বৃহস্পতিবার, ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ১৯ মাঘ ১৪২৯
walton1

ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্বমানের শিক্ষা

নতুনধারা
  ২১ জানুয়ারি ২০২৩, ০০:০০
সবুজে ঘেরা, সুন্দর এবং মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশে ঢাকার বাড্ডার সাতারকুলে স্থায়ী ক্যাম্পাসে শুরু হয়েছে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির পূণার্ঙ্গ শিক্ষা কার্যক্রম। নান্দনিক ও চিত্রাকর্ষক ৩টি ভবনে এবং একটি টাওয়ারে এ পূণার্ঙ্গ শিক্ষা কার্যক্রম চলছে। ৫টি অনুষদে ১২টি বিভাগে এ ইউনিভার্সিটিতে শিক্ষাদান দেওয়া হয়। এই ১২টি বিভাগের মধ্যে ঢাকা ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগে উন্নতমানের শিক্ষাদান দেওয়া হচ্ছে। আর এই উন্নতমানের শিক্ষাদানের মূলে যিনি রয়েছেন, তিনি হলেন বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর এবং বর্তমানে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডক্টর সাইফুল ইসলাম। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের উপদেষ্টা হিসেবে সার্বিক দায়িত্ব পালন করে আসছেন। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের পদযাত্রা শুরুর প্রথম দিকেই ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠিত হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের খ্যাতিমান অধ্যাপক ডক্টর এবিএম মফিজুল ইসলাম পাটোয়ারী ১৯৯৫ সালে এ ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে ইউনিভার্সিটির ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা প্রায় ১০ হাজার। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ৫ শতাধিক শিক্ষার্থী এখানে অধ্যয়ন করছে। এ ইউনিভার্সিটিতে বর্তমানে পারমান্যান্ট ২ শতাধিক শিক্ষক রয়েছেন। এ ছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রখ্যাত অধ্যাপকরা খন্ডকালীন পাঠদান দিয়ে থাকেন। বোর্ড অব স্ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী এমপি বলেন, যে লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে আমার বাবা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খ্যাতিমান অধ্যাপক ডক্টর এবিএম মফিজুল ইসলাম পাটোয়ারী ১৯৯৫ সালে এই ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠা করেন। তা অটুট রেখেই আমরা এ ইউনিভার্সিটি পরিচালনা করে আসছি। মূলত নিম্নবিত্ত পরিবারের ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার জন্যই তিনি এটি প্রতিষ্ঠা করেন। বোর্ড অব স্ট্রাস্টিজের ভাইস চেয়ারম্যান ডা. এসকিউ পাটোয়ারী বলেন, 'জ্ঞানই শক্তি'- এই উদ্দেশ্য নিয়ে এ ইউনিভার্সিটিঁ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আমরা টিউশন ফি কম নিলেও শিক্ষার গুণগতমানের ক্ষেত্রে কখনো আপস করি না। উলেস্নখ্য, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) দিবা শাখার জন্য এখানে টিউশন ফি নেওয়া হয় ৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা। ডিপেস্নামাধারীদের জন্য সান্ধ্যকালীন কোর্স ফি নেওয়া হয় ২ লাখ ৫০ টাকা। বিদেশি ছাত্রছাত্রীদের জন্য টিউশন ফি ৬ লাখ টাকা। গবেষণা ও প্রকাশনা সেল : প্রতি বছর এ সেল জার্নাল প্রকাশ। প্রত্যেক শিক্ষককে বছরে কমপক্ষে ২টি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশ করতে হয়। ইন্টারনেট ও ল্যাবরেটরি সুবিধা : এ ইউনিভার্সিটি সম্পূর্ণ ওয়াইফাই-এর আওতাভুক্ত। ইন্টারনেট সুবিধা থাকায় শিক্ষার্থীরা গবেষণা কাজে বিশেষ সুবিধা ভোগ করে থাকেন। অত্র ইউনিভার্সিটিতে রয়েছে অত্যাধুনিক মানসম্পন্ন প্রায় ৩১টি ল্যাবরেটরি। ছাত্রছাত্রীদের আবাসিক সুবিধা : অত্র ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসের সন্নিকটে রয়েছে ৭টি হোস্টেল। তারমধ্যে ছেলেদের জন্য রয়েছে ৫টি এবং মেয়েদের জন্য রয়েছে ২টি হোস্টেল। আর দুটি হল নির্মাণাধীন রয়েছে। বৃত্তি : বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ২০১০-এর আইন অনুযায়ী দরিদ্র, মেধাবী ও মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের বৃত্তি প্রদান করা হয়। এ ছাড়া পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বরধারীদের বিনা বেতনে অধ্যয়নের সুযোগ রয়েছে। ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, মূল ক্যাম্পাস : সাতারকুল, বাড্ডা, ঢাকা-১২১২। মোবাইল : ০১৯৩৯৮৫১০৬০-৪,০১৩০২৬৯০৩৪০-৯, ০১৬১১৩৪৮৩৪৪-৮ ভধপবনড়ড়শ.পড়স/ফরঁ.হবঃ.নফ, ঊ-সধরষ: ধফসরংংরড়হ@ফরঁ.হবঃ.নফ, ডবনংরঃব: িি.িফরঁ.ধপ
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

উপরে