করোনাকালীন কৃষিতে কর্মসংস্থানের সমস্যা ও সম্ভাবনা

কৃষিক্ষেত্রে যন্ত্রের ব্যবহার একদিকে ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি করবে, সেই সঙ্গে এসডিজির লক্ষ্যগুলোকে সাপোর্ট করার মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে। পাশাপাশি সেবাদানকারী সংস্থাগুলো নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করতে পারে। ট্রাক্টর, পাওয়ার টিলার, ড্রিপ ইরিগেশন, কম্বাইন্ড হার্ভেস্টর, ট্রান্সপস্ন্যান্টার, সিডার, ড্রোনের মাধ্যমে কীটনাশক ও সার স্প্রে ইত্যাদি এ সেবার আওতায় পড়ে।
করোনাকালীন কৃষিতে কর্মসংস্থানের সমস্যা ও সম্ভাবনা

করোনার কারণে বিপরীত অভিবাসন হয়েছে, অনেকেই কাজ হারিয়ে শহর থেকে গ্রামে চলে গেছে, স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকার কারণে স্ট্রিট শপের সফঙ্গ যারা সম্পৃক্ত ছিল তারা কাজ হারিয়েছে, খুচরা বিপণিসহ, হোটেল-রেস্তোরাঁ বন্ধ থাকার কারণে এর সঙ্গে যারা সম্পৃক্ত ছিল তারা কাজ হারিয়েছে এবং স্থানীয় পর্যটনের সঙ্গে যারা সম্পৃক্ত ছিল তারাও কাজ হারিয়েছে। আবার অন্যদিকে, নিত্যদিনের পণ্যসামগ্রী ডেলিভারি সার্ভিসেসে অনেকেরই কর্মসংস্থান হয়েছে, অনেকেই গ্রামে ফিরে গিয়ে মাছের খামার, মুরগির খামার, গরুর খামার, শাক-সবজি উৎপাদন করে স্বাবলম্বী হয়েছেন। করোনার সময়ে বাজারগুলো চালু থাকায় ও কৃষিপণ্য পরিবহণে বাধা না থাকায় এই খাতের সঙ্গে জড়িত সবাই পণ্যের ন্যায্যমূল্য পেয়েছে। করোনার প্রভাব যেহেতু এখনো কাটেনি বরং আবারও কর্মসংস্থানের উপর প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে, তাই আমি মনে করি কৃষিতে এই বিপুল সংখ্যক শ্রমশক্তিকে কার্যকরভাবে ব্যবহার করে ও উপর্যুক্ত কৌশল অবলম্বন করে আরও টেকসই কর্মসংস্থান সৃষ্টির সুযোগ রয়েছে।

১. তাৎক্ষণিক সুযোগগুলো.

ক্ষুদ্র কৃষি-উদ্যোক্তাদের বিকাশ এবং কৃষিভিত্তিক শিল্পে কর্মসংস্থানের ব্যাপারে উৎসাহিত করে তাৎক্ষণিক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা যেতে পারে। এখানে আমি কৃষি ক্ষেত্রে যন্ত্রের ব্যবহারকে কেন্দ্র করে কয়েকটি উদাহরণ তুলে ধরতে চাই।

ফসল খাত

কৃষিক্ষেত্রে যন্ত্রের ব্যবহার একদিকে ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি করবে, সেই সঙ্গে এসডিজির লক্ষ্যগুলোকে সাপোর্ট করার মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে। পাশাপাশি সেবাদানকারী সংস্থাগুলো নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করতে পারে। ট্রাক্টর, পাওয়ার টিলার, ড্রিপ ইরিগেশন, কম্বাইনন্ড হার্ভেস্টর, ট্রান্সপস্ন্যান্টার, সিডার, ড্রোনের মাধ্যমে কীটনাশক ও সার স্প্রে ইত্যাদি এ সেবার আওতায় পড়ে।

বাইরের খোলা খাবার এবং ফুড কোর্ট

মানুষজন বাইরের খোলা খাবারের উপর আস্থা হারিয়ে ফেলেছে যার ফলে লাখ লাখ বিক্রেতা কর্মহীন হয়ে পড়ছে। এ ক্ষেত্রে খাবারের দোকান এবং ফুড কোর্টগুলোর কৌশলগত অবস্থান বিবেচনা করে পুনরায় শুরু করা যেতে পারে। গ্রাহকদের আস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য এবং খাদ্যের ব্যবস্থাপনা ও ব্যবসায়িক উন্নতির লক্ষ্যে বিক্রেতাদের পর্যাপ্ত সুরক্ষা প্রশিক্ষণ দেওয়া যেতে পারে। বর্তমানে সারা বাংলাদেশজুড়ে ১৩০,০০০-এরও বেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ৮৭,০০০ গ্রাম্য বাজার এবং লাখ লাখ শহুরে বাজার রয়েছে। খাবার বিক্রেতারা এসব জায়গাতে পুনরায় ব্যবসা শুরু করতে পারেন, এতে করে লাখ লাখ লোকের পুনরায় কর্মসংস্থান তৈরির সুযোগ সৃষ্টি হবে।

ডিজিটাল পস্ন্যাটফর্ম

ডিজিটাল পস্ন্যাটফর্ম ব্যবহারের মাধ্যমে একদিকে কৃষকদের ডিলার ও সম্প্রাসারণকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনে সহায়তা করছে অন্যদিকে কৃষিপণ্যের বাজারের সঙ্গে সংযোগ করে দিচ্ছে। ডিজিটাল পস্ন্যাটফর্ম কর্মসংস্থান তৈরির এক অন্যতম মাধ্যম।

এসিআই ইতিমধ্যে ডিজিটাল পস্ন্যাটফর্ম ব্যবহার এবং তৈরিতে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়েছে, যেমন- ফসলি-ফসলের জন্য, রুপালি-মৎস্য খামারির জন্য, খামারি- গবাদিপশু খামারিদের জন্য এবং সোনালি-পোল্ট্রি ফার্মের জন্য। এছাড়া বাজারের সঙ্গে সংযোগের স্থাপনের জন্য রয়েছে ঝযধিঢ়হড়.পড়স, এসিআই-ই-বাজার, এসিআই কৃষি বাজার।

২. দীর্ঘমেয়াদি সুযোগগুলো

মৎস্য উৎপাদন ক্ষেত্র

র্

যাপিড ডিজিজ ডায়াগনস্টিক (আরডিডি) ভ্যানের মাধ্যমে রোগ বা সমস্যার দ্রম্নততর নির্ণয় এবং এর চিকিৎসা দেওয়া যেতে পারে।

স্বয়ংক্রিয় ফিশ ফিডার মানুষের হস্তক্ষেপ ছাড়াই মাছের খাদ্যের ব্যবস্থা করতে পারে। সেন্সরের মাধ্যমে- এটি অ্যাকুয়া কালচার পন্ডযন্ত্রে তাৎক্ষণিক অক্সিজেনের সরবরাহ করে অ্যাভিয়ান ইন্টারভেনশন সমস্যার সমাধান করতে পারে।

ঘরোয়া মাছের চাষ : রিসার্কুলেটিং অ্যাকুয়াকালচার সিস্টেম (আরএএস)-বদ্ধ/ ঘরোয়া পরিবেশে মাছের চাষ।

বায়োফ্লোক প্রযুক্তি : বর্জ্যের যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে মাছের চাষ- প্রোবায়োটিকের মাধ্যমে নাইট্রোজেন বর্জ্যের যথাযথ ব্যবহার।

অ্যাকোয়াপনিক্স : মাছ ও সবজির একসঙ্গে উৎপাদন- এ পদ্ধতিতে শাক-সবজি উৎপাদনের জন্য সার সরবরাহ করার প্রয়োজন হবে না। মাছের বর্জ্য উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য যথাযথ পুষ্টি সরবরাহ করবে।

মাছের রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার জন্য মৎস্য হাসপাতাল তৈরি করা যেতে পারে।

প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন

যন্ত্রের মাধ্যমে দুধ সংগ্রহ : মিল্কিং পার্লার, মিল্কিং মেশিন, ক্রিম বিভাজক, দুধ ঠান্ডা করার ঘর, অটো পাস্তুরাইজেশন সিস্টেম, অটো প্যাকেজিং সিস্টেম এবং প্রেরণের জন্য স্বয়ংক্রিয় পরিবাহক, অটো ফ্লোর ক্লিনার, ট্যাংকে অটো মিল্ক লোডার ইত্যাদি অটোমেটেড মিল্কিং সিস্টেমের (এএমএস) আওতায় পড়ে। ভাড়ায় এএমএস সেবা প্রদানের মাধ্যমে কর্মসংস্থান এবং ব্যবসায়ের সুযোগ তৈরি হবে।

বহনযোগ্য ক্রিম বিভাজক, দুধ ঠান্ডা করার ব্যবস্থা, পাস্তুরাইজেশন সেবা অকৃষিজীবীদের মধ্যে আরও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে।

প্রতিষ্ঠিত মেশিনগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনার জন্য দক্ষ জনশক্তির প্রয়োজন হবে।

সংগ্রহের বাক্স, রোবট, সরঞ্জামাদি এবং ইঞ্জিন ঘর রোবটের মাধ্যমে দুধ সংগ্রহের সেবার আওতার মধ্যে পড়ে।

সার সরবরাহের সিস্টেমে যান্ত্রিকীকরণ : গোবর সংগ্রহের জন্য যান্ত্রিক স্ক্র্যাপার, অটো ফ্লোর ক্লিনার, অটো বায়ো গ্যাস সিস্টেম, রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় জনবল এবং বায়ো-গ্যাস এবং জৈবসার ব্যবসায় তরুণদের মধ্যে দুর্দান্ত সুযোগ সৃষ্টি করবে। পাশাপাশি খামার থেকে গোবর ও বর্জ্য সংগ্রহ করে জৈব-গ্যাস ও সারে রূপান্তর করা যাবে।

পোল্ট্রি খাতে উন্নয়ন

পাখি পরীক্ষা করা এবং টিকা দেওয়া : ফার্মগুলোতে পাখিদের অনুসন্ধান এবং টিকা দেওয়ার মাধ্যমে যে কেউ অর্থ উপার্জন করতে পারে।

জবাইয়ের জন্য ছোট ঘর : গ্রামে স্বাস্থ্যকর পরিবেশে ব্রয়লার এবং সোনালি মুরগির জবাইয়ের জন্য ছোট ঘরের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।

বিক্রয় কেন্দ্র : জীবন্ত ব্রয়লার, সোনালি মুরগি এবং ডিম বিক্রয় কেন্দ্র খোলা যেতে পারে।

খামার ব্যবস্থাপনা কর্মী : পোল্ট্রি ফার্ম পরিচালনার জন্য দক্ষ ও অভিজ্ঞ শ্রমিকের প্রয়োজন।

ডিম স্যানিটাইজেশন এবং মোড়কজাত : সঠিকভাবে ডিম পরিষ্কার, স্যানিটাইজেশন এবং মোড়কজাতের মাধ্যমে বাণিজ্যিকভাবে বেশি দাম পাওয়া যেতে পারে।

জৈব গ্যাস উৎপাদন : পোল্ট্রি বর্জ্য থেকে বায়োগ্যাস উৎপাদন এবং সেটা থেকে উৎপাদিত বিদু্যৎ গ্রাহকের কাছে বিক্রি করা যেতে পারে।

ব্যবস্থাপনা পরামর্শ : নতুন এবং অনভিজ্ঞ কৃষকদের জন্য ব্যবস্থাপনা পরামর্শ সেবা দেওয়া যেতে পারে।

ফসল সংগ্রহ পরবর্তীকালীন ব্যবস্থাপনা: বাংলাদেশে গড় ফসল সংগ্রহ পরবর্তীকালীন ক্ষতি বিশ্বব্যাপী ক্ষতির তুলনায় এমনিতেই বেশি এবং যাদের জীবিকা ইতিমধ্যে বিপন্ন হয়ে পড়েছে তাদের জন্য এই ক্ষতি আরও বিস্তৃত। বাংলাদেশে উদ্যান ফসলের ক্ষেত্রে পোস্ট-হার্ভেস্ট ক্ষতির পরিমাণ ১৫-৫০% এবং ১০-২০% ক্ষতি হয় শস্য ও তৈলজাতীয় ফসলের ক্ষেত্রে। এ কারণে সারাদেশে উপযুক্ত প্রযুক্তি নির্ধারণ করে সরবরাহ করতে হবে। যদিও এ ক্ষেত্রে ধানচাষে প্রযুক্তির ব্যবহারে কিছুটা অগ্রগতি হয়েছে, কিন্তু অন্যান্য শস্যের ক্ষেত্রেও প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা উচিত। উদাহরণস্বরূপ, আলুর ক্ষেত্রে ফসল সংগ্রহ এবং গ্রেডিং ম্যানুয়ালি করা হয়। ভুট্টা চাষের পর ফসল তোলা খুব কঠিন, গমের ক্ষেত্রে শ্রমিক পাওয়া যায় না এবং গেলেও ব্যয়বহুল, কারণ গমের খোসা হাতের ক্ষতি করে। সুতরাং এগুলো সবই ইঙ্গিত দেয় যে কৃষি ক্ষেত্রে যন্ত্রের ব্যবহার ফসল কাটা এবং সংগ্রহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। অন্যদিকে, দ্রম্নত নষ্ট হয়ে যাওয়া পণ্যের ক্ষেত্রে বিশেষ পরিবহণ ও সংরক্ষণের জন্য বিশেষ ব্যবস্থার দরকার। বাজারের নিকটবর্তী অঞ্চলে হিমাগার প্রতিষ্ঠা করার মাধ্যমে কৃষকদের ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস করা যেতে পারে।

উৎপাদনকারী সংস্থাগুলোর মাধ্যমে মূল্য সংযোজন

এই ক্ষেত্রটিতে বিশাল সুযোগ রয়েছে কারণ দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে সাধারণ ভোক্তার চাহিদা উলেস্নখযোগ্যভাবে পরিবর্তিত হয়েছে। ঐতিহ্যবাহী পণ্যগুলোর পাশাপাশি অন্যান্য পণ্য যেমন সমুচা, পাকুড়া, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, এবং অনুরূপ খাদ্যপণ্য প্রক্রিয়াজাতের মাধ্যমে নতুন বাজার উন্মুক্ত করা যেতে পারে। দক্ষিণ এশিয়ার গ্রাহকদের চাহিদা সম্পর্কে বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর যথেষ্ট ধারণা রয়েছে, তাই এ ক্ষেত্র বৈদেশিক বিনিয়োগকারীদের আকর্ষণ করা সহজ হবে।

বিশ্বজুড়ে রপ্তানিও হতে পারে অপার সম্ভাবনা

সরকারের সহায়তায় ব্যবসায়ীরা বিদেশের সঙ্গে সংযোগ তৈরি করতে পারে যা বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জনের জন্য বিশাল বাজার উন্মুক্ত করবে। বেসরকারি খাত স্থানীয় বাজারে তার বিদ্যমান সাফল্যকে ব্যবহার করে এবং নীতি-নির্ধারকদের যথাযথ সহায়তায় এই নতুন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারেন।

কৃষির অন্যান্য খাতেও কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা

প্রিসিশন কৃষি, ভারটিক্যাল কৃষি অবকাঠামো এবং রক্ষণাবেক্ষণ পরিষেবা- হাইড্রোপনিক এবং গ্রিনহাউস কৃষিকাজ- এসব অবকাঠামো লাখ লাখ উদ্যোক্তা এবং কর্মসংস্থান তৈরি করতে পারে। এছাড়া চালক, অপারেটর, মেকানিক এবং খুচরা যন্ত্রাংশ নির্মাতা হিসেবে কর্মসংস্থান তৈরি করা যেতে পারে।

কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পেতে, আমার প্রস্তাবনা হচ্ছে-

প্রযোজনীয় প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা করতে হবে

কেবল উপযুক্ত প্রশিক্ষণই সম্ভাব্য উদ্যোক্তা এবং দক্ষ শ্রমিক তৈরি করতে পারবে যা কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পেতে সাহায্য করবে।

নিশ্চিত করতে হবে স্বল্পসুদে মূলধন সুবিধা

প্রথমত- আজকাল কৃষি কাজে ব্যবহৃত যন্ত্রাংশগুলো বিনা সুদে ব্যবসায়ীরা সরবরাহ করে থাকেন। ব্যাংক থেকে ঋণ না নিয়ে ডিলারদের কাছ থেকে বিনা সুদে যন্ত্রাংশ কেনাকাটা করা একটি উলেস্নখযোগ্য পরিবর্তন। প্রাইভেট কোম্পানিগুলোর সহায়তায় ডিলাররা বাকিতে যন্ত্রাংশ দিয়ে থাকেন। এ ক্ষেত্রে সরকার স্বল্পসুদে কার্যকরী মূলধন বৃদ্ধি করে কৃষি ব্যবসায় সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে বিকশিত করতে সহায়তা করতে পারে।

দ্বিতীয়ত- আজকাল ছোট উদ্যোক্তা এবং কৃষকদের পক্ষে ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। পিকেএসএফ এবং এসএমই ফাউন্ডেশনের মতো এগ্রিবিজনেস ফাউন্ডেশন গড়ে তুলতে হবে যাতে ক্ষুদ্র কৃষি-উদ্যোক্তরা কৃষি ব্যবসা সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মাধ্যমে সহজেই তহবিল সংগ্রহ করতে পারে।

লেখক : ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও এসিআই মটরস? লিমিটেড, এসিআই এগ্রোলিংক লিমিটেড, প্রিমিয়াফ্লেক্স পস্নাস্টিকস? লিমিটেড, এসিআই মেরিন অ্যান্ড রিভারিন টেকনোলজিস? লিমিটেড ও এসিআই এগ্রিবিজনেসেস

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

আরও খবর

Copyright JaiJaiDin ©2021

Design and developed by Orangebd


উপরে