কুয়েত মৈত্রীতে দৃশ্যমান নয় পূর্ণ প্রস্তুতি

কুয়েত মৈত্রীতে দৃশ্যমান নয় পূর্ণ প্রস্তুতি

২৮ জানুয়ারি করোনা টিকা প্রদানের লক্ষ্যে শেষ ধাপের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত রাজধানীর কুয়েত মৈত্রী হাসপাতাল। প্রথম দিন ৫০ জনকে এই ভ্যাকসিন প্রয়োগের পরিকল্পনা নিয়েছে হাসপাতালটি। এ লক্ষ্যে ১০ ডাক্তারসহ ২০ সেবিকাকে দেওয়া হয়েছে টিকা প্রদানে বিশেষ প্রশিক্ষণ। সোমবার সরেজমিন হাসপাতালের সার্বিক প্রস্তুতির খোঁজ নিতে গেলে দৃশ্যমান কোনো কিছুই দেখা যায়নি। বেশ কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষা করেও অনুমতি মেলেনি টিকা প্রদান কিংবা অবজারবেশন কক্ষের প্রস্তুতির বর্তমান অবস্থা দেখার।

\হহাসপাতালটির আউটডোরে অস্থায়ী একটা তাঁবু ছাড়া দৃশ্যমান

তেমন কিছুই নেই।

এ বিষয়ে কয়েকবার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হলেও তারা কোনো কিছু বলতে রাজি হননি। পরে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে বাংলাদেশ কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালের সুপারিনন্টেন্ডেন্ট ডা. সিহাব উদ্দিন জনায়, তাদের টিকা প্রদান কার্যক্রমের প্রস্তুতি প্রায় শেষ ধাপে রয়েছে। ২০ নার্স ও ১০ জন ডাক্তারকে বিশেষ প্রশিক্ষণসহ টিকা প্রদান কক্ষ ও টিকা প্রদানের পর বিশেষ পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের কাজ আজকালের মধ্যেই শেষ হয়ে যাবে। প্রায় ৪৫০ জন নিবন্ধিত নাগরিকের মধ্যে থেকে প্রথম দিন ৫০ জনের শরীরে করোনাভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হবে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

এদিকে সোমবারে গণমাধ্যমে কর্মীদের হাসপাতালের সার্বিক প্রস্তুতি দেখার অনুমতি না দেওয়ার জন্য এই সুপারিন্টেন্ডেন্ট দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, হাসপাতালটি সম্পূর্ণভাবে করোনা ডেডিকেটেট হওয়ায় কোনো ধরনের সুরক্ষা ছাড়া বাইরে দর্শনার্থী প্রবেশ ঝুঁকিপূর্ণ। এ ছাড়া তাদের বেশকিছু সীমাবদ্ধতা থাকায় এদিন কাউকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া যায়নি।

আজ মঙ্গলবার থেকে নির্দিষ্ট সময় গণমাধ্যম কর্মীরা প্রবেশ করতে পারবেন। ইতোমধ্যে এই টিকা প্রদান কার্যক্রম পরিচালনায় ব্যবহৃত এলাকা সুরক্ষিত করতে সব রকম ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ কোভিড আক্রান্ত রোগীদের সেবার জোন থেকে টিকা প্রদান জোন সম্পূর্ণ আলাদা করা হবে।

এর আগে রোববার স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব আবদুল মান্নান জানিয়েছেন, ২৭ জানুয়ারি একজন নার্সসহ আরও ২৪ জনকে করোনা ভাইরাসের টিকা দেওয়া হবে, যাদের মধ্যে করোনাভাইরাস মোকাবিলায় কাজ করা স্বাস্থ্যকর্মী, বীর মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক, চিকিৎসক এবং সাংবাদিকরা থাকবেন।

পরদিন অর্থাৎ ২৮ জানুয়ারি ঢাকার পাঁচটি হাসপাতাল- ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল, মুগদা জেনারেল হাসপাতাল, কুয়েত মৈত্রী হাসপাতাল এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪০০ থেকে ৫০০ জনকে এই টিকা দেওয়া হবে। আর সারাদেশে টিকা দেওয়া শুরু হতে পারে ৮ ফেব্রম্নয়ারি থেকে।

\হ

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

আরও খবর

Copyright JaiJaiDin ©2021

Design and developed by Orangebd


উপরে