শাহজাদপুরের নিষিদ্ধ কারেন্ট জালে বাজার সয়লাব

নিধন হচ্ছে পোনা মাছ
শাহজাদপুরের নিষিদ্ধ কারেন্ট জালে বাজার সয়লাব

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের হাট-বাজার নিষিদ্ধ কারেন্ট জালে সয়লাব হয়ে গেছে। শাহজাদপুরে খাল-বিল নদীনালা বন্যার পানিতে পস্নাবিত হওয়ায় এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী নিষিদ্ধ কারেন্ট জালের জমজমাট ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন।

শুক্রবার বিকেলে সরজমিনে দেখা যায়, উপজেলার যমুনা তীরের কৈজুরীহাটে কারেন্ট জালের বিশাল পসরা সাজিয়ে বসেছেন ব্যবসায়ীরা। বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত মৎস্য শিকারিরা এ জাল দেদার কিনছেন। এছাড়াও শনিবার জামিরতা ও রোববার পোরজনা হাটে নিষিদ্ধ এ জালের রমরমা ব্যবসা চলে। এছাড়াও উপজেলার তালগাছী, খুকনী, বেলতৈল, বেনুটিয়া, কাশিপুর, রতনকান্দীবটতলা, ডায়া, বর্নিয়া হাটসহ বেশ কয়েকটি হাটে এ নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল বিক্রি হয়ে থাকে। এর ফলে উপজেলার খালবিলে নদীনালার ছোট প্রজাতির মাছ বিলুপ্ত হতে চলেছে। কারেন্ট জালে সব ধরনের মাছ বেশি ধরা পড়ায় এলাকার মৎস্য শিকারিরা এ জাল কিনছেন। বর্ষার শুরু থেকে জাল ব্যবহার করে জেলেরা বিভিন্ন নদী ও খাল-বিলে দেশি প্রজাতির ডিমওয়ালা ও পোনা মাছ নিধন করছে। ২০০২ সালের সংশোধিত মৎস্য সংরক্ষণ আইনে কারেন্ট জাল উৎপাদন, পরিবহণ, রাজারজাতকরণ, সংরক্ষণ ও ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়।

কিন্তু এ আইনটি মানছে না এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ীরা। নিষিদ্ধ এই কারেন্ট জালে ব্যাঙ, সাপ, কুচিয়াসহ বিভিন্ন প্রজাতির জলজ প্রাণীর মৃতু্য ঘটছে। স্থানীয় হাটবাজারগুলোও প্রশাসনের নাকের ডগায় আইনকে বৃদ্ধাঙ্গলী দেখিয়ে অবাধে নিষিদ্ধ এসব কারেন্ট জাল বিক্রি হলেও যেন দেখার কেউ নেই। ফলে প্রশাসনের নজরদারির অভাবে নিষিদ্ধ এ কারেন্ট জালের রমরমা ব্যবসা চলছে বলে জানায় সচেতন মহল।

এ বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সাথী রানী নিয়োগী বলেন, 'আমরা ইতোমধ্যেই বেশ কয়েকটি স্থানে অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ জাল উদ্ধার করে পুড়িয়ে ফেলেছি। আমাদের অভিযান চলমান আছে, হাট-বাজারে শিগগিরই অভিযান পরিচালনা করব।'

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

আরও খবর

Copyright JaiJaiDin ©2022

Design and developed by Orangebd


উপরে