তিন জেলায় চার লাশ উদ্ধার

তিন জেলায় চার লাশ উদ্ধার

তিন জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় চার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বাগেরহাট, কুমিলস্না ও হবিগঞ্জ থেকে এ লাশ উদ্ধার করা হয়। প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর -

ফকিরহাট (বাগেরহাট) প্রতিনিধি জানান, বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার পশ্চিম বাহিরদিয়া গ্রামে বড়ভাইয়ের মারপিটে আহত ছোট ভাই আবু জাফর (৩৫) খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। মঙ্গলবার তিনি মারা যান বলে পরিবার জানিয়েছেন। বুধবার তার ময়নাতদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে মৃতদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এদিকে দুই ভাইয়ের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় গত ৩ জুলাই উভয় পক্ষ ফকিরহাট মডেল থানায় পাল্টাপাল্টি মামলা দায়ের করেন।

উভয় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বাহিরদিয়া পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ এসআই শুভজিৎ পাল বলেন, দুই ভাইয়ের মধ্যে জমাজমি সংক্রান্ত সংঘর্ষের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলা তদন্তাধীন রয়েছে। এর মধ্যে আহত আবু জাফর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। আসামিকে আটকের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

অন্যদিকে বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার আট্টাকা গ্রামে দিপু খান (২০) নামের এক পিকআপচালক আত্মহত্যা করছে। বুধবার ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ওড়না দিয়ে ফাঁস নেওয়া অবস্থায় দেখতে পেয়ে পরিবারের লোকজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেস্নক্সে নিয়ে আসে। সেখানে উপস্থিত কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

খবর পেয়ে ফকিরহাট মডেল থানা পুলিশ হাসপাতালে উপস্থিত হয়ে প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে মৃতদেহ উদ্ধার করে। তবে সে কী কারণে আত্মহত্যা করেছে তা এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বিস্তারিত জানা যায়নি। দিপু খান আট্টাকা গ্রামের আব্দুলস্নাহ খানের ছেলে।

চৌদ্দগ্রাম (কুমিলস্না) প্রতিনিধি জানান, কুমিলস্নার চৌদ্দগ্রামে মোবাইল কেনাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট সংঘর্ষে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে আবদুর রউফ নয়ন (৩৮) নামের এক রাজমিস্ত্রির হেলপার খুন হয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার উপজেলার জগন্নাথদীঘি ইউনিয়নের নোয়াগ্রামে। নিহত নয়ন একই গ্রামের মৃত আবদুল গফুরের ছেলে। তার তিন ছেলে ও ৯ মাস বয়সি এক কন্যা সন্তান রয়েছে। বুধবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শুভ রঞ্জন চাকমা।

এ ব্যাপারে চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শুভ রঞ্জন চাকমা বলেন, 'সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন রযেছে। অপরাধীকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে'।

নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি জানান, নবীগঞ্জের আইয়ুব আলীর (৪৮) কার্টনে ভর্তি মৃতদেহ উদ্ধার করেছেন মৌলভীবাজার পুলিশ। এ ব্যাপারে মৌলভীবাজার সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহত আইয়ুব আলী নবীগঞ্জ সদর ইউনিয়নের দত্তগ্রামের মৃত আয়ান মিয়ার ছেলে।

মৌলভী বাজার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৫ জুলাই গভীর রাতে মৌলভীবাজার পুলিশ ১নং খলিলপুর ইউনিয়নের খঞ্জনপুর এলাকায় জাহাঙ্গীর আলমের দোকান ইমাদ ভেরাটিজ স্টোরের সামনে থেকে কার্টন ভর্তি অজ্ঞাতনামা হিসেবে মৃতদেহ উদ্ধার করেন। এ কার্টনে নবীগঞ্জ লেখা ছিল বলে সূত্রে জানা গেছে। পরে মৃতের ছবি পিবিআই মৌলভীবাজার ফেসবুক আইডি থেকে আপলোড করা হলে মৃতের আত্মীয় সৌদি আরব থেকে যোগাযোগ করেন। পরে দত্তগ্রামের স্থানীয় মেম্বারসহ মৃতের পরিবারের লোকজন মৌলভীবাজার থানায় উপস্থিত হয়ে আইয়ুব আলীর মৃতদেহ হিসেবে শনাক্ত করেন। ধারণা করা হচ্ছে আইয়ুব আলীকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে কার্টনে প্যাকেট করে উলিস্নখিত স্থানে ফেলে রাখা হয়।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

আরও খবর

Copyright JaiJaiDin ©2022

Design and developed by Orangebd


উপরে