বুধবার, ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ২৪ মাঘ ১৪২৯
walton1
ইন্দোনেশিয়ার নতুন আইন

বিবাহবহির্ভূত শারীরিক সম্পর্ক হলে জেল

শুধু শারীরিক মিলন নিয়েই নয়, এর সঙ্গে সঙ্গে আসতে চলেছে আরও একগুচ্ছ আইন। প্রেসিডেন্টকে অপমান করা, কোনো সরকারি নীতির বিরোধিতা করা থেকে সমকাম, গর্ভপাত, সবেতেই কারাবাসের সাজা আসছে আইনে
আইন ও বিচার ডেস্ক
  ০৬ ডিসেম্বর ২০২২, ০০:০০
স্বামী কিংবা স্ত্রী ছাড়া আর কারও সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক বৈধ নয়। বিয়ের বাইরে শারীরিক সম্পর্ক তৈরি হলে যেতে হতে পারে জেলে। এমনই আইন আসছে ইন্দোনেশিয়াতে। বিবাহবহির্ভূত সঙ্গম প্রমাণিত হলে এক বছরের কারাবাস হতে পারে, বিধান রয়েছে প্রস্তাবিত বিলে। চলতি মাসেই ইন্দোনেশিয়ার আইনসভায় পাস হয়ে যেতে পারে বিলটি। ইন্দোনেশিয়ার উপ-আইনমন্ত্রী এডওয়ার্ড ওমর শরিফ হিয়ারিজ সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, কয়েক দশক ধরেই নতুন কিছু ফৌজদারি আইন আনার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল। এই বিল তারই অংশ। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ১৫ ডিসেম্বর আইনটি পাস হবে বলে আশা করছে সরকার। মন্ত্রী বলেন, 'আমরা ইন্দোনেশিয়ার মূল্যবোধের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ এমন একটি ফৌজদারি আইন পেয়ে গর্বিত।' কিন্তু কোনো ব্যক্তি বিবাহের বাইরে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হচ্ছেন কিনা, তা সরকার জানবে কী করে? আইনের প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তাদের কাছে আত্মীয়রা প্রশাসনে অভিযোগ জানতে পারবেন। শুধু সঙ্গমই নয়, এই আইনে অবিবাহিত নারী-পুরুষদের একত্রবাসও নিষিদ্ধ হবে। শুধু শারীরিক মিলন নিয়েই নয়, এর সঙ্গে সঙ্গে আসতে চলেছে আরও একগুচ্ছ আইন। প্রেসিডেন্টকে অপমান করা, কোনো সরকারি নীতির বিরোধিতা করা থেকে সমকাম, গর্ভপাত, সবেতেই কারাবাসের সাজা আসছে আইনে। সংখ্যাগরিষ্ঠতার দিক থেকে ইন্দোনেশিয়া পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি মুসলিম অধু্যষিত দেশ। মানবাধিকার কর্মীদের একাংশের অভিযোগ, ক্রমেই বিভিন্ন কট্টরপন্থি মুসলিম সংগঠন শক্তিশালী হয়ে উঠছে। দুর্বল করে দিচ্ছে দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামো। আঘাত নামছে সংখ্যালঘুদের উপরেও। সাম্প্র্রতিক এই আইনগুলো মানবাধিকারের ওপর একটি বড় আঘাত বলে মনে করছেন তারা। যদিও এই সমালোচনায় কান দিতে নারাজ উপ-আইনমন্ত্রী এডওয়ার্ড ওমর শরিফ হিয়ারিজ। এই আইনগুলোতে সাধারণ মানুষের দেশাত্মবোধ আরও মজবুত হবে বলে দাবি তার।
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

উপরে