সাংসদ একরামসহ ৯৬ জনের বিরুদ্ধে কাদের মির্জার জিডি

সাংসদ একরামসহ ৯৬ জনের বিরুদ্ধে কাদের মির্জার জিডি

নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আ'লীগের সাধারণ সম্পাদক একরামুল করিম চৌধুরীসহ ৯৬ জনের বিরুদ্ধে কোম্পানীগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্র্জা।

বৃহস্পতিবার ১০ জুন রাত ১১টায় আবদুল কাদের মির্জার দায়ের করা হত্যা, গুম ও হামলার আশঙ্কা করার অভিযোগটি নোয়াখালী কোম্পানীগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। জিডি নম্বর-৫৪৬।

মির্জা কাদের জিডিতে উলেস্নখ করেন, এমপি একরাম চৌধুরী, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদল, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আ'লীগের সভাপতি খিজির হায়াত খান, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আজম পাশা চৌধুরী রুমেলসহ তার ৩ ভাগিনা মাহবুব রশিদ মঞ্জু, ফখরুল ইসলাম রাহাত ও সালেকিন রিমন দেশের মধ্যে তাকে হত্যার পরিকল্পনা করছে। এছাড়া আমেরিকাতে কেন্দ্রীয় যুবলীগ সদস্য নুরুল করিম জুয়েল তার শ্বশুর আল-আমিন আমেরিকান প্রবাসী সেলিম চৌধুরী (সাবেক ভিপি) বাবুল, শাহাব উদ্দিন, শাহ জাহান ছোটনসহ (সাবেক জিএস)সহ অনেকে তাকে হত্যা করে লাশ গুমের পরিকল্পনা করছেন। এতে তিনি ৯৬ জনের নাম উলেস্নখ ও ২০-২৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করেন।

অভিযোগে মির্জা কাদের আরও জানান, গত শনিবার ৫ জুন আমেরিকার সময় রাত ১০টায় ও পরদিন রোববার ৬ জুন বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টায় সাংসদ একরামের কবিরহাটের বাড়ি ও আমেরিকায় আল-আমিনের ম্যাকডোনাল্ডের বাড়িতে বিবাদীরা বৈঠক করে তাকে (আবদুল কাদের মির্জা) হত্যা করে লাশ গুমের পরিকল্পনা করেন। এছাড়া বুধবার ৯ জুন সন্ধ্যায় তার ভাগিনা মাহবুব রশিদ মঞ্জু বসুরহাট পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের বাসায় বৈঠক করে তার নেতাকর্মীদের ওপর হামলা ও তার পরিষদের কাউন্সিলরদের মাধ্যমে অনাস্থা দিয়ে আমাকে পদ থেকে সরানোর ষড়যন্ত্র করছেন বলেও উলেস্নখ করেন আবদুল কাদের মির্জা।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ এর সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মেয়র আবদুল কাদের মির্জার দায়ের করার অভিযোগটি সাধারণ ডায়েরীভুক্ত করা হয়েছে। আদালতের অনুমতি নিয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ ব্যাপারে নোয়াখালী-৪ আসনের এমপি একরামুল করিম চৌধুরী জানান, 'আমি সে সময় বাড়িতে ছিলাম না। তাছাড়া আমার বাড়িতে এ ধরনের কোনো বৈঠকই হয়নি। তিনি (মির্জা কাদের) যে অভিযোগগুলো আমার বিরুদ্ধে করেছেন তার সাথে আমি সম্পৃক্ত নয়।'

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আ'লীগের মুখপাত্র ও তার ভাগিনা মাহবুব রশিদ মঞ্জু বুধবার ৯ জুন সন্ধ্যায় তার বাসায় আ'লীগের সভার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, ওই সভায় কাউকে হত্যা বা গুম করার পরিকল্পনা হয়নি। এমনকি কাউকে হামলা বা পদ থেকে সরানোর পরিকল্পনাও হয়নি। সেখানে দলীয় কর্মকান্ডকে গতিশীল করার লক্ষ্যে আলোচনা হয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

আরও খবর

Copyright JaiJaiDin ©2021

Design and developed by Orangebd


উপরে