কটিয়াদীতে আউশ ধানের বাম্পার ফলন, খুশি কৃষকরা

কটিয়াদীতে আউশ ধানের বাম্পার ফলন, খুশি কৃষকরা

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে আউশ ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। উপজেলার ৯ টি ইউনিয়নসহ পৌরসভায় চলতি মৌসুমে আবহাওয়া ও জমি চাষের উপযোগী হওয়ায় আউশধান চাষের ভাল ফলন পেয়েছেন কৃষকরা। কৃষকেরা এখন রোদ বৃষ্টি উপেক্ষা করে মাঠের আউশ ধান কেটে ঘরে তুলতে ব্যস্ত রয়েছেন। বৈশ্বিক মহামারি করোনা’র প্রভাবে যাতে দেশে খাদ্য সংকট সৃষ্টি না হয় সে কারণে এবার আবাদি জমির পরিমান বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া আউশ আবাদে কৃষকদের উৎসাহিত করতে উপজেলায় ১৩ শত ৫০ প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকের মাঝে উন্নত বীজ ও সার বিনামূল্যে সরকারিভাবে প্রত্যেক কৃষককে ৫ কেজি উচ্চফলনশীল জাতের বীজ, ২০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার প্রধান করা হয়েছে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি বর্ষা মৌসুমে উপজেলায় ৩ হাজার ৪শ’ ৫০ হেক্টর জমিতে আউশ ধানের চাষ করা হয়েছে। এর মধ্যে ব্রী ধান ৪৮-৮২ জাতের ধান জমিতে রোপন করা হয়েছে। উপজেলার লোহাজুরী ইউনিয়নের চরকাউনিয়া গ্রামের কৃষক আতাউর রহমান জানান, আউশ ধান চাষে কৃষকদের উৎসাহিত করেছে উপজেলা কৃষি অফিস। আমি ৩ বিঘা জমিতে আউশের আবাদ করেছি। কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শ নিয়ে সময় মত জমি পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণ করায় অন্যান্য বছরের তুলনায় ভালো ফলন হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, জমিতে পোকা-মাকর দমনে পার্চিং ব্যবস্থা করেছেন। কৃষি বিভাগ থেকে সব ধরনের পরামর্শ সেবা পেয়েছেন। আশা করি ভালো দাম পেলে লাভবান হইব। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মুখছেদুল হক জানান, কটিয়াদীতে বৃদ্ধি পেয়েছে আউশের আবাদ, মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর নির্দেশনায় ও মাননীয় কৃষি মন্ত্রীর তৎপরতায় সামাজিক আন্দোলনে পরিনত হয়েছে কৃষি কার্যক্রম। বোরো মৌসুমে বাম্পার ফলনের পরপরই রোপন শুরু হয়েছে আউশ ধানের। অতীতের তুলনায় ইতোমধ্যে বেশী আবাদ হয়েছে আউশ ধানের। প্রায় ৩৪ শত ৫০ হেক্টর জমিতে আবাদ হয়েছে। হারিয়ে যাওয়া আউশ ধান নতুন রুপে কৃষকের মাঝে ফিরে এসেছে কৃষি বিভাগের তৎপরতায়। ফলন ভালো, খরচ কম ও অব্যাহত সরকারী প্রণোদনার ফলে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে আউশের আবাদ। মাঠ দিবস, প্রশিক্ষন, উঠান বৈঠক সহ কৃষি বিভাগের তৎপরতায় সময় মতো বীজ প্রাপ্তি, সার সরবরাহের ও অন্যান্য পরামর্শের ফলে আবাদ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

যাযাদি/এসএইচ

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

আরও খবর

Copyright JaiJaiDin ©2021

Design and developed by Orangebd


উপরে