logo
রোববার ২৬ মে, ২০১৯, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬

  ক্রীড়া ডেস্ক   ১৬ মার্চ ২০১৯, ০০:০০  

তামিমদের পাশে আফ্রিদি-কোহলিরা

ক্রাইস্টচার্চে নারকীয় ধ্বংসযজ্ঞে হতবাক পুরো বিশ্ব। যেখান থেকে বাদ যায়নি বিশ্বের ক্রিকেট তারকারাও। ভারতের অধিনায়ক বিরাট কোহলি এবং পাকিস্তানের অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ এ ঘটনায় বাংলাদেশ ক্রিকেটারদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন। বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্নতা প্রকাশ করেছেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানও।

টুইটারে বিরাট কোহলি লিখেছেন, 'শকিং অ্যান্ড ট্রাজিক। ক্রাইস্টচার্চের এই নৃশংস ঘটনায় যারা হতাহত হয়েছে, সবার প্রতি আমার অন্তরের অন্তস্তল থেকে গভীর সমবেদনা। আমার চিন্তাচেতনাজুড়ে রয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। বাংলাদেশ দল যাতে নিরাপদে থাকতে পারে এই আশা করছি। ভালো থাকুন।'

পাকিস্তান অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদও টুইটারে এসে সমবেদনা জানিয়েছেন নিহতদের প্রতি এবং বাংলাদেশ দল যেন নিরাপদে থাকে সে কামনা জানিয়েছেন। তিনি লেখেন, 'নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের মসজিদে হামলার খবর শুনে গভীরভাবে দুঃখ পেলাম। আমার দোয়া এবং প্রার্থনা সবই এই হামলায় নিহতদের এবং তাদের পরিবারের প্রতি। মানবতা এখানে হারিয়ে গেছে। এখন এটা এক দুঃখ বেদনার জায়গা। আলস্নাহকে ধন্যবাদ যে, বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে রক্ষা করেছেন।'

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান, যিনি ছিলেন পাকিস্তানের ক্রিকেট দলের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক, এই হামলার পেছনে মুসলিমবিদ্বেষী মনোভাবকে দায়ী করেন। নাইন ইলেভেনের পর যে কোনে মুসলমানের দ্বারা সংঘটিত সন্ত্রাসী ঘটনার জন্য ইসলাম এবং ১৩০ কোটি মুসলিমদের সমষ্টিগতভাবে দায়ী করা হচ্ছে। মুসলিমদের রাজনৈতিক সংগ্রামকে দানবীয় রূপ দিতে ইচ্ছাকৃতভাবে এটা করা হচ্ছে, নিজের টুইটে বলেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। এর আগে তিনি এই ঘটনায় হতবাক হওয়ার কথাও লিখেছেন টুইটারে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে শহিদ আফ্রিদি লিখেছেন, 'ক্রাইস্টচার্চে ভয়ংকর শোকাবহ ঘটনা ঘটেছে। আমি সবসময় নিউজিল্যান্ডকে সবচেয়ে নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ দেশ হিসেবে জানি। ওখানকার মানুষ খুবই বন্ধুত্বসুলভ। তামিমের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। বাংলাদেশ দল ও কোচিং স্টাফরা সবাই নিরাপদে আছে জেনে স্বস্তি পাচ্ছি। এসব থামাতে বিশ্বকে একত্র হতে হবে! এভাবে ঘৃণা করা থামান! সন্ত্রাসবাদের কোনো ধর্ম নেই। শোকসন্তপ্ত পরিবারের জন্য প্রার্থনা। আলস্নাহ নিহতদের শান্তি দান করুন।'

এই নারকীয় ঘটনায় আরেক সাবেক পাকিস্তানি শোয়েব আখতার টুইটারে হামলাকারীর প্রতি তীব্র ঘৃণা প্রকাশ করে লিখেছেন, 'ক্রাইস্টচার্চে মসজিদের মধ্যে সন্ত্রাসী হামলার ছবি দেখলাম। আমি স্তম্ভিত। আমরা কি এখন আমাদের প্রার্থনার জায়গার ভেতরেও নিরাপদ নই? এ ধরনের সন্ত্রাসী হামলার তীব্র প্রতিবাদ জানাই। আমি আনন্দিত, যে বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা সবাই নিরাপদ আছেন।'
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close

উপরে