logo
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২০ ১১ কার্তিক ১৪২৭

  যাযাদি ডেস্ক   ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:০০  

যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাচন-২০২০

ভোটে হেরে গেলে ক্ষমতা না ছাড়ার আভাস ট্রাম্পের

এ ব্যাপারে কোনো প্রতিশ্রম্নতি দিতেও অস্বীকৃতি তার বাইডেনের চেয়ে অনেক বেশি অবদান রেখেছি : ট্রাম্প

ভোটে হেরে গেলে ক্ষমতা না ছাড়ার আভাস ট্রাম্পের
পেনিসিলভেনিয়ায় নির্বাচনী প্রচারণায় ডোনাল্ড ট্রাম্প
নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে হেরে গেলেও খুব সহজে ক্ষমতা ছাড়বেন না এমন আভাস দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পরাজিত হলে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করবেন কিনা, এ ব্যাপারে কোনো প্রতিশ্রম্নতি দিতেও অস্বীকৃতি জানিয়েছেন তিনি। সংবাদসূত্র : বিবিসি, সিএনএন, আল-জাজিরা

ট্রাম্পের ভাষ্য, পরাজিত হলে আগে দেখতে হবে আসলে কী ঘটেছে। ডাকযোগে ভোটের ব্যাপারে আবারও সন্দেহের কথা জানিয়ে এই মন্তব্য করেন তিনি। আগেও শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রশ্নে ট্রাম্পের উত্তর ছিল, ফল দেখেই তিনি বলতে পারবেন ক্ষমতা ছাড়বেন কিনা।

বুধবার হোয়াইট হাউসের সংবাদ সম্মেলনে এক সাংবাদিক ট্রাম্পকে প্রশ্ন করেন, তিনি কি শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরের বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারেন? জবাবে ট্রাম্প বলেন, 'তার বিশ্বাস মহামারির সময় ডাকযোগে বর্ধিত ভোট না হলে ক্ষমতা হস্তান্তরের কোনো দরকারই হতো না।'

যুক্তরাষ্ট্রে সাপ্তাহিক কর্মদিবসে নির্বাচন হয় বলে অনেক মানুষ সশরীরে ভোট দিতে পারেন না। কাজের সূত্রে দূরে থাকার কারণেও কারও কারও ভোট দিতে সমস্যা হয়। এমন সব মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করতে ডাকযোগে ব্যালট পাঠানোর বিধান রয়েছে। চলতি বছর করোনা সংকটের কারণে অসংখ্য ভোটার সেই সুযোগ গ্রহণ করবেন বলে মনে করা হচ্ছে।

ডেমোক্রেটদের পক্ষ থেকে ডাকযোগে বা 'মেইল ইন' ভোটের দাবি জানানো হলেও ট্রাম্প শুরু থেকেই এর বিরোধিতা করছেন। এমনকি ভোট জালিয়াতি হতে পারে বলে ডেমোক্রেটদের দিকে আঙুলও তুলেছেন তিনি।

ডাকযোগের ব্যালট সরিয়ে নিলে সবই শান্তিপূর্ণ হতে পারে বলে উলেস্নখ করেন ট্রাম্প। বুধবারের সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, 'সেক্ষেত্রে ক্ষমতা হস্তান্তরেরই কোনো প্রয়োজন হবে না। অর্থাৎ, তার পরাজিত হওয়ার কোনো কারণই নেই। ট্রাম্প বলেন, 'ডেমোক্রেটরা অন্যদের চেয়ে বেশি জানেন যে, ডাক ব্যালট নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে উঠেছে।' ডাক ভোটের কারণে ফল চূড়ান্ত হতে বিলম্ব হলে এ নিয়ে ট্রাম্প ঝামেলা করতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রায় ছয় মাস আগে থেকেই ডাকযোগে ভোট নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে আসছেন তিনি।

বাইডেনের চেয়ে অনেক বেশি

অবদান রেখেছি : ট্রাম্প

এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, 'ক্ষমতাগ্রহণের পর ৪৭ মাসে আমি যা করেছি, জো বাইডেন তা ৪৭ বছরেও করতে পারেননি। স্থানীয় সময় বুধবার পেনিসিলভেনিয়াতে নির্বাচনী প্রচারণায় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রেসিডেন্ট প্রার্থী জো বাইডেনের কঠোর সমালোচনা করে ট্রাম্প এসব কথা বলেন।

ট্রাম্পের দাবি, বাইডেনের চেয়ে তিনি দেশের জন্য বেশি অবদান রেখেছেন। ডেমোক্রেট নেতা বাইডেন দীর্ঘ সময় ধরে যুক্তরাষ্ট্রের মূলধারার রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সময় (২০০৯-১৭) ভাইস প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। ১৯৭৩ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত তিনি সিনেটরের দায়িত্ব পালন করেছেন। তবে ৭৭ বছর বয়সী বাইডেনের তুলনায় রাজনীতিতে একেবারেই নবীন ট্রাম্প। ২০১৬ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের মাধ্যমে মার্কিন রাজনীতিতে হাতেখড়ি ধনকুবের ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত ট্রাম্পের।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সকল ফিচার

রঙ বেরঙ
উনিশ বিশ
জেজেডি ফ্রেন্ডস ফোরাম
নন্দিনী
আইন ও বিচার
ক্যাম্পাস
হাট্টি মা টিম টিম
তারার মেলা
সাহিত্য
সুস্বাস্থ্য
কৃষি ও সম্ভাবনা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
close

উপরে