logo
মঙ্গলবার ২৩ এপ্রিল, ২০১৯, ১০ বৈশাখ ১৪২৬

  যাযাদি রিপোর্ট   ১৪ এপ্রিল ২০১৯, ০০:০০  

খাদ্যশস্য আমদানি ব্যয় কমছে

চলতি অর্থবছরের প্রথম আট মাসে (জুলাই-ফেব্রম্নয়ারি) খাদ্যশস্য আমদানিতে ব্যয় কমেছে ৫৫ শতাংশ। আলোচ্য সময়ে বিদেশ থেকে ১০৬ কোটি ২৬ লাখ ডলারের খাদ্যশস্য আমদানি হয়েছে। গত বছরের একই সময়ে খাদ্যশস্য আমদানির পেছনে ব্যয় হয়েছিল ২৪১ কোটি ডলার।

কাস্টমসের রেকর্ডকৃত আমদানি-সংক্রান্ত তথ্যের ভিত্তিতে করা বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন থেকে দেখা যায়, চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরের জুলাই-ফেব্রম্নয়ারি সময়ে চাল আমদানি ৯৩ দশমিক ১৬ শতাংশ কমে আট কোটি ৯৬ লাখ ডলারে নেমেছে। গত ২০১৭-১৮ অর্থবছরের একই সময়ে চাল আমদানির পেছনে ব্যয় হয়েছিল ১৩০ কোটি ৯৭ লাখ ডলার। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বন্যায় ধানের উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় গত অর্থবছর চাল আমদানিতে শুল্ক মওকুফ ও এলসি মার্জিনে ছাড় দেয়া হয়। এছাড়া চাল আমদানিতে সব ধরনের কোটা শিথিল করা হয়। এতে গত অর্থবছর চাল আমদানি অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়। তবে চলতি অর্থবছর এখনো প্রাকৃতিক বড় কোনো দুর্যোগ না থাকায় চাল উৎপাদন স্বাভাবিক রয়েছে। ফলে এ খাতে আমদানি অনেক কমে গেছে। এ বছর যে চাল আমদানি হয়েছে, তা মূলত বেশি দামের সুগন্ধি বিভিন্ন ধরনের চাল।

এদিকে চলতি অর্থবছর আলোচ্য সময়ে গম আমদানি ১১ দশমিক ৬২ শতাংশ কমে ৯৭ কোটি ৩০ লাখ ডলারে নেমেছে। এর আগের অর্থবছরের একই সময়ে গম আমদানিতে ব্যয় হয়েছিল ১১০ কোটি ডলার।

প্রাপ্ত তথ্যে আরও দেখা যায়, আলোচ্য সময়ে দেশে ভোগ্যপণ্য আমদানি কমেছে আট দশমিক ৭৮ শতাংশ। এর মধ্যে ভোজ্যতেল আমদানি তিন দশমিক শূন্য দুই শতাংশ কমে ১১৬ কোটি ডলারে নেমেছে। আগের অর্থবছরের প্রথম আট মাসে ভোজ্যতেল আমদানিতে ব্যয় হয়েছিল ১১৯ কোটি ৬৯ লাখ ডলার।

এছাড়া চিনি আমদানি ৩৮ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ কমে ৪২ কোটি ৩২ লাখ ডলারে নেমেছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে চিনি আমদানিতে ব্যয় হয়েছিল ৬৮ কোটি ৩৬ লাখ ডলার। তবে আলোচ্য সময়ে মসলা আমদানি বেড়েছে ১৯ দশমিক ২৪ শতাংশ এবং গুঁড়োদুধ ও ডাল আমদানি বেড়েছে ১২ শতাংশ করে।

প্রাপ্ত তথ্যে আরও দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের প্রথম আট মাসে শিল্পের কাঁচামাল আমদানি বেড়েছে ১৬ দশমিক ৬২ শতাংশ। এর মধ্যে সিমেন্ট তৈরির ক্লিংকার আমদানি বেড়েছে ৫১ শতাংশ। অপরিশোধিত পেট্রোলিয়াম আমদানি বেড়েছে ২০ শতাংশ। পেট্রোলিয়ামজাত দ্রব্য আমদানি বেড়েছে ৩৭ শতাংশ। তেলবীজ আমদানি বেড়েছে ২২ শতাংশ। রাসায়নিক দ্রব্য আমদানি বেড়েছে আট দশমিক ৫৭ শতাংশ।

সার আমদানি ব্যয় বেড়েছে ৪২ শতাংশ। গামেন্ট শিল্পের কাঁচামাল তন্তু আমদানি বেড়েছে ১৬ দশমিক ৩১ শতাংশ এবং কাঁচা তুলা আমদানি বেড়েছে আট দশমিক ৬২ শতাংশ।

কাঁচামালের মধ্যে একমাত্র ওষুধশিল্পের কাঁচামাল আমদানি কমেছে। এ খাতের কাঁচামাল আমদানি চার দশমিক ৩৯ শতাংশ কমে ১৬ কোটি ১০ লাখ ডলারে নেমেছে। গত অর্থবছরের প্রথম আট মাসে ওষুধশিল্পের কাঁচামাল আমদানির পেছনে দেশের ব্যয় হয়েছিল ১৬ কোটি ৮৪ লাখ ডলার। আলোচ্য সময়ে শিল্প-কারখানার মূলধনী পণ্য আমদানি বেড়েছে পাঁচ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ফেব্রম্নয়ারি পর্যন্ত সময়ে মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানির পেছনে ব্যয় হয়েছে ৩৯৬ কোটি ৫৯ লাখ ডলার, যা এর আগের অর্থবছরে একই সময়ের তুলনায় আট শতাংশ বেশি।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সকল ফিচার

রঙ বেরঙ
উনিশ বিশ
জেজেডি ফ্রেন্ডস ফোরাম
নন্দিনী
অাইন ও বিচার
ক্যাম্পাস
হাট্টি মা টিম টিম
তারার মেলা
সাহিত্য
সুস্বাস্থ্য
কৃষি ও সম্ভাবনা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
close

উপরে