logo
সোমবার ২৬ আগস্ট, ২০১৯, ১১ ভাদ্র ১৪২৬

  যাযাদি রিপোর্ট   ০৬ আগস্ট ২০১৯, ০০:০০  

আইনি লড়াইয়ে জিততে না পারায় খালেদার মুক্তি মিলছে না: তথ্যমন্ত্রী

আইনি লড়াইয়ে জিততে না পারায় খালেদার মুক্তি মিলছে না: তথ্যমন্ত্রী
সোমবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তৃতা করেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ -যাযাদি

আইনি লড়াইয়ে জিততে না পারার জন্যই বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি মিলছে না বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছার ৮৯তম জন্মবার্ষিকী উদ্‌যাপন উপলক্ষে সোমবার দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন। আলোচনা সভার আয়োজন করে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব পরিষদ। মন্ত্রী বলেন, আইনি লড়াইয়ে খালেদা জিয়া মুক্তি পেলে আওয়ামী লীগের তো কোনো সমস্যা নেই। তাদের বলব, আপনারা আপনাদের আইনজীবীদের একত্রিত করে আরও শক্তিশালী করুন। বিএনপি সারাদেশে বিভিন্ন বিষয় গুজব ছড়াচ্ছে উলেস্নখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের ছদ্মাবরণে পাকিস্তানের দোসর ছিল জিয়াউর রহমান। তারই প্রজন্ম এখন বিএনপি। তারা এখন রাজনৈতিকভাবে পরাজিত হয়ে গুজবের আশ্রয় নিয়েছে। প্রথমে পদ্মা সেতু, এরপর ডেঙ্গু, এরপর হারপিক বিস্নচিং পাউডার এবং এখন শেখ হাসিনাকে নিয়েও তারা গুজব ছড়াচ্ছে। তবে এসব অবশ্য বুদবুদের (বাবল) মতো উড়ে যাবে। সোমবার শেখ কামালের জন্মদিন উপলক্ষে তিনি বলেন, শেখ কামাল বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে এক বিপস্নবী পরিবর্তন এনেছেন। একই সঙ্গে তিনি সেতার বাজাতেন, নাটক করতেন, ক্রিকেটে জাতীয় একাদশের সদস্য ছিলেন, মুক্তিযুদ্ধেও তার অবদান ছিল অসামান্য। বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছাকে নিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু সংসার পেতেছিলেন ঠিকই, কিন্তু কোনোদিন সংসার করেননি। এই দুটির মধ্যে অনেক পার্থক্য। তিনি দেশের সমগ্র মানুষকে সংসার মনে করতেন। বঙ্গমাতা সংসার এবং বঙ্গবন্ধু যখন জেলে থাকতেন, তখন সংসার ও দল দুটিই চালাতেন। তার অনেক সিদ্ধান্তের সঙ্গে বাংলাদেশের অভু্যদয়ের ইতিহাস জড়িত। সংগঠনের সভাপতি অধ্যাপক ড. আবদুল মান্নান চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য ও বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য ও সাবেক খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, আওয়ামী লীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ ও অ্যাডভোকেট বলরাম পোদ্দার।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close

উপরে