বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ

আমরা রক্ত দিয়েছি, রক্ত আরও দেব। এ দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়ব ইনশাআলস্নাহ। এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। জয় বাংলা।
বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ

১৯৭১ সালের ২ মার্চ বঙ্গবন্ধুর ডাকে সারাদেশে স্বতঃস্ফূর্ত হরতাল পালিত হয়। এদিন এক বিবৃতিতে বঙ্গবন্ধু ঘোষণা করলেন যে, ৩ মার্চ থেকে ৬ মার্চ সকাল ৬টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত হরতাল চলবে। ৭ মার্চ দুপুর ২টায় রেসকোর্স ময়দানের জনসমাবেশে আমি পরবর্তী কর্মপন্থা জানাব। ১৯৭১ সালের ৫ মার্চ সংবাদপত্রের খবরে জানা গেল যে পূর্ব পাকিস্তানের বিভিন্ন অঞ্চলে সেনাবাহিনীর গুলিতে তিন শতাধিক ব্যক্তি প্রাণ হারিয়েছে। জনসাধারণ উন্মুখ হয়ে থাকলেন শেখ সাহেবের ৭ মার্চের ভাষণ শোনার জন্য। তারা মনে মনে একটা অনুমানও করে নিলেন যে শেখ সাহেব ওইদিন রেসকোর্স ময়দানে স্বাধীনতা ঘোষণা করবেন। সে জন্য সেনাবাহিনীর গুলিকে অগ্রাহ্য করে জনতার মিছিল চলতে লাগল দুর্বার গতিতে। ইয়াহিয়া খান বেতার ভাষণে ঘোষণা করলেন, 'আগামী ২৫ মার্চ জাতীয় পরিষদের অধিবেশন বসবে।' পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ তার এই ঘোষণাকে অগ্রাহ্য করলেন। তারা তখন পূর্ণ স্বাধীনতার সঙ্কল্পে উদ্বেল হয়ে উঠেছেন। অবশেষে সেই বহু প্রত্যাশিত ৭ মার্চ পূর্ব পাকিস্তানের দ্বারে এসে উপস্থিত হলো। ঢাকার রমনা রেসকোর্স ময়দানে দুপুর থেকে জনতার তরঙ্গ উঠলো। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব তার ভাষণ দিতে এলেন বিকেল বেলা। দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সুসজ্জিত প্রায় পনেরো লক্ষাধিক জনতা 'জয় বাংলা' আর 'স্বাধীন বাংলাদেশ' ধ্বনিতে আকাশ বাতাস মুখর করে তুলল। জনতার এই জয়ধ্বনির মাধ্যমে ভাষণ দিতে উঠে শেখ মুজিব যে ঘোষণা করেছিলেন, ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের ৭ মার্চের সেই ঘোষণা শুধু বাংলাদেশের ইতিহাসেই নয়, সমগ্র পৃথিবীর ইতিহাসে লেখা হয়ে গেছে। বঙ্গবন্ধু তার দেশবাসীকে উদ্দেশ্য করে বজ্রকণ্ঠে বলেছিলেন- ভাইয়েরা আমার, আজ দুঃখ ভারাক্রান্ত মন নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি। আপনারা সবাই জানেন ও বুঝেন। আমরা আমাদের জীবন দিয়ে চেষ্টা করেছি, কিন্তু ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রংপুর, যশোরের রাজপথ আমার ভাইদের রক্তে রঞ্জিত হয়েছে। নির্বাচনে আপনারা ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগকে জয়ী করেছিলেন শাসনতন্ত্র রচনার জন্য। আশা ছিল, জাতীয় পরিষদ বসবে, আমরা শাসনতন্ত্র তৈরি করব এবং এই শাসনতন্ত্রে মানুষ তাদের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক আর সাংস্কৃতিক মুক্তি লাভ করবে। কিন্তু ২৩ বছরের ইতিহাস বাংলার মানুষের মুমূর্ষু আর্তনাদের ইতিহাস, রক্তদানের করুণ ইতিহাস, নির্যাতিত মানুষের কান্নার ইতিহাস।

৫২ সালে আমরা রক্ত দিয়েছি। ৫৪ সালে নির্বাচনে জয়লাভ করেও গদিতে বসতে পারিনি। ৫৮ সালে দেশে সামরিক আইন জারি করে আইয়ুব খান ১০ বছর আমাদের গোলাম করে রাখলো। ৬৬ সালে ছয় দফা রাখা হলো এবং এরপর এ অপরাধে আমার বহু ভাইকে হত্যা করা হলো। ৬৯ সালে গণ-আন্দোলনে আইয়ুবের পতনের পর ইয়াহিয়া খান এলেন। তিনি বললেন, তিনি জনগণের হাতে ক্ষমতা ফিরিয়ে দেবেন, শাসনতন্ত্র দেবেন। আমরা মেনে নিলাম।

তারপরের ঘটনা সকলেই জানেন। ইয়াহিয়া খানের সঙ্গে আলোচনা হলো আমরা তাকে ১৫ ফেব্রম্নয়ারি জাতীয় পরিষদের অধিবেশন ডাকার অনুরোধ করলাম। কিন্তু মেজরিটি পার্টির নেতা হওয়া সত্ত্বেও তিনি আমার কথা শুনলেন না, শুনলেন সংখ্যালঘু দলের ভুট্টো সাহেবের কথা। আমি শুধু বাংলার মেজরিটি পার্টির নেতা নই, সমগ্র পাকিস্তানের মেজরিটি পার্টিরও নেতা। ভুট্টো সাহেব বললেন- মার্চের প্রথম সপ্তাহে অধিবেশন ডাকতে, তিনি মার্চের তিন তারিখে অধিবেশন ডাকলেন। আমি বললাম, তবুও আমরা জাতীয় পরিষদের অধিবেশনে যাব এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হওয়া সত্ত্বেও কেউ যদি ন্যায্য কথা বলে আমরা তা মেনে নেব- এমন কি তিনি যদি একজনও হন। ভুট্টো ঢাকায় এসেছিলেন, তার সঙ্গে আলোচনা হলো। ভুট্টো সাহেব বলে গেলেন, আলোচনার দরজা বন্ধ নয়, আলোচনা হবে। মওলানা নুরানী, মুফতি মাহমুদসহ পশ্চিম পাকিস্তানের অন্যান্য পার্লামেন্টারি নেতারা এলেন, তাদের সঙ্গে আলোচনা হলো। উদ্দেশ্য ছিল, আলাপ-আলোচনা করে শাসনতন্ত্র রচনা করব। তবে তাদের আমি জানিয়ে দিয়েছি, ছয় দফা পরির্বতনের কোনো অধিকার আমার নেই। এটা জনগণের সম্পদ।

ভুট্টো হুমকি দিলেন। তিনি বললেন, এখানে এসে ডবল 'জিম্মি' হতে পারবেন না। পরিষদ কসাইখানায় পরিণত হবে। তিনি পশ্চিম পাকিস্তানি সদস্যদের প্রতি হুমকি দিলেন পরিষদের অধিবেশেনে যোগ দিলে রক্তপাত করা হবে, হত্যা করা হবে। আন্দোলন শুরু হবে। পেশোয়ার থেকে করাচি পর্যন্ত একটি দোকানও খুলতে দেওয়া হবে না। তা সত্ত্বেও ৩৫ জন সদস্য এলেন। কিন্তু ১ মার্চ ইয়াহিয়া খান পরিষদের অধিবেশেন বন্ধ করে দিলেন। দোষ দেওয়া হলো বাংলার মানুষকে, দোষ দেওয়া হলো আমাকে; বলা হলো আমার অনমনীয় মনোভাবের জন্যই কিছু হয়নি। এরপর বাংলার মানুষ প্রতিবাদমুখর হয়ে উঠল। আমি শান্তিপূর্ণ সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার জন্য হরতাল ডাকলাম। জনগণ আপন ইচ্ছায় পথে নেমে এলো। কিন্তু কী পেলাম আমরা? বাংলায় নিরস্ত্র জনগণের ওপর অস্ত্র ব্যবহার করা হলো। আমাদের হাতে অস্ত্র নেই। কিন্তু আমরা পয়সা দিয়ে যে অস্ত্র কিনে দিয়েছি বহিঃশত্রম্নর হাত থেকে দেশকে রক্ষা করার জন্য আজ সে অস্ত্র ব্যবহার করা হচ্ছে আমার নিরীহ মানুষদের হত্যা করার জন্য, আমার দুঃখী জনতার ওপর চলছে গুলি। আমরা বাংলার সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ যখনই দেশের শাসনভার গ্রহণ করতে, দেশের মালিক হতে চেয়েছি তখনই ষড়যন্ত্র চলেছে। আমাদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছে। ইয়াহিয়া খান বলেছেন, আমি নাকি ১০ মার্চ তারিখের গোলটেবিল বৈঠকে যোগদান করতে চেয়েছি। তার সঙ্গে টেলিফোনে আমার আলাপ হয়েছে। আমি তাকে বলেছি, আপনি দেশের প্রেসিডেন্ট, আসুন ঢাকায়, দেখুন আমার গরিব জনসাধারণকে কীভাবে হত্যা করা হয়েছে; আমার মায়ের কোল কীভাবে খালি করা হয়েছে। আমি আগেই বলে দিয়েছি, কোনো গোলটেবিল বৈঠক হবে না। কিসের গোলটেবিল বৈঠক? যারা আমার মা-বোনের কোল শূন্য করেছে তাদের সঙ্গে বসবো গোলটেবিল বৈঠকে?

৩ মার্চ তারিখে আমি পল্টন ময়দানে অসহযোগের আহ্বান জানালাম। বললাম- অফিস, আদালত, খাজনা, ট্যাক্স বন্ধ করুন। আপনারা মেনে নিলেন।

হঠাৎ আমার সঙ্গে বা আমাদের সঙ্গে আলোচনা না করে একজনের সঙ্গে পাঁচ ঘণ্টা বৈঠকের পর ইয়াহিয়া খান যে বক্তৃতা করেছেন, তাতে সমস্ত দোষ আমার ও আমার সোনার বাংলার মানুষের ওপর চাপিয়ে দিয়েছেন। দোষ করলেন ভুট্টো, গুলি করে মারা হলো আমার বাংলার মানুষকে। আমরা গুলি খাই, দোষ আমাদের- আমরা বুলেট খাই, দোষ আমাদের।

ভাইসব, মনে রাখবেন, এবারের সংগ্রাম, আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম, স্বাধীনতার সংগ্রাম। পঁচিশ তারিখে প্রেসিডেন্ট অ্যাসেম্বলি 'কল' করেছেন, অথচ রক্তের দাগ এখনও শুকোয়নি। আমি বলে দিতে চাই, শহিদের রক্তের ওপর দিয়ে মুজিবুর রহমান অ্যাসেম্বলিতে যেতে পারে না। অ্যাসেম্বলীতে যাওয়ার আগে আমাদের দাবি মানতে হবে। এক নম্বর: সামরিক আইন বাতিল করুন। দুই নম্বর: সৈন্যরা ব্যারাকে ফিরে যাক। তিন নম্বর: নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা তুলে দিন। চার নম্বর: সাম্প্রতিক নিধন যজ্ঞের তদন্ত হোক। আর তা ছাড়া জনতার প্রতিনিধির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে। তারপর দেখবো যোগদান করা যায় কি না। আমাদের দাবি না মানলে আমরা অ্যাসেম্বলীতে বসতে পারি না। জনগণ আমাদের সে অধিকার দেয়নি।

আমি প্রধানমন্ত্রিত্ব চাই না, মানুষের অধিকার চাই। ওরা প্রধানমন্ত্রিত্বের লোভ দেখিয়ে আমাকে নিতে পারেনি। ফাঁসি কাষ্ঠে ঝুলার ভয় দেখিয়ে আমাকে নিতে পারেনি। আপনারা রক্ত দিয়ে আমাকে ষড়যন্ত্র মামলা থেকে মুক্ত করে এনেছিলেন। সেদিন এই রেসকোর্সের ময়দানে আমি বলেছিলাম রক্তের দাম আমি রক্ত দিয়েই শোধ করব। মনে আছে? আজো আমি রক্তের দাম রক্ত দিয়েই শোধ করতে প্রস্তুত।

আজ থেকে আপনাদের আমার নির্দেশ মেনে চলতে হবে। বাংলার মুক্তি না হওয়া পর্যন্ত খাজনা-ট্যাক্স বন্ধ করে দেওয়া হলো। সমগ্র বাংলাদেশের সেক্রেটারিয়েট, সরকারি, আধা সরকারি অফিস সুপ্রিমকোর্ট, হাইকোর্ট ও অন্যান্য কোর্টে হরতাল পালন করুন। রিকশা, বেবী, বাস, ট্যাক্সি প্রভৃতি এবং রেলগাড়ি ও বন্দরসমূহ চালু রাখুন। কিন্তু জনগণের ওপর জুলুম চালাবার উদ্দেশ্যে, সশস্ত্র বাহিনীর চলাচলের কাজে রেলওয়ে ও বন্দর কর্মচারীরা সাহায্য করবেন না। সে ক্ষেত্রে তাদের চলাচলের ব্যাপারে কোনো কিছু ঘটলে আমি দায়ী হব না। বেতার, টেলিভিশন ও সংবাদপত্র সেবীরা আমাদের বক্তৃতার পূর্ণ বিবরণ প্রদান করবেন এবং গণ-আন্দোলনের কোনো খবর গায়েব করবেন না। যদি তাতে বাধা দেওয়া হয় তাহলে এই সমস্ত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত বাঙালিরা কাজে যোগ দেবেন না। শুধু লোকাল আর আন্তঃজেলা ট্রাঙ্কল-টেলিফোন যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু রাখবেন। তবে সাংবাদিকরা বর্হিবিশ্বে সংবাদ পাঠাতে পারবেন।

স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় সব এখন থেকে বন্ধ থাকবে। সব গৃহশীর্ষে আজ থেকে সর্ব সময়ের জন্য কালো পতাকা উড়িয়ে রাখবেন। ব্যাংকসমূহ শুধু বাংলাদেশের মধ্যে আদান-প্রদানের উদ্দেশ্যে প্রতিদিন দু'ঘন্টা খোলা থাকবে কিন্তু পশ্চিম পাকিস্তানে যাতে এক পয়সাও পাচার না হয়- সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখবেন। অন্যান্য ক্ষেত্রে আজ থেকে হরতাল প্রত্যাহার করে নেওয়া হলো। তবে অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে যে কোনো সময় আবার আংশিক বা সর্বাত্মক হরতাল ঘোষণা হতে পারে, সে জন্য সবাই প্রস্তুত থাকবেন। আমার অনুরোধ স্থানীয় আওয়ামী লীগ শাখার নেতৃত্বে অবিলম্বে বাংলার প্রত্যেকটি মহলস্না, ইউনিয়ন, থানা, মহকুমা, জেলা পর্যায়ে সংগ্রাম পরিষদ গঠন করুন। এ দেশের মানুষকে খতম করা হলে বুঝে শুনে চলবেন। দরকার হলে সমস্ত চাকা বন্ধ করে দেওয়া হবে।

আপনারা নির্ধারিত সময়ে বেতন নিয়ে আসবেন। বেতন যদি না দেওয়া হয়, যদি আর একটি গুলি চলে, যদি আমার বাংলার ভাইদের হত্যা করা হয় তাহলে বাংলার ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তুলবেন। যার যা আছে তা দিয়ে শত্রম্নর মোকাবিলা করতে হবে। রাস্তাঘাট বন্ধ করে দিতে হবে। হুকুম দেয়ার জন্য আমি না থাকি, আমার সহকর্মীরা যদি না থাকেন, আপনারা সংগ্রাম চালিয়ে যাবেন। আমরা ওদের ভাতে মারবো- পানিতে মারবো। সৈন্যদের বলি, তোমরা আমার ভাই, তোমরা ব্যারাকে থাকো, তোমাদের কেউ কিছু বলবে না। গুলি চালালে আর ভালো হবে না। সাড়ে সাত কোটি মানুষকে আর দাবায়া রাখতে পারবা না।

শহিদদের ও আহতদের পরিবারের জন্য আওয়ামী লীগ সাহায্য কমিটি করেছে। আমরা সাহায্যের চেষ্টা করবো। আপনারা যে যা পারেন দিয়ে যাবেন। মিল মালিকদের কাছে আমার অনুরোধ রইলো, এই হরতালে যে সব শ্রমিক ভাইরা যোগদান করেছেন তাদের যেন বেতন পৌঁছিয়ে দেওয়া হয়। সব কর্মচারীদের যেন মাসের আটাশ তারিখে মাইনে নিয়ে আসেন। সরকারি কর্মচারীদের বলি, আমি যা বলি, তা মানতে হবে। মনে রাখবেন, শত্রম্ন বাহিনী আমাদের মধ্যে ঢুকেছে। তারা আত্মকলহ সৃষ্টি করবে, লুঠতরাজ করবে এই বাংলায়। সাড়ে সাত কোটি মানুষ হিন্দু-মুসলমান, বাঙালি-অবাঙালি যারা আছে তারা আমাদের ভাই। তাদের রক্ষার দায়িত্ব আপনাদের ওপর। দেখবেন, আমাদের যেন বদনাম না হয়।

\হপ্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়াকে আমি আবার জানিয়ে দিতে চাই, দেশকে একেবারে জাহান্নামে নিয়ে যাবেন না। যদি আমরা শান্তিপূর্ণভাবে ফয়সালা করতে পারি জানবেন যে, বাঁচার সম্ভাবনা আছে। এ জন্য অনুরোধ, মিলিটারি শাসন চালাবার আর চেষ্টা করবেন না।

আমরা রক্ত দিয়েছি, রক্ত আরো দেব। এ দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়ব ইনশাআলস্নাহ। এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। জয় বাংলা।

জোবায়ের আলী জুয়েল: কলাম লেখক

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

Copyright JaiJaiDin ©2021

Design and developed by Orangebd


উপরে