​ক্রেতা বাড়ছে বই মেলায়

​ক্রেতা বাড়ছে বই মেলায়

মহামারি করোনা পরিস্থিতি অবনতি হতে থাকায় বই মেলার সময়সূচী পরিবর্তন করে বেলা সাড়ে বারোটা থেকে বিকাল পাঁচটা পর্যন্ত খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু লকডাউনের প্রথম দিনে মেলা ছিলো প্রায় জনমানব শূন্য। তবে তৃতীয় দিনে কিছু লোকজন আসতে শুরু করে।

বুধবার (৭ এপ্রিল) গণপরিবহন খুলে দেওয়ায় গত দুইদিনের তুলনায় ক্রেতার সংখ্যা কিছুটা বেড়েছে বলে জানান মেলার প্রকাশনার দায়িত্বরত কর্মকর্তারা।

এদিকে মেলার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া কাজ করছে প্রকাশক ও কর্মকর্তাদের মাঝে।

আগামী প্রকাশনীর ম্যানেজার মাহমুদুল হাসান মান্না বলেন, ‘লকডাউনে যেহেতু বই মেলা চলতেছে এবং আজ গণপরিবহনও চলা শুরু করেছে; তাই গত দুইদিনের তুলনায় মেলায় লোকজন একটু বেড়েছে। আশার দিক হচ্ছে এখন যারা মেলায় আসতেছে তারা বইয়ের লিস্ট নিয়ে আসেন, বই কেনার জন্য আসেন।’

স্টুডেন্ট ওয়েজের স্টল ম্যানেজার মো. মিলন বলেন, ‘লকডাউনের কারণে মেলার অবস্থা খারাপ ছিলো। আজ গাড়ি চলাচল শুরু হওয়ায় ক্রেতাদের সংখ্যা বেড়েছে। মেলা আরও সাতদিন আছে, দেখা যাক কী হয়! সবকিছু বিবেচনায় হতাশার মাঝে আছি। মেলার প্রথম দিকটায় অনেক মানুষ দেখা গেলেও তাদের বেশির ভাগই ঘুরতে আসত, বই কিনতে নয়। এখন যারা আসে তাদের বেশির ভাগই বই কিনতে আসে।’

ঐতিহ্য প্রকাশনীর ম্যানেজার আমজাদ হোসেন কাজল বলেন, চলমান লকডাউনেও মেলায় লোকজন ভালোই আসছে। হয়ত বই মেলা বলেই তারা আসছে। এখন এটাই আশার দিক, এখন যারা আসছেন বই কিনতেই আসেন। তবে সব মিলিয়ে হতাশার দিকই বেশি দেখতে পাচ্ছি।’

অবসর প্রকাশনীর ম্যানেজার মাসুদ রানা বলেন, ‘এখন মেলা পরিস্থিতি ভালোই না। এবার প্রথম দিকে যখন মেলা চলতেছিলো তখনও ভালো ছিলো না। সারাদেশে গণপরিবহন বন্ধ, এই অবস্থায় মেলা চলছে। আজ গণপরিবহন চলাচল শুরু হয়েছে। মানুষ কিছুটা দেখা যাচ্ছে। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি অত্যন্ত নাজুক।’

কাকলী প্রকাশনীর ম্যানেজার এম. এস ইমরান আহমেদ বলেন, ‘সরকার সবকিছু বিবেচনা করে লকডাউনের ভেতরেও বই মেলা খোলা রেখেছে তার জন্য সাধুবাদ জানাই। গত দুইদিন গণপরিবহন বন্ধ থাকায় মানুষজন তেমন আসতে পারত না। আজ সেই তুলনায় ক্রেতার সংখ্যা বেড়েছে।’

যাযাদি/এসআই

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

আরও খবর

Copyright JaiJaiDin ©2021

Design and developed by Orangebd


উপরে