির্তক ক্রিকেট স্টেডিয়াম, সোলার পাকর্ হাইটেক, অথৈর্নতিক অঞ্চল, রেললাইন, পাটুরিয়ায় দ্বিতীয় পদ্মা সেতুসহ আরও অনেক উন্নয়নমূলক কাজ কমর্পরিকল্পনা আছে, সেকাজগুলো বাস্তবায়নের অপেক্ষায় রয়েছে।

আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রাথীর্ এসএম জাহিদ বলেন, তিনি তৃণমূলের রাজনীতি করে আজ বাংলাদেশ যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন। তিনি আগামী নিবার্চনে মনোনয়ন নিয়ে যদি নিবার্চনে জয়ী হতে পারেন তাহলে এই অবহেলিত পশ্চিম মানিকগঞ্জকে একটি মডেল সংসদীয় আসন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবেন। তিনি তরা থেকে শিবালয় পযর্ন্ত শিল্প অঞ্চল গড়ে তুলবেন এবং পাটুরিয়ায় দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নিমার্ণ করা হবে। বিগত দিনে নদীভাঙা মানুষের পাশে থেকে সুলতান-ছাহেরা ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে শীতবস্ত্র, বন্যায় চাল-ডাল, মসজিদ, মাদ্রাসা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মন্দির, রাস্তাঘাট, কবরস্থান, অসংখ্য অসচ্ছল-গরিব মানুষকে সাহায্য-সহযোগিতা করেছেন।

এ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এবিএম আনোয়ারুল হক বলেন, তিনি প্রথমবার নিবার্চনে দঁাড়িয়ে বিএনপির মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনকে বিপুল ভোটে পরাজিত করেছিলেন। ওই সময় এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন করেন, কোনো প্রকার দুনীির্তর সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না। তিনি দাবি করেন তৃণমূলের সাধারণ মানুষ তার মতো একজন ক্লিন ইমেজের প্রাথীের্ক ভোট দেবেন। সেই ক্ষেত্রে ভোটের রাজনীতিতে আগামী জাতীয় সংসদ নিবার্চনে দল তাকেই মনোনয়ন দেবেন বলে তিনি বিশ্বাস করেন। সে সঙ্গে ঘিওর-দৌলতপুর-শিবালয় প্রতিটি ইউনিয়নে গ্রাম-গঞ্জে ব্যাপক গণসংযোগ করে যাচ্ছেন তিনি।

এদিকে আসন্ন সংসদ নিবার্চনে অংশগ্রহণের ব্যাপারে দলীয় সিদ্ধান্ত এখন পযর্ন্ত চ‚ড়ান্ত না থাকলেও বিএনপির সম্ভাব্য প্রাথীর্রা তাদের নিবার্চনী এলাকায় দলীয় কমর্সূচি পালনের ক্ষেত্রে খুব একটা চোখে পড়ে না। ঝুট-ঝামেলা এড়াতে একরকম চুপিচাপি হঠাৎ করে ঝটিকা গণসংযোগ, সামাজিক অনুষ্ঠানে যোগদানের মধ্য দিয়ে নিবার্চনে তাদের প্রাথির্তার কথা জানান দিচ্ছেন জোরেশোরে।

এ আসনে যারা মনোনয়ন চাইবেন তারা হলেনÑ বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও জেলা বিএনপির সভাপতি আফরোজা খান রিতা, বিএনপির প্রয়াত মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের পুত্র, বিএনপির জাতীয় নিবার্হী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট খোন্দকার আবদুল হামিদ ডাবলু, জাতীয় নিবার্হী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এসএ জিন্নাহ কবীর, জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও দৌলতপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান তোজাম্মেল হক তোজা, বিএনপির প্রয়াত মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের আরেক পুত্র জেলা বিএনপির কৃষিবিষয়ক সম্পাদক ড. খোন্দকার আকবর হোসেন বাবলু।

বিএনপির জাতীয় নিবার্হী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট খোন্দাকার আবদুল হামিদ ডাবলু বলেন, তাদের পরিবারের বাইরে যারা দলের কাছে মনোনয়ন চাচ্ছেন তারা বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। তার পিতা এই আসনে ৫ বার এমপি ছিলেন। পিতার সাথে থেকে প্রতিটি গ্রামে বিভিন্ন কমর্সূচিতে অংশ নিয়েছেন। প্রত্যেক নেতাকমীর্র সাথে রয়েছে গভীর সম্পকর্। রাজনীতি করার কারণে ৬টি মিথ্যা মামলা হয়েছে তার বিরুদ্ধে। তাকে মনোনয়ন দিলে হারানো এ আসনটি পুনরুদ্ধার করা সম্ভব।

বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এস কবির জিন্নাহ বলেন, তিনি ছাত্রজীবন থেকে শহীদ রাষ্ট্রপ্রতি জিয়াউর রহমানের আদশের্র রাজনীতি করে জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন। তার বিরুদ্ধে ৭/৮টি রাজনৈতিক মিথ্যা মামলা হয়েছে। তৃণমূলের নেতাকমীের্দর সঙ্গে রয়েছে সখ্য। তাকেই মনোনয়ন দিলে হারানো এ আসন পুনরুদ্ধার সম্ভব।

বিএনপির আরেক মনোনয়নপ্রত্যাশী জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তোজাম্মেল হক তোজা বলেন, সংসদ নিবার্চন করার তার অভিজ্ঞতা রয়েছে। বিএনপির বিদ্রোহী প্রাথীর্ হয়ে তিনি ২০০৮ সালে ২৬ হাজার ভোট পেয়েছিলেন। বিগত উপজেলা পরিষদ নিবার্চনে বিপুল ভোটে দৌলতপুর উপজেলা চেয়ারম্যান নিবাির্চত হয়েছেন। ওই পরিবারের কাউকে মনোনয়ন দিলে হারানো আসন পুনরুদ্ধার সম্ভব নয়। এছাড়া তিনি দাবি করেন নিবার্চনী এলাকায় ৩০ ভাগ ভোট রয়েছে চরাঞ্চলের। তিনি চরাঞ্চলের প্রাথীর্ হিসেবে ওইসব ভোট তার ভোটব্যাংক বলে দাবি করেন।

এদিকে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী জেলা বিএনপির কৃষিবিষয়ক সম্পাদক বিএনপির প্রয়াত মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের ছেলে ড. খোন্দকার আকবর হোসেন বাবলু বলেন, তার পিতা ওয়ান-এলিভেনের (এক-এগারো) সময় বিএনপিকেই শুধু বঁাচাননি, জিয়া পরিবারকেও রক্ষা করেছিলেন। দলের হাইকমান্ডের ওয়াদা রয়েছে খোন্দকার পরিবারের সদস্যদের মধ্যে মনোনয়ন দেয়ার। তারা দুই ভাই দলের কাছে মনোনয়নপ্রত্যাশী। দল তাদের দুই ভাইয়ের একজনকে মনোনয়ন দেবেন। অন্য যারা দলের কাছে মনোনয়ন চাচ্ছেন তারা ক্ষমতাসীন দলের সঙ্গে অঁাতাত করে রাজনীতি করছেন। নিবার্চনী মাঠে ক্ষমতাসীন দলের কোনো প্রতিবন্ধকতা না থাকলেও নিজ দলের মনোনয়নপ্রত্যাশী নেতাদের কারণে প্রতিবন্ধকতার শিকার হচ্ছেন তিনি।

জেলা বিএনপির সভাপতি আফরোজা খান রিতা বলেন, সম্প্রতি তিনি বলেছিলেন, মানিকগঞ্জের ৩টি আসনেই দলের কাছে মনোনয়ন চাইবেন। দলের হাইকমান্ডের সঙ্গে এ নিয়ে আলোচনা চলছে। এছাড়া তৃণমূলের নেতাকমীর্রাও চাইছেন বিএনপির হারানো আসন পুনরুদ্ধারের জন্য তার কোনো বিকল্প নেই।

এই আসনে মহাজোটের প্রাথীর্ হিসেবে মনোনয়ন চাচ্ছেন জাসদের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক ঘিওর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আফজাল হোসেন খান জকি। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে আসনটি ধরে রাখার জন্য জোটগতভাবে তাকে মনোনয়ন দেবেন কেন্দ্রীয় মহাজোট।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সকল ফিচার

রঙ বেরঙ
উনিশ বিশ
জেজেডি ফ্রেন্ডস ফোরাম
নন্দিনী
অাইন ও বিচার
ক্যাম্পাস
হাট্টি মা টিম টিম
তারার মেলা
সাহিত্য
সুস্বাস্থ্য
কৃষি ও সম্ভাবনা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
close

উপরে