logo
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০ ৬ আশ্বিন ১৪২৭

  সাহাদাৎ রানা   ২৫ জুলাই ২০২০, ০০:০০  

নিশ্চিত হোক সেবাবান্ধব চিকিৎসাব্যবস্থা

বাংলাদেশে করোনার ব্যাপকতার পর এখন স্বাভাবিকভাবেই এই মরণব্যাধি মোকাবিলায় বাংলাদেশের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বারবার। বিশেষ করে স্বাস্থ্যব্যবস্থার সার্বিক চিত্র প্রসঙ্গে। আমাদের দেশে স্বাস্থ্য সুরক্ষা কেমন এ বিষয়ে অনেকের কাছে হয়তো অজানাই থেকে যেত যদি করোনাভাইরাস না আসতো এ দেশে। করোনাভাইরাস আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে দেশের স্বাস্থ্য খাতের চলমান দুরবস্থার কথা। এই খাতটি আসলে কতটা দুর্বল ও নাজুক তা করোনা প্রমাণ করল আবারও নতুন করে।

নিশ্চিত হোক সেবাবান্ধব চিকিৎসাব্যবস্থা
স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল। স্বাস্থ্য ভালো থাকা মানে মানুষ আনন্দচিত্তে তার নিত্যদিনের সব কাজ করতে পারেন। কেননা শরীরের সঙ্গে মনের সম্পর্ক ওতপ্রোতভাবে জড়িত। স্বাস্থ্য নিয়ে এসব বলার পেছনে কারণটা অবশ্য সহজেই অনুমেয়। কারণ গত কয়েক মাস ধরে সারা বিশ্বে এখন আলোচনার প্রধান ও একমাত্র বিষয় করোনাভাইরাস। এর বিরূপ প্রভাবে প্রায় থমকে গেছে পুরো বিশ্ব। থেমে গেছে প্রায় ৬০০ কোটি মানুষের জীবনযাত্রাও। এমন পরিস্থিতির মূল কারণ প্রতিদিনই সারা বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বাড়ছে। কঠিন এমন অবস্থা থেকে বিশ্ববাসী কবে নাগাদ মুক্তি পাবেন তা কেউ নির্দিষ্ট করে বলতে পারছে না। কারণ এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাস প্রতিরোধে কোনো প্রতিষেধক আবিষ্কার হয়নি। তাই করোনাভাইরাস বিষয়ে সবার মধ্যে কাজ করছে ভয়। আপাতত করোনাভাইরাস প্রতিরোধে ঘরে থাকাটা সবচেয়ে বেশি নিরাপদ। এটাই একমাত্র পথ। তাই সেই পথেই হাঁটছে পুরো বিশ্ব। বিশ্বের অনেক দেশের মতো বাংলাদেশেও প্রতিদিন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছেন মানুষ। প্রতিদিন আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যাও বাড়ছে। এমন বৃদ্ধির খবরে সবার মধ্যে কাজ করছে ভয়। কারণ বিষয়টির সঙ্গে আমাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টি বিশেষভাবেজড়িত। জড়িত স্বাস্থ্য সুরক্ষার প্রশ্নও।

বাংলাদেশে করোনার ব্যাপকতার পর এখন স্বাভাবিকভাবেই এই মরণব্যাধি মোকাবিলায় বাংলাদেশের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বারবার। বিশেষ করে স্বাস্থ্যব্যবস্থার সার্বিক চিত্র প্রসঙ্গে। আমাদের দেশে স্বাস্থ্য সুরক্ষা কেমন এবিষয়ে অনেকের কাছে হয়তো অজানাই থেকে যেত যদি করোনা ভাইরাস না আসতো এ দেশে। করোনাভাইরাস আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে দেশের স্বাস্থ্য খাতের চলমান দুরবস্থার কথা। এই খাতটি আসলে কতটা দুর্বল ও নাজুক তা করোনা প্রমাণ করল আবারও নতুন করে।

সহজ কথায় করোনার প্রভাবে দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা বলতে গেলে একেবারে ভেঙে পড়েছে। মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়ে যথাযথ চিকিৎসা পাচ্ছেন না বলে রয়েছে বিস্তর অভিযোগ। এ ছাড়া রয়েছে নানাবিদ সমস্যা। শুধু তাই নয়, পর্যাপ্ত আইসিইউ নেই সরকারি হাসপাতালগুলোতে। যা আছে তাও প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। অবশ্য শুধু করোনার কারণে নয়, গত কয়েক বছর ধরে সামান্য ডেঙ্গু রোগ আমাদের যে পরিমাণ ভুগিয়েছে তা এখনো কেউ ভুলে যায়নি। এ কারণে করোনা নিয়ে বাড়তি ভয় সবার মধ্যে। সবচেয়ে বেশি ভয় আমাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টি নিয়ে। কারণ আমাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় অনেক ত্রম্নটি রয়েছে, এটা বাস্তবতা। করোনার ব্যাপকতার সঙ্গে যা প্রমাণিত হয়েছে।

এই ত্রম্নটির প্রশ্নে ভাবনার কারণটা অন্য জায়গায়ও রয়েছে। একটু বিস্তারিত আলোচনা করলে দেখা যায়, সাম্প্রতিক সময়ে আমাদের দেশের সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে। বেড়েছে মানুষের গড় আয়ু এবং মাথাপিছু আয়ও। উন্নয়নমূলক বিভিন্ন খাতে ব্যয় বরাদ্দ বাড়ানোর পাশাপাশি প্রতিবছর বাড়ছে বাজেটের আকারও। এতকিছুর বাড়ার পরও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় সরকারি ব্যয় তেমন বাড়ছে না। এ বিষয়ে একটু পরিসংখ্যানের দিকে দৃষ্টি দেওয়া যাক। স্বাস্থ্য খাতে বাংলাদেশের মাথাপিছু ব্যয় বছরে মাত্র ৩২ ডলার। এই ব্যয় শুধু দক্ষিণ এশিয়াই নয়, উন্নয়নশীল বিশ্বের মধ্যেও সবচেয়ে কম। এমন তথ্য আমাদের জন্য সত্যিই অস্বস্তির। বাস্তবতা হলো আমরা এখনো নানা কারণে স্বাস্থ্যসেবায় আমাদের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছতে পারিনি। কারণ যখন দক্ষিণ এশিয়ার অন্য দেশগুলো তাদের চিকিৎসা সেবায় ব্যয় বাড়াচ্ছে, বাড়াচ্ছে মান। সেখানে আমরা পিছিয়ে। এখানে আরও একটি তথ্য সবার জন্যই অস্বস্তির। বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় ২ হাজার ৫০০ জন মানুষের জন্য রয়েছে একজন ডাক্তার। যা প্রয়োজনের তুলানায় অনেক কম। এখানে আরও শঙ্কা খবর হলো- আমাদের সাধারণ মানুষকে স্বাস্থ্য খাতে ব্যয়ের বেশির ভাগই নিজেদের বহন করতে হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র থেকে শুরু করে ওষুধের খরচ পর্যন্ত। ফলে অন্যান্য খাতে ব্যয়ের সঙ্গে স্বাস্থ্য সুরক্ষার খরচ জোগাতে সাধারণ মানুষকে রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে। করোনাকালে যা আরও নতুন করে সবাইকে জানান দিয়েছে। এখানে সবচেয়ে বড় যে প্রশ্নটি সামনে নিয়ে এসেছে সেটা হলো আস্থার অভাব। দেশের চিকিৎসা সেবার প্রতি আস্থাশীল নয় সাধারণ মানুষ। প্রতি বছর হাজার হাজার মানুষ ভিন দেশে চিকিৎসাসেবা নিতে যাওয়ার তথ্য সেটাই প্রমাণ করে। করোনাকালেও অনেকে দেশের বাইরে যাচ্ছেন চিকিৎসা নিতে।

বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সুরক্ষায় বিষয়টির সঙ্গে চিকিৎসকদের ভূমিকা বিশেষভাবে জড়িত। কিন্তু তারা কতটা রোগীবান্ধব তা নিয়ে প্রশ্নের অবকাশ থেকেই যায়। সময় নিয়ে রোগী না দেখা, অকারণে গুচ্ছের পরীক্ষা করানো এবং অপ্রয়োজনীয়ভাবে একগাদা ওষুধ দেওয়া নিয়ে নিয়ত সমালোচিত হলেও তারা ভ্রূক্ষেপহীন। পাশাপাশি রোগ নির্ণয়ে তাদের ব্যর্থতা, ভুল চিকিৎসা দিনকে দিন দেশের চিকিৎসকদের প্রতি মানুষকে বীতশ্রদ্ধ করে তুলছে। ফলে মানুষ বাধ্য হচ্ছে পরনিভর্রতায়। ছুটছে ভিন দেশে। অথচ এর ফলে আমরা কেবল আমাদের চিকিৎসক, চিকিৎসাব্যবস্থা এবং দেশের ভাবমূর্তিকে অনুজ্জ্বল আর কলঙ্কিত করছি না, বরং প্রতিনিয়ত বিপুল পরিমাণ মুদ্রা হারাচ্ছি। যা চলে যাচ্ছে দেশের বাইরে। নিজ দেশ রেখে ভিন দেশে চিকিৎসা করানোর বিষয়টি স্বাস্থ্য সুরক্ষার অভাবকে চিহ্নিত করে। এতে স্বাস্থ্য সুরক্ষার অভাবের প্রশ্নটিও সামনে চলে আসছে বারবার। এখন প্রশ্ন আমরা কতটা স্বাস্থ্য সচেতন। উচ্চশিক্ষিত কিছু মানুষ হয়তো স্বাস্থ্য সচেতন। কিন্তু আমরা অধিকাংশই স্বাস্থ্য সচেতন নই। প্রধান কারণ মূলত অশিক্ষা ও দরিদ্রতা। এ দুটো মৌলিক এবং অবশ্যই বাস্তবিক কারণ আমাদের সিংহভাগ জনসংখ্যার স্বাস্থ্য সচেতনার অন্তরায় হয়েছে। কোন বয়সের পর কোন চিকিৎসাটা জরুরি তা আমরা অনেক সচেতন মানুষও হয়তো সেভাবে জানি না। এটা একাধারে আমাদের অজ্ঞতা এবং অবহেলাও। অথচ আমরা জানিই না সুচিকিৎসা পাওয়া প্রতিটি নাগরিকের মৌলিক অধিকার; যা আমাদের সংবিধানের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়েছে।

তবে এটাও সত্য যে বিগত কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশ স্বাস্থ্য খাতে অনেক সাফল্য দেখিয়েছে। বিশেষ করে সংক্রামক রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে সফলতা প্রভুত। এমন একটা সময় ছিল যখন হাম, বসন্ত, কলেরা, পেস্নগে গ্রামের পর গ্রাম উজাড় হয়েছে। সেই কঠিন সময় আমরা অনেক আগেই পার করে এসেছি। হাম, বসন্ত, কলেরা ও পেস্নগ এখন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে। এমনকি পোলিও নির্মূল হয়েছে অনেক আগেই। ডায়রিয়ার ক্ষেত্রেও আমাদের ভূমিকা বিশেষভাবে উলেস্নখের দাবি রাখে। বলার অপেক্ষা রাখে না, ওরস্যালাইন এক যুগান্তকারী উদ্ভাবন; আর এর কৃতিত্ব বাংলাদেশের। উন্নত কোনো দেশে হলে নিশ্চিত নোবেল মিলত। অথচ আমরা ভেবেও দেখি না, অত্যন্ত সরল এক সমাধান সারা বিশ্বের প্রতিনিয়ত অযুত-নিযুত মানুষের জীবন বাঁচাচ্ছে। এ যেন এক জাদুকরী নিদান। এ ছাড়া সফলতা এসেছে মা ও শিশুর মৃতু্যর ক্ষেত্রেও। আগের তুলনায় মাতৃমৃতু্য ও শিশুমৃতু্যর হার অনেকাংশে কমে এসেছে। আবার বিপরীত চিত্রও রয়েছে। বতর্মান সময়ে আমাদের দেশে অসংক্রামক ব্যাধিতে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দিনকে দিন বেড়ে চলেছে; যা রীতিমতো আশঙ্কার, আতঙ্কের। বিশেষ করে ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ, পক্ষঘাতগ্রস্ততা, কিডনি রোগ, অটিজম ও মানসিক রোগীর সংখ্যা মাত্রাতিরিক্ত। এসব অসংক্রামক জটিল রোগের ক্ষেত্রে প্রয়োজন রোগ সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টি করা। আর যেসব রোগ-প্রতিরোধযোগ্য সেসব রোগাক্রান্ত ব্যক্তিকে সমন্বিত চিকিৎসা প্রদানের মাধ্যমে সুস্থ করে তোলা; এজন্য প্রয়োজন সমন্বিত চিকিৎসাব্যবস্থা।

আমাদের দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছেন চিকিৎসকরা। এটা অবশ্যই আমাদের জন্য আশার খবর। তবে এমন আশার খবরের বিপরীতে কিছু অস্বস্তির খবরও রয়েছে আমাদের জন্য। করোনাভাইরাসের এই সময়ে সাধারণ রোগীরা তাদের স্বাভাবিক চিকিৎসাসেবা পাচ্ছেন না। ভীতসন্ত্রস্ত অনেক চিকিৎসক সাধারণ চিকিৎসাসেবা থেকে নিজেদের গুটিয়ে নিয়েছেন। এমন চিকিৎসকদের সংখ্যা একেবারে কম নয়। দুঃখের বিষয় হলো- সারা দেশে করোনাভাইরাস বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে এমন চিকিৎসকদের সংখ্যাও প্রতিনিয়ত বাড়ছে। এতে সবার মধ্যেই ভয় কাজ করছে। এ কারণে সাধারণ রোগীরা এখন সবচেয়ে বেশি আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন। অনেকের মধ্যে বিনা চিকিৎসায় সাধারণ রোগীর মৃতু্যর সংখ্যা বাড়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে। আশঙ্কাটা বেড়েছে এ কারণে যে, বর্তমানে সরকারি হাসপাতালের কর্মস্থলে চিকিৎসকদের উপস্থিতি অনেক কম। শুধু তাই নয়- বেশির ভাগ চিকিৎসক তাদের ব্যক্তিগত চেম্বারও বন্ধ করে দিয়েছেন। তবে এমন পরিস্থিতি আগের চেয়ে কিছুটা কমেছে। বিশেষ করে করোনা শুরুর সময়ে এমন প্রবণতা বেশি ছিল। কিছু চিকিৎসকের পিছু হটার কারণে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন অন্য রোগের রোগীরা। করোনা ছাড়াও সারা দেশে লাখ লাখ সাধারণ রোগী রয়েছেন। বিশেষ করে ক্যান্সার, কিডনি ও হৃদরোগসহ অন্যান্য অসুখে গুরুতর অসুস্থ রোগীর চিকিৎসা পাওয়া কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। এসব রোগী এখন হাসপাতালেও যেতে পারছেন না। এখানে সবচেয়ে বেশি অসহায় হয়ে পড়েছেন তাদের আত্মীয়-স্বজনরা। সাধারণ রোগীদের হাসপাতালে নিয়ে গেলে করোনা সন্দেহে সেখানে ভর্তি করানো হচ্ছে না। অথচ, কেউ ভেবে দেখেন না করোনা ছাড়াও দেশে সাধারণ অনেক রোগী রয়েছেন। এবং অন্য রোগেও আক্রান্ত হচ্ছেন মানুষজন। তাই তাদেরও চিকিৎসাসেবা পাওয়ার অধিকার রয়েছে।

চিকিৎসা একটি মহান পেশা। আর চিকিৎসকরা সবসময় সবার কাছে বিশেষ কিছু। বিশেষ করে রোগীদের কাছে যেন ভিন্ন গ্রহের মানুষ। তাই চিকিৎসকরা সব সময়ই সবার কাছে আলাদা। বাস্তবতা হলো দেশের সর্বোচ্চ মেধাবীরাই আসেন চিকিৎসা পেশায়। এসব মেধাবীর তাই যেখানে প্রধান টার্গেট থাকে মানুষকে সর্বোচ্চ সেবা প্রদান করা। কঠিন পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার বিষয়গুলো চিকিৎসা শাস্ত্রেও পড়াশোনার সময় আলোকপাত করা হয়। মেধাবী শিক্ষার্থীরা এসব জেনে-বুঝেই এই মহান পেশায় আসেন। তাই এমন কঠিন সময়ে ডাক্তারদের পিছিয়ে পড়া মানে দেশের জন্য ক্ষতি করা। তবে এটাও সত্যি করোনাভাইরাসের এই সময়ে আমাদের দেশের অসংখ্য ডাক্তার ও নার্স জীবন বাজি রেখে চিকিৎসাসেবা দিয়ে যাচ্ছেন। এসব ডাক্তার ও নার্সের জন্য রইল অশেষ কৃতজ্ঞতা। পাশাপাশি যেসব ডাক্তার ও নার্স চিকিৎসাসেবা না দিয়ে নিজেকে কিছুটা আড়ালে রেখেছেন তাদের প্রতি আহ্বান মহান পেশার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ফিরে আসবেন রোগীদের সেবা দিতে। বিশেষ করে সাধারণ রোগীদের সেবার দুয়ার যেন বন্ধ না হয়। এখন সরকারের পক্ষ থেকে হুঁশিয়ারি দেওয়া হলেও সামগ্রিক পরিস্থিতি গুরুত্ব দিয়ে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। নির্দিষ্ট হাসপাতালে যেন সাধারণ রোগীরা চিকিৎসাসেবা পান সেই বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি আমাদের স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে আরও ভালোভাবে সাজাতে হবে। রোগীবান্ধব স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হবে। সবার মধ্যে বিশ্বাস তৈরি করতে হবে আমাদের চিকিৎসাসেবা অন্যতম সেরা। ভিন দেশে গিয়ে চিকিৎসা নির্ভরতাও কমাতে হবে। দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে সেবার মান বাড়াতে হবে। সর্বোপরি দেশের চিকিৎসাসেবাকে ঢেলে সাজাতে হবে। তবেই মানুষের মধ্যে ফিরে আসবে আস্থা ও বিশ্বাস।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সকল ফিচার

রঙ বেরঙ
উনিশ বিশ
জেজেডি ফ্রেন্ডস ফোরাম
নন্দিনী
আইন ও বিচার
ক্যাম্পাস
হাট্টি মা টিম টিম
তারার মেলা
সাহিত্য
সুস্বাস্থ্য
কৃষি ও সম্ভাবনা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
close

উপরে