logo
সোমবার ২২ জুলাই, ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

  ক্রীড়া ডেস্ক   ০৬ জুলাই ২০১৯, ০০:০০  

দর্শক হয়েই থাকলেন রাহি!

দর্শক হয়েই থাকলেন রাহি!
এত আয়েশ করে কে কবে খেলা দেখেছিল কে জানে! টিকিট কেনার ঝঞ্ঝাট নেই, রোদে পুড়ে-বৃষ্টিতে ভিজে খেলা দেখার ঝামেলা নেই। আয়েশ করে একদম ড্রেসিংরুমে বসে দর্শক হয়ে খেলা দেখা। এমন সৌভাগ্য ক'জনের ভাগ্যে জোটে! এ জন্য বিসিবিকে ধন্যবাদ দিতেই পারেন আবু জায়েদ রাহি। মাশরাফিদের সঙ্গে বেশ আরামেই দর্শক হয়ে বিশ্বকাপে যেতে পেরেছেন! এমন সুযোগই-বা কজনের হয়?

তাসকিন নাকি রাহি? এই প্রশ্নের উত্তর দিতেই ঘাম ছুটে গিয়েছিল বিসিবির। অনেক অঙ্ক কষে উত্তর পাওয়া গেল। ইংল্যান্ডের কন্ডিশনে আবু রাহিকে ছাড়া নাকি চলবেই না মাশরাফিদের। ইংল্যান্ডের কন্ডিশনে নাকি তার সুইং খুবই কার্যকর।

বিশ্বকাপে অন্য সবদল যখন গতিময় পেসার নিতে ব্যস্ত, বাংলাদেশ দল তখন খালেদ, ইবাদত কিংবা তাদের চেয়ে অভিজ্ঞ তাসকিনকে দলে নেয়নি। ১৫ সদস্যের দলে জায়েদের নাম টুকে দেয়া হয়েছে মেঘলা কন্ডিশনে তাকে ব্যবহার করার জন্য। কিন্তু যে জন্য ইংল্যান্ড যাওয়া সেখানেই নেই এই পেসার। একমাত্র অনুশীলনে গা গরম করা ছাড়া কোথাও দেখা যায়নি তাকে।

ভাবা হচ্ছিল পাকিস্তানের সঙ্গে শেষ ম্যাচে হয়তো দলে সুযোগ পাবেন জায়েদ। আশায় গুড়েবালি, শেষ ম্যাচে দলে দুটো পরিবর্তন এলেও জায়গা হয়নি এই বোলারের। পুরো বিশ্বকাপটা শেষমেশ তাই দর্শক হিসেবেই থাকতে হলো।

এটা অবশ্য নতুন কিছু নয়। প্রথম দুই বিশ্বকাপেই শুধু স্কোয়াডে থাকা সব খেলোয়াড় মাঠে নামার সুযোগ পেয়েছিলেন। এরপর তিন বিশ্বকাপে চারজন বাংলাদেশির এমন দশা হয়েছিল। ২০০৭ বিশ্বকাপে রাজিন সালেহ প্রথম এ দুর্ভাগ্যের শিকার হন। এরপর ২০১১ বিশ্বকাপে এ দশা হয়েছিল নাজমুল হোসেনের। ২০১৫ বিশ্বকাপে মাঝপথে ফিরে এসেছিলেন আল আমিন। তার বদলি শফিউল ইসলামও খেলতে পারেননি।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close

উপরে