সংবাদ সংক্ষেপ

সংবাদ সংক্ষেপ

সাক্ষ্য আইন বাংলা ভাষায় অনুবাদের লক্ষ্যে ৯ সদস্যের কমিটি গঠন

ম আইন ও বিচার ডেস্ক

জনসাধারণের অনুধাবনের সুবিধার্থে সাক্ষ্য আইন (ঊারফবহপব অপঃ-১৮৭২) বাংলা ভাষায় অনুবাদের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে নয় সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

আইন মন্ত্রণালয়ের বিচার শাখা থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে। মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. একরামুল হক শামীমের সই করা এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়।

এতে বলা হয়, জনসাধারণের অনুধাবনের সুবিধার্থে সাক্ষ্য আইন (ঊারফবহপব অপঃ, ১৮৭২) বাংলা ভাষায় অনুবাদের লক্ষ্যে কমিটি গঠন করা হয়েছে।

আইন সচিব মো. গোলাম সারওয়ারকে সভাপতি করে গঠিত কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- যুগ্ম সচিব বিকাশ কুমার সাহা, উম্মে কুলসুম, উপসচিব শেখ গোলাম মাহবুব, শেখ হুমায়ুন কবীর, সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শামছুদ্দীন মাসুম এবং মো. একরামুল হক শামীম। এছাড়া লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের যুগ্ম সচিব পর্যায়ের দু'জন প্রতিনিধি

থাকবেন এ কমিটিতে।

কমিটি সাক্ষ্য আইন (ঊারফবহপব অপঃ- ১৮৭২) বাংলা ভাষায় অনুবাদের বিষয়ে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদান করবে। পাশাপাশি কমিটি প্রয়োজনে এক বা একাধিক সদস্যকে কো-অপ্ট করবে।

আর্থিক দুর্নীতি দমনে ইডির ক্ষমতা বাড়িয়ে ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টের যুগান্তকারী রায়

ম আইন ও বিচার ডেস্ক

আর্থিক দুর্নীতি দমনে ভারতের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) ক্ষমতা আরো বাড়ল। আর্থিক দুর্নীতি দমন আইনে ইডির গ্রেপ্তারির অধিকারের স্বীকৃতি দিল দেশটির সুপ্রিম কোর্ট।

এখন থেকে আর্থিক দুর্নীতি দমন আইনে গ্রেপ্তারি থেকে শুরু করে, অন্যান্য একাধিক কঠোর পদক্ষেপ নিতে পারবে কেন্দ্রীয় সংস্থা ইডি, এমনই নির্দেশ দিয়েছেন ভারতের সর্বোচ্চ আদালত। পিএমএলএ আইনে ইডির ক্ষমতা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে একাধিক মামলা দায়ের করা হয়েছিল। বুধবার (২৭ জুলাই) অধিকাংশ মামলা খারিজ করে দিলেন সুপ্রিম কোর্ট।

সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি এ এম খানউলকারের বেঞ্চের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দুর্নীতির মামলায় তলস্নাশি, গ্রেপ্তারির মতো প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পারবে ইডি। গ্রেপ্তার, তলস্নাশি, সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করতে পারবে ইডি।

এদিকে আবেদনকারীরা প্রশ্ন করেছিলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের কোনো কারণ না জানিয়ে বা প্রমাণ, নথি না দিয়ে গ্রেপ্তার করা অসাংবিধানিক। সুপ্রিম কোর্ট এই বক্তব্য খারিজ করে দিয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের পক্ষ থেকে জানানো হয়, অভিযুক্তকে প্রমাণ বা নথি দেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। সুপ্রিম কোর্টের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়, গ্রেপ্তারি থেকে শুরু করে কোনো সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা, কিংবা যে কোনো ক্ষেত্রে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার অধিকার আছে ইডির। এক্ষেত্রে গ্রেপ্তারের কারণ জানানো বাধ্যতামূলক নয়।

সুপ্রিম কোর্টের এই রায় বিরোধীদের একটা বড় ধাক্কা বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। কারণ বিরোধীদের বারবার অভিযোগ, ইডির মতো কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে নিজের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করছে কেন্দ্রীয় সরকার। আর এই কারণেই ইডির ক্ষমতা নিয়ে একাধিক মামলা দায়ের করা হয়েছিল সুপ্রিম কোর্টে। যার অধিকাংশ খারিজ করে দেওয়া হলো। সেই সঙ্গে ক্ষমতা বাড়ানো হলো ইডির।

গ্রীষ্মকালে আইনজীবীদের ড্রেস কোড শিথিলে প্রধান বিচারপতির কাছে আবেদন

ম আইন ও বিচার ডেস্ক

গ্রীষ্মকালে সাধারণত বছরের অন্যান্য সময়ের তুলনায় বেশি গরম অনুভূত হয়। ফলে অতিরিক্ত গরমে নির্ধারিত পোশাক পরিধান করে গ্রীষ্মকালে আইনজীবীদের জন্য আদালতে মামলা পরিচালনা করা কষ্টসাধ্য হয়ে ওঠে।

প্রচন্ড গরমে ড্রেস কোড মেনে আদালতে এসে সময় সময় অনেক আইনজীবী অসুস্থ হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে সারাদেশের আদালতসমূহে আইনজীবীদের জন্য নির্ধারিত পোশাক গ্রীষ্মকালে শিথিল করার আবেদন জানানো হয়েছে।

রাজশাহী অ্যাডভোকেট বার অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে ২৬ জুলাই প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর কাছে এ আবেদন জানানো হয়।

জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি আবুল কাসেম ও সাধারণ সম্পাদক পারভেজ তৌফিক জাহেদী স্বাক্ষরিত আবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশ একটি গ্রীষ্মন্ডলীয় দেশ। বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশে ক্রমাগত গরমের প্রকোপ বৃদ্ধি পাচ্ছে। রাজশাহীসহ সারাদেশের আদালতসমূহের আইনজীবীদের কালো কোট পরিধান করে পেশাগত কার্য পরিচালনা করার ফলে আইনজীবীরা অসুস্থ হয়ে পড়ছে।

এজন্য মানবিক ও পারিপার্শ্বিক অবস্থা বিবেচনা করে কালো কোট পরিধান করার বিষয়টি ঐচ্ছিক করার জন্য অনুরোধ জানানো হয় আবেদনে।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

আরও খবর

Copyright JaiJaiDin ©2022

Design and developed by Orangebd


উপরে