logo
  • Mon, 16 Jul, 2018

  যাযাদি রিপোটর্   ১২ জুলাই ২০১৮, ০০:০০  

মিজার্ ফখরুলের অভিযোগ

১১ দিন ধরে খালেদার সঙ্গে দেখা করতে দেয়া হচ্ছে না

‘আইজি প্রিজনের কাছে গেলে তিনি বলেন, মন্ত্রীর কাছে যান। মন্ত্রীর কাছে গেলে বলেন, এক নম্বর ব্যক্তির অনুমতি ছাড়া কিছু করতে পারবেন না’

১১ দিন ধরে খালেদার সঙ্গে দেখা করতে দেয়া হচ্ছে না
বুধবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কাযার্লয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তৃতা করেন দলের মহাসচিব মিজার্ ফখরুল ইসলাম আলমগীর। পাশে (বঁায়ে) জ্যেষ্ঠ যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী Ñযাযাদি

বিএনপি মহাসচিব মিজার্ ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করেছেন, দলের চেয়ারপারসন কারাবন্দী খালেদা জিয়ার সঙ্গে পরিবারের সদস্য ও দলের নেতারা ১১ দিন ধরে চেষ্টা করেও দেখা করতে পারছেন না। বুধবার রাজধানী ঢাকার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কাযার্লয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন। মিজার্ ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, খালেদা জিয়াকে দীঘর্ ১১ দিন তার পরিবারের সঙ্গে এবং কারও সঙ্গে দেখা করতে দেয়া হচ্ছে না। এ বিষয়ে কারা কতৃর্পক্ষের দৃষ্টি আকষর্ণ করা হলেও এটি নিয়ে তারা কোনো কথা না বলে কারাবিধির অজুহাত দেখাচ্ছে। মিজার্ ফখরুল আরও বলেন, ‘পরিবার ও দলের পক্ষ থেকে বারবার যোগাযোগ করা হলেও এ ব্যাপারে কোনো সুরাহা হচ্ছে না। অথচ কারাবিধি অনুযায়ী জেল সুপারই যথেষ্ট। কিন্তু জেল সুপারকে বললে তিনি বলেন, আইজি প্রিজনের কাছে যান। আইজি প্রিজনের কাছে গেলে তিনি বলেন, মন্ত্রীর কাছে যান। মন্ত্রীর কাছে গেলে বলেন, এক নম্বর ব্যক্তির অনুমতি ছাড়া কিছু করতে পারবেন না।’ ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করার জন্য যদি সরকারপ্রধানের কাছে অনুমতির জন্য যেতে হয়, তাহলে এটা কি আইনের শাসন? জেল কোড লঙ্ঘন করে খালেদা জিয়াকে তার পরিবার, বন্ধু ও রাজনৈতিক সহকমীের্দর সঙ্গে দেখা করতে দিচ্ছে না সরকার। এটা মানবাধিকারের লঙ্ঘন।’ সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে ফখরুল ইসলাম বলেন, খালেদা জিয়াকে কারাগারে নেয়ার জন্য বিভিন্ন মামলার ফঁাদ পাতা হয়েছে। এসব মামলার ফঁাদে ফেলে খালেদা জিয়াকে কারাগারে নেয়া হয়েছে। এমন হাজার হাজার মামলা ঝুলন্ত আছে। খালেদা জিয়ার জন্য আইন লঙ্ঘন করে আলাদা আদালত গঠন করে দ্রæত সময়ে তাকে সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মিজার্ ফখরুল আরও বলেন, খালেদা জিয়াকে সাজা দেয়ার মূল কারণ তাকে এবং বিএনপিকে বাইরে রেখে একতরফা নিবার্চন করে ক্ষমতার দখল দীঘাির্য়ত করা। কারণ, খালেদা জিয়া আজীবন গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করেছেন। ‘মিথ্যা’ মামলায় খালেদা জিয়াকে কারাগারে রাখা হয়েছে উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, খালেদা জিয়া মূল মামলায় জামিন পেয়েছেন। কিন্তু অন্য মামলায় তার জামিন বিলম্বিত করা হচ্ছে, যেন তাকে দীঘির্দন কারাগারে রাখা যায়। সরকারের উদ্দেশে মিজার্ ফখরুল বলেন, ‘সরকারের শুভ চিন্তার উদয় হোক। খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হোক। সংসদ ভেঙে দিয়ে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নিবার্চন দিন। না হলে তুমুল জনরোষ থেকে রেহাই পাবেন না। ইতিহাস থেকে শিক্ষা গ্রহণ করুন।’ বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, সহসাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক মীর শরাফত আলী সপু প্রমুখ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সকল ফিচার

উনিশ বিশ
নন্দিনী

উপরে