পুলিশ সপ্তাহের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী

দায়িত্বশীল পুলিশ চাই

এ দেশকে উন্নত-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তুলতে পুলিশ বাহিনী যথাযথ ভূমিকা রেখে যাচ্ছে
দায়িত্বশীল পুলিশ চাই
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রোববার গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ঢাকায় রাজারবাগ পুলিশ লাইনে 'পুলিশ সপ্তাহ ২০২২'-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন -ফোকাস বাংলা

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের নির্মম হত্যাকান্ডের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, 'যখন খুনিরা ধানমন্ডির আমাদের বাড়িতে আক্রমণ করে চলে যায়, তখন রমনা থানা থেকে পুলিশই প্রথম এগিয়ে এসেছিল। ওইসব পুলিশ সদস্যরা হতাহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। যার ফলে আমার ফুফু গুলি খেয়ে পঙ্গু অবস্থায়ও বেঁচে থাকেন। আমার ফুফাতো দুই বোন এবং ভাই তারা গুলি খেয়েও বেঁচে থাকে, শুধু পুলিশের এই সাহসী ভূমিকার জন্য। তাই আমি তাদেরকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।'

পুলিশ সপ্তাহ ২০২২ উপলক্ষে রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন। রোববার প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি এ অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সময়ে পুলিশ বিভাগের দায়িত্বশীলতার কথা তুলে ধরে প্র্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আমরা দায়িত্বশীল পুলিশ চাই। পুলিশ অতীতেও যেমন দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়েছে, ভবিষ্যতেও তেমন দায়িত্বশীলভাবে কাজ করবে এমন বিশ্বাস রাখি।'

তিনি বলেন, আমাদের বাসায় যখন আক্রমণ চালায়, তখন এসবি'র (পুলিশের বিশেষ শাখা) এএসপি ছিলেন সিদ্দিকুর রহমান। খুনিরা যখন দোতলায় যেতে চায় তখন সাহসিকতার সঙ্গে তিনি বাধা দিয়েছিলেন। তাকেও গুলি করে হত্যা করা হয় এবং আরও যারা ছিলেন তারাও গুলিতে আহত হন। আমি তাদেরকেও স্মরণ করি।

সরাসরি অনুষ্ঠানে উপস্থিত না হতে পেরে দুঃখ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দৃষ্টিনন্দন সুশৃঙ্খল প্যারেড দেখে আমি মুগ্ধ। প্যারেডে অংশগ্রহণকারী সবাইকেই আমি অভিবাদন জানাচ্ছি। শুধু তাই নয়, এ দেশকে উন্নত-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তুলতে পুলিশ বাহিনী যথাযথ ভূমিকা রেখে যাচ্ছে।'

প্রধানমন্ত্রী পুলিশ বাহিনীর ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, 'দেশ স্বাধীন হওয়ার পর জাতির পিতা যখন দায়িত্ব নিলেন, তখন তিনি চেয়েছিলেন দেশের প্রতিটি প্রতিষ্ঠান উন্নত ও সমৃদ্ধশালী হোক। এটিও একটি

বাস্তবতা ছিল যে, যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ, রিজার্ভ নেই, কারেন্সি নেই, যুদ্ধকালীন সময় কোনো ফসল হয়নি, যে কারণে অনেক কিছু চাইলেও পুরোপুরি তিনি তা করতে পারেননি। তবে তার আন্তরিকতার কোনো কমতি ছিল না। জাতির পিতার আন্তরিকতা আর দৃঢ় মনোবলের কারণেই মাত্র সাড়ে তিন বছরে বিধ্বস্ত বাংলাদেশের উন্নতি করে বাঙালি জাতিকে স্বাধীন জাতিসত্তার পরিচয় দিয়ে এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন সাধন করা সম্ভব হয়েছিল। তিনি বিধ্বস্ত বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করেছিলেন।'

প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'বঙ্গবন্ধু পুলিশের বেতন ও রেশন বাড়িয়েছেন। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী সারাদেশে গণহত্যা চালানোর পাশাপাশি পুলিশের বিভিন্ন স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিয়েছিল। সেগুলোও তিনি মেরামত করেন। কোনো কোনোটির পুনঃস্থাপনও করতে হয়েছে। বঙ্গবন্ধুই প্রথম পুলিশ বাহিনীতে নারীদের চাকরি করার সুযোগ করে দেন। আমাদের দুর্ভাগ্য অর্থনৈতিক উন্নয়নের যে গতি সূচিত হয়েছিল তা জাতির পিতা সফল করে যেতে পারেননি।'

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির জন্য একটি কালো দিবস উলেস্নখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'সেদিন ঘাতকের নির্মম বুলেটের আঘাতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি আমার পিতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে হত্যা করা হয়, হত্যা করা হয় আমার মা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব এবং আমার তিন ভাইকে। আমি ও আমার ছোট বোন শেখ রেহানা বিদেশে থাকার কারণে বেঁচে আছি। রিফিউজি হয়ে থাকতে হয়েছিল। ১৯৮১ সালে আওয়ামী লীগ যখন আমাকে সভাপতি নির্বাচিত করে আমি তখন প্রতিকূল অবস্থার মধ্যেও দেশে ফিরে আসি। একদিকে খুনিরা, আরেক দিকে যুদ্ধাপরাধীরা ছিল ক্ষমতায়। তারপরেও দেশ ও মানুষ ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য এবং দেশে গণতান্ত্রিক ধারা ফিরিয়ে আনার জন্য আমি দেশে ফিরে এসেছি। দেশকে উন্নত সমৃদ্ধ হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করে যাচ্ছি।'

প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আমরা ক্ষমতা লাভের পর দেখলাম পুলিশের বাজেট ছিল অত্যন্ত কম। মাত্র চারশ' কোটি টাকার মতো। সেটাকে আমরা আটশ' কোটি টাকা করে দিয়েছি। পুলিশের বাজেট যেমন বৃদ্ধি করেছি, তেমনি প্রতিষ্ঠা করেছি পুলিশ স্টাফ কলেজ। চালু করেছি ঝুঁকি ভাতা। দেশে ২৫টি থানা, ৮৬টি তদন্ত কেন্দ্র, ৫৮টি হাইওয়ে ফাঁড়ি, ১০০টি পুলিশ ক্যাম্প ও ১০টি পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন করেছি। কমিউনিটি পুলিশ গঠন করে জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করার ব্যবস্থা করেছি।'

শেখ হাসিনা বলেন, '২০০৮ সালের নির্বাচনে জয়লাভ করে ২০০৯ সালে যখন আবার সরকার গঠন করি, তখন পুলিশের বেতন-ভাতা যেমন বৃদ্ধি করেছি, সেইসঙ্গে পুলিশের সাংগঠনিক কাঠামোও পরিবর্ধন করেছি। সৃষ্টি করেছি ৮২ হাজার ৫৮টি নতুন পদ। ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ, টু্যরিস্ট পুলিশ, নৌ-পুলিশ, পিবিআই, অ্যান্টি টেররিজম ইউনিট, কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট, রংপুর ও ময়মনসিংহ রেঞ্জ এবং রংপুর ও গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ ইউনিট গঠন করেছি। সিআইডিতে সাইবার পুলিশ সেন্টার গড়ে তুলেছি।'

প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আমরা দু'টি সিকিউরিটি অ্যান্ড প্রটেকশন ব্যাটালিয়ন (এসপিবিএন), এয়ারপোর্টে একটি আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন), কক্সবাজার আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন,র্ যাবের জন্য ৩টি ব্যাটালিয়ন, ৩০০টি ইনসার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার, ৬২টি থানা, ৯৫টি তদন্ত কেন্দ্র এবং জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ গঠন করেছি। জরাজীর্ণ থানাগুলো নতুনভাবে গঠন করা হয়েছে। যাতে পুলিশ সুন্দরভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করতে পারে।'

পুলিশ বিভাগে সরকারের নেওয়া নানা পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'স্বাধীনতার পর আইজিপিরর্ যাংক যেটা জাতির পিতা দিয়েছিলেন, অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারী সামরিক শাসকরা কেড়ে নিয়েছিল আমরা পুনরায় আইজিপিরর্ যাংক ব্যাজ প্রবর্তন করেছি। গ্রেড ১-২টি, গ্রেড ২-১১টি, ডিআইজি-৫২টি, অতিরিক্ত ডিআইজি-১৫৯টি, পুলিশ সুপার-৪০২টি, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার-৮০০টি পদ নতুনভাবে সৃষ্টি করেছি। ২১৫টি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদকে পুলিশ সুপার (এসপি) পদে, ২০৩টি সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার পদকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদে, এসআই ও সার্জেন্ট পদকে ৩য় শ্রেণি হতে দ্বিতীয় শ্রেণিতে, ইন্সপেক্টর পদকে দ্বিতীয় শ্রেণি থেকে প্রথম শ্রেণির নন ক্যাডার পদে উন্নীত করেছি।'

তিনি বলেন, 'সংশোধিত নিয়োগ বিধিমালার আলোকে স্বচ্ছতার সঙ্গে ৩ হাজারের অধিক কনস্টেবল নিয়োগ করেছি। আকাশ পথে সক্ষমতা অর্জনের লক্ষ্যে বাহিনীটির জন্য ২টি হেলিকপ্টার ক্রয় করা প্রক্রিয়াধীন আছে। ২২টি নতুন ব্যারাক, ১০০টি অ্যাকাডেমি ভবন, বিভিন্ন ইউনিটের জন্য ১৪৪টি আবাসিক ফ্ল্যাট নির্মাণ, ৬০টি প্রশাসনিক ভবন নির্মাণ সম্প্রসারণ রাজস্ব বাজেট থেকে ৭২টি থানা নির্মাণ, ২৮টি ফাঁড়ি, ১৫টি তদন্ত কেন্দ্র, ৩৩৭টি থানার হেল্প ডেস্ক, ৪৫টি হাইওয়ে আউট পোস্ট ভবন সম্প্রসারণ, উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ২১১টি আধুনিক থানা ভবন নির্মাণ, ৯৫টি থানা মডেল থানায় উন্নীতকরণ, ২১টি ব্যারাক ভবন, ৬০টি তদন্ত কেন্দ্র নির্মাণ করেছি।'

প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'অপরাধ তদন্তের জন্য অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সন্নিবেশ ঘটানো হয়েছে। এখন পুলিশ বাহিনী প্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন বাহিনীতে উন্নীত হয়েছে। শতভাগ রেশন ব্যবস্থা করেছি। চাকরিরত অবস্থায় কেউ মারা গেলে বা গুরুতর আহত হলে তাদের জন্য আর্থিক অনুদান বাড়ানো হয়েছে। রাজারবাগে ১০ তলা ভবন করে সেখানে পুলিশের জন্য আলাদা হাসপাতাল করে দেওয়া হয়েছে। তাছাড়া বিভিন্ন এলাকাভিত্তিক হাসপাতাল করার পরিকল্পনা আছে।'

পুলিশ সদস্যদের দক্ষতা বাড়ানোর জন্য প্রতি বছরেই বাধ্যতামূলক ইনসার্ভিস ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থার কথা উলেস্নখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'নতুন যুগোপযোগী ট্রেনিং মডিউল প্রণয়ন, ট্রেনিং মডিউলের মাধ্যমে মানবাধিকার সংরক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছি। বৈদেশিক প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রও বৃদ্ধি করেছি। জরুরি জাতীয় সেবা ৯৯৯ নম্বরের মাধ্যমে আজকে পুলিশ বাহিনী দ্রম্নত মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারছে। যেটা মানুষের ভেতরে একটা আস্থা-বিশ্বাস সৃষ্টি করেছে। পুলিশের প্রতি মানুষের বিশ্বাসও বেড়েছে। আমি মনে করি যে, এ ক্ষেত্রে পুলিশ যথাযথ ভূমিকা রাখছে। তা ছাড়াও যেসব রোহিঙ্গাকে আমরা আশ্রয় দিয়েছি, সেই রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সর্বক্ষণ তারা দায়িত্ব পালন করছে।'

এর আগে পুলিশ বাহিনীর প্রতিটি ইউনিটির তরফ থেকে গঠিত সুদৃশ্য প্যারেড দল প্রধানমন্ত্রীকে অভিবাদন ও সালাম জানান। এবারের প্যারেডে নতুন সংযোজন ছিল সোয়াট ও ডগ স্কোয়াড। করোনা পরিস্থিতির কারণে অনুষ্ঠানে আগত অতিথির সংখ্যা কিছু কম ছিল। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে প্যারেড পরিদর্শন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এমপি। তার সঙ্গে ছিলেন পুলিশ মহাপরিদর্শক ডক্টর বেনজীর আহমেদ।

এরপর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর্ যাব-৪ এ কর্মরত থাকা অবস্থায় নিহত সার্জেন্ট মোহাম্মদ খায়রুল ইসলাম, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশে কর্মরত থাকা অবস্থায় নিহত কনস্টেবল মো. মনিরুল ইসলাম, নারায়ণগঞ্জের গজারিয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত অবস্থায় নিহত মো. কবির হোসেন,র্ যাব-১ কর্মরত অবস্থায় নিহত কনস্টেবল মো. ইদ্রিস আলী ও কুমিলস্না হাইওয়ে পুলিশে কর্মরত অবস্থায় নিহত কনস্টেবল মো. রাব্বি ভূঁইয়াকে মরণোত্তর বাংলাদেশ পুলিশ পদকে (বিপিএম) ভূষিত করেন। নিহতদের পক্ষে যার যার স্ত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছ থেকে পদক গ্রহণ করেন।

এরপর মন্ত্রীর্ যাব মহাপরিচালক (অতিরিক্ত আইজিপি) চৌধুরী আব্দুলস্নাহ আল-মামুন, ডিএমপি ডিবির তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনার ওয়াহিদুল ইসলাম, সিটিটিসির স্পেশাল অ্যাকশন গ্রম্নপের উপ-কমিশনার আব্দুল মান্নান, বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আলী হায়দার চৌধুরী, কক্সবাজারের উখিয়া সার্কেলের ৮ এপিবিএন-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খন্দকার আশফাকুজ্জামান, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের পরিদর্শক হোসনে আরা খানম, নড়াইলের কালিয়া থানার ওসি পুলিশ পরিদর্শক শেখ কনি মিয়া ও কুমিলস্নার মুরাদনগর থানার এসআই হামিদুল ইসলামকে বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম) পরিয়ে দেন। করোনাভাইরাসের কারণে পদক পরিয়ে দেওয়ার অনুষ্ঠানও সংক্ষিপ্ত করা হয়। এ সময় জানানো হয়, পদকপ্রাপ্তদের পরে পুলিশ মহাপরিদর্শকসহ ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা পদক পরিয়ে দিবেন। এদিকে নানা সাজে সজ্জিত বাদক দলের মনোজ্ঞ কুচকাওয়াজের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হয়।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

আরও খবর

সকল ফিচার

ক্যাম্পাস
তারার মেলা
সাহিত্য
সুস্বাস্থ্য
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
জেজেডি ফ্রেন্ডস ফোরাম
নন্দিনী
আইন ও বিচার
হাট্টি মা টিম টিম
কৃষি ও সম্ভাবনা
রঙ বেরঙ

Copyright JaiJaiDin ©2022

Design and developed by Orangebd


উপরে