ধীরগতির স্মার্টফোন যখন দ্রম্নতগতির...

আপনি যখন একই সময়ে অনেক অ্যাপিস্নকেশন ব্যবহার করেন তখন প্রয়োজনের তুলনায় মেমোরি বার্ যাম কম হলে মোবাইল হ্যাং হতে পারে- যদি কুকিজ, চিজ, লগ টাইপ ফাইল এবং অপ্রয়োজনীয় ফাইলগুলো নিয়ম করে পরিষ্কার করা না হয় তাহলে। কারণ এগুলো মেমোরি জ্যাম করে মোবাইল হ্যাং হওয়ার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আপনার মোবাইল কনফিগারেশন বা মেমোরির ক্যাপাবিলিটির তুলনায় ভারী অ্যাপিস্নকেশন, যেমন- গেম, ভিডিও অ্যাপ চালালে মোবাইল হ্যাং হয়ে যেতে পারে...
ধীরগতির স্মার্টফোন যখন দ্রম্নতগতির...

স্মার্টফোনের যুগ এখন। ছেলে, বুড়ো, শিক্ষিত-অশিক্ষিত সবার হাতে একটা না একটা স্মার্টফোন দেখাই যায়। একটা স্মার্টফোন সাথে থাকা মানেই একটা জগৎ সাথে নিয়ে ঘোরা। একটা স্মার্টফোন আমাদের কত রকমের সুবিধা দিয়ে থাকে। অনেকের তো এমন অবস্থা হয়েছে যে একটি স্মার্টফোন সঙ্গে থাকলে তার আর সঙ্গী-সাথী লাগে না। এ ছাড়া বাড়ি, অফিস, এমন পড়াশোনার ক্ষেত্রেও অনেক কাজ সহজ হয়ে যাচ্ছে স্মার্টফোন সাথে থাকলে। আর স্মার্টফোনগুলোর মধ্যে বর্তমানে অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। এই অ্যান্ড্রয়েড ফোনগুলো আরও বেশি ধরনের সুবিধা বেশি দিয়ে থাকে।

তবে বেশি সুবিধার বিড়ম্বনাও কিন্তু কম নয়। যেমন- এখন অ্যান্ড্রয়েড ফোনগুলোর একটা সাধারণ সমস্যা হচ্ছে হয়তো স্স্নো হয়ে যাবে নয়তো হ্যাং হয়ে যাওয়া। তখন আমরা অনেকেই খুব বিরক্ত হয়ে ফোন কোম্পানিগুলোকে বকা দিতে থাকি। মনে করি তারা খারাপ ফোন তৈরি করেছে। কিন্তু আমরা অনেকেই জানিনা আমাদের ব্যবহারের উপরও অনেক সময় ফোন হ্যাং হওয়া নির্ভর করে। আসুন তাহলে আজ আমরা জেনে নিই কীভাবে বা কী কারণে আমাদের অ্যান্ড্রয়েড ফোন স্স্নো বা হ্যাং হয়ে যায়।

মোবাইল ফোন হ্যাং হওয়ার অনেক কারণ রয়েছে। তার মধ্যে কিছু কারণ হচ্ছে-

আপনি যদি অতিরিক্ত মেমোরি কার্ড বা যেটাকে এক্সার্টানাল মেমোরিকার্ড বলে, তার পরিবর্তে ফোন মেমোরিতে বিল্ট-ইন মেমোরিতে বেশি পরিমাণে অ্যাপিস্নকেশন ইনস্টল করেন তবে রমের ঘাটতির কারণে ফোন হ্যাং হয়ে যেতে পারে।

মোবাইল স্পেস কম থাকা। আমরা অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহার করে থাকি তার প্রধান কারণ হচ্ছে অনেক অ্যাপিস্নকেশন ব্যবহার করার জন্য। কিন্তু দেখা যায় মোবাইলের স্পেস কম থাকলে আপনি এ ধরনের সমস্যায় বেশি পড়বেন। অর্থাৎ আপনি যখন একই সময়ে অনেক অ্যাপিস্নকেশন ব্যবহার করেন তখন প্রয়োজনের তুলনায় মেমোরি বার্ যাম কম হলে মোবাইল হ্যাং হতে পারে।

যদি কুকিজ, চিজ, লগ টাইপ ফাইল এবং অপ্রয়োজনীয় ফাইলগুলো নিয়ম করে পরিষ্কার করা না হয় তাহলে। কারণ এগুলো মেমোরি জ্যাম করে মোবাইল হ্যাং হওয়ার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

আপনার মোবাইল কনফিগারেশন বা মেমোরির ক্যাপাবিলিটির তুলনায় ভারী অ্যাপিস্নকেশন, যেমন- গেম, ভিডিও অ্যাপ চালালে মোবাইল হ্যাং হয়ে যেতে পারে। নিয়মমতো মোবাইল চার্জ না দেওয়া।

লম্বা সময় ফোন ঘাঁটাঘাঁটি করা। ভারী ফাইল ডাউনলোড করা। হাত থেকে পড়ে গেলে। প্রচন্ড ঝাঁকুনি খেলে।

যান্ত্রিক কোনো সমস্যা হলে। অন্য চার্জার দিয়ে চার্জ দিলে।

তবে চিন্তার কিছু নেই। সমস্যা যেমন আছে, তেমনি তার সমাধানও আছে। আসুন তাহলে জেনে নিই আপনার ফোন হ্যাং হয়ে গেলে কীভাবে তা ঠিক করবেন তার জন্য রইল কিছু টিপস। নিয়ম করে চার্জ দিন। রাবারজাতীয় ব্যাক কাভার অথবা বাম্পার ব্যবহার করুন। তাহলে হাত থেকে পড়লেও মোবাইল হ্যাং হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।

কোনো কিছু ইনস্টল করতে চাইলে চেষ্টা করুন সেটা আপনার অতিরিক্ত মেমোরি কার্ডে ইনস্টল করতে। অর্থাৎ আপনার ফোন মেমোরিকে যতটা সম্ভব ফাঁকা রাখার চেষ্টা করুন।

যে অ্যাপগুলো ব্যবহার করেন না বা আপনার প্রয়োজন নেই সেগুলো আন-ইনস্টল করে দিন।

আপনার যতই সখ থাকুক যদি আপনার মোবাইলেরর্ যাম কম থাকে তাহলে কখনই ভারী অ্যাপিস্নকেশন চালাবেন না। তাহলে আর ফোন হ্যাং হবে না।

এটা সব সময় খেয়াল রাখুন আপনার ফোনে যেন একই সঙ্গে অনেক অ্যাপিস্নকেশন না চলে।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

আরও খবর

সকল ফিচার

রঙ বেরঙ
উনিশ বিশ
জেজেডি ফ্রেন্ডস ফোরাম
নন্দিনী
আইন ও বিচার
ক্যাম্পাস
হাট্টি মা টিম টিম
তারার মেলা
সাহিত্য
সুস্বাস্থ্য
কৃষি ও সম্ভাবনা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

Copyright JaiJaiDin ©2021

Design and developed by Orangebd


উপরে