আক্রান্তের তুলনায় সুস্থ বেশি একদিনে মৃতু্য আট আক্রান্ত ৫৮৫

আক্রান্তের তুলনায় সুস্থ বেশি একদিনে মৃতু্য আট আক্রান্ত ৫৮৫

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত একদিনে আরও ৮ জনের মৃতু্য হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃতু্য হলো ৮ হাজার ৪১৬ জনের। এই সময়ে ৫৮৫ জন নতুন রোগী শনাক্ত হওয়ায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৫ লাখ ৪৬ হাজার ৮০১ জন হয়েছে।

সোমবার বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে বাসা ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও ৮৭৩ জন রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন গত এক দিনে। তাতে এ পর্যন্ত সুস্থ রোগীর মোট সংখ্যা বেড়ে ৪ লাখ ৯৭ হাজার ৭৯৭ জন হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে ১১৮টি আরটি-পিসিআর ল্যাব, ২৯টি জিন-এক্সপার্ট ল্যাব ও ৬৯টির্ যাপিড অ্যান্টিজেন ল্যাবসহ

সর্বমোট ২১৬টি ল্যাবে ১৩ হাজার ৫৭০টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এ পর্যন্ত পরীক্ষা হয়েছে ৪০ লাখ ৫৭ হাজার ৫৯৭টি নমুনা। সরকারি ব্যবস্থাপনায় এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৩১ লাখ ২৬ হাজার ৬৪৩টি। আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হয়েছে ৯ লাখ ৩০ হাজার ৯৫৪টি।

২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার ৪ দশমিক ৩১ শতাংশ, এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৪৮ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯১ দশমিক ০৪ শতাংশ এবং মৃতের হার ১ দশমিক ৫৪ শতাংশ।

গত এক দিনে যারা মারা গেছেন, তাদের মধ্যে ৪ জন পুরুষ এবং ৪ জন নারী। তাদের সবাই হাসপাতালে মারা গেছেন। তাদের ৩ জন করে মোট ৬ জনের বয়স ৬০ বছরের বেশি ও ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ২ জনের বয়স ছিল। মৃতদের মধ্যে ৪ জন করে মোট ৮ জন ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের বাসিন্দা ছিলেন।

দেশে এ পর্যন্ত মারা যাওয়া ৮ হাজার ৪১৬ জনের মধ্যে ৬ হাজার ৩৩৬ জনই পুরুষ এবং ২ হাজার ৫৩ জন নারী। তাদের মধ্যে ৪ হাজার ৬৮০ জনের বয়স ছিল ৬০ বছরের বেশি। এছাড়া ২ হাজার ৮৭ জনের বয়স ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে, ৯৫৫ জনের বয়স ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে, ৪২২ জনের বয়স ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে, ১৭১ জনের বয়স ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে, ৬৪ জনের বয়স ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে এবং ৩৭ জনের বয়স ছিল ১০ বছরের কম।

এর মধ্যে ৪ হাজার ৭১২ জন ঢাকা বিভাগের, ১ হাজার ৫৪৪ জন চট্টগ্রাম বিভাগের, ৪৭৮ জন রাজশাহী বিভাগের, ৫৬০ জন খুলনা বিভাগের, ২৫৩ জন বরিশাল বিভাগের, ৩১০ জন সিলেট বিভাগের, ৩৬৩ জন রংপুর বিভাগের এবং ১৯৬ জন ময়মনসিংহ বিভাগের বাসিন্দা ছিলেন।

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গত বছর ৮ মার্চ; তা সোয়া ৫ লাখ পেরিয়ে যায় গত ১৪ জানুয়ারি। এর মধ্যে গত বছরের ২ জুলাই ৪ হাজার ১৯ জন কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হয়, যা একদিনের সর্বোচ্চ শনাক্ত।

প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর গত বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃতু্যর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ বছর ২৩ জানুয়ারি তা আট হাজার ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে গত বছরের ৩০ জুন এক দিনেই ৬৪ জনের মৃতু্যর খবর জানানো হয়, যা একদিনের সর্বোচ্চ মৃতু্য।

বিশ্বে শনাক্ত কোভিড-১৯ রোগীর সংখ্যা ইতোমধ্যে ১১ কোটি ৪০ লাখ পেরিয়েছে, মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ২৫ লাখ ৩১ হাজার।

জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় বিশ্বে শনাক্তের দিক থেকে ৩৩তম স্থানে আছে বাংলাদেশ, আর মৃতের সংখ্যায় রয়েছে ৩৯তম অবস্থানে।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

আরও খবর

Copyright JaiJaiDin ©2021

Design and developed by Orangebd


উপরে