এবার উদ্ধার প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের গাড়ি

প্রকাশ | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০০:০০

যাযাদি রিপোর্ট
সোমবার প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তার দখলে থাকা একটি প্রাডো জিপ উদ্ধার করে দুদক
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অভিযানে প্রথমদিন ডিপিডিসির (ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি) সিবিএ সাধারণ সম্পাদকের ব্যবহার করা সবুজ পাজেরো উদ্ধার হয়। পরের দিন উদ্ধার হয় ডিপিডিসি সভাপতির ব্যবহৃত সাদা পাজেরো। এরপর একটি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি দুদক আতঙ্কে ফেলে যান তার ব্যবহৃত পাজেরো। আর সোমবার বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তার অবৈধ দখলে থাকা একটি প্রাডো জিপ উদ্ধার করা হলো। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক ডা. মাহবুবুল হক প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়া সত্ত্বেও গত ৮ মাস ধরে প্রকল্প পরিচালকের (চউ) সরকারি এ গাড়ি ব্যবহার করছিলেন। দুদক উপপরিচালক প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য বলেন, কেন্দ্রে আসা অভিযোগের ভিত্তিতে দুদক মহাপরিচালক মোহাম্মাদ মুনীর চৌধুরীর নির্দেশে দুপুরে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর উদ্ধার করা সাদা রংয়ের প্রাডো (ঢাকা মেট্রো-ঘ-১১-৩৫৫৮) দুদক প্রধান কার্যালয়ের সামনে আনা হয়। দুদকের কাছে ওই গাড়ির চালকের উপস্থাপিত তথ্যে জানা যায়, ২০১৮ সালের জুন মাসে 'হাঁস প্রজনন প্রকল্প' নামক প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়। অথচ ওই প্রকল্পের পরিচালক ডা. মাহবুবুল হক গত ৮ মাস ধরে অবৈধভাবে গাড়িটি ব্যবহার করে আসছিলেন। গাড়ি চালকের বেতন ও ওভারটাইম বাবদ মাসে রাষ্ট্রের প্রায় ৫০ হাজার টাকা অতিরিক্ত ব্যয় করা হয়েছে। প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহের পর গাড়িটি অধিদপ্তর কর্তৃপক্ষের কাছে ফেরত দেয়া হয়। এ প্রসঙ্গে দুদক মহাপরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মাদ মুনীর চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, রাষ্ট্রীয় সম্পদের এ অবৈধ ব্যবহার ক্ষমতার অপব্যবহারের শামিল, যা প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসনের পরিপন্থী। দুদক সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করছে।