বুধবার, ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ২৪ মাঘ ১৪২৯
walton1

নীলফামারীতে স্কুলছাত্রী ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় একজনের মৃতু্যদন্ড

লক্ষ্ণীপুরে শ্বাসরোধে হত্যার দায়ে তিন বন্ধুর যাবজ্জীবন
ম স্টাফ রিপোর্টার, নীলফামারী ও জলঢাকা প্রতিনিধি
  ২৭ অক্টোবর ২০২২, ০০:০০
নীলফামারীতে অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী ইতি আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার মামলায় মাহমুদার রহমান (৩৭) নামের এক ব্যক্তিকে মৃতু্যদন্ড ও দেড় লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বুধবার নীলফামারীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ ট্রাইবু্যনাল-১ এর বিচারক জ্যেষ্ঠ জেলা ও দায়রা জজ মো. মনসুর আলম ওই দন্ডাদেশ দেন। তবে দন্ডপ্রাপ্ত আসামি ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন। মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৯ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর জলঢাকার মাথাভাঙা গ্রামের রাবেয়া মহিলা ডিগ্রি কলেজসংলগ্ন এলাকায় স্কুলছাত্রী ইতিকে ধর্ষণের পর হত্যা করেন মাহমুদার রহমান। মাহমুদার একই উপজেলার দুন্দিবাড়ি গ্রামের আফান উদ্দিনের ছেলে। ঘটনার পরদিন ভুক্তভোগীর বাবা ইয়াকুব আলী বাদী হয়ে থানায় ধর্ষণ ও হত্যা মামলা করেন। দীর্ঘ ১৩ বছরে ১৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালতের বিচারক এই দন্ডাদেশ দেন। মামলায় সরকার পক্ষের আইনজীবী ছিলেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ আদালতের বিশেষ পিপি রমেন্দ্র বর্ধন বাপ্পী। মামলার রায় শুনে ইতির মা হাসনা বেগম (৬৫) বলেন, 'ওর বাবা বেঁচে থাকলে অনেক খুশি হতেন। এখন আমরা চাই, দ্রম্নত আসামির ফাঁসির রায় কার্যকর হোক।' লক্ষ্ণীপুর প্রতিনিধি জানান, লক্ষ্ণীপুরে নেশা জাতীয় দ্রব্য খাইয়ে অচেতন করার পর গলায় বেল্ট পেঁচিয়ে মেহেরাজ হোসেন নামে এক যুবককে হত্যার ঘটনায় তিন বন্ধুর যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা ও অনাদায়ে আরও ১ বছর করে কারাদন্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ রহিবুল ইসলাম এ রায় দেন। লক্ষ্ণীপুর জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) জসিম উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন নোয়াখালীর সুধারাম থানার উত্তর হুগলি গ্রামের মো. ইউছুফের ছেলে আবদুলস্নাহ আল মামুন, একই থানাধীন মাতাহাপুর গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে সজিব আহম্মদ ও রাওয়াল দিয়া গ্রামের সহিদুল ইসলামের ছেলে তানভীর হোসেন বিজয়। এজাহার সূত্র জানায়, মামুনের সঙ্গে নোয়াখালী সদর উপজেলার মুন্সি তালুক এলাকার বৃষ্টি নামে এক মেয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ভিকটিম মেহেরাজও ওই মেয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলতে চেষ্টা করায় মামুন ২০১৯ সালে তালুক গ্রামে একটি ধান ক্ষেতের পাশে নেশা জাতীয় ওষুধ খাওয়ার পরে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে মেহেরাজকে। পরে মরদেহ বস্তাবন্দি করে লক্ষ্ণীপুরের চন্দ্রগঞ্জ থানাধীন সৈয়দপুর গ্রামের টক্কারপুল এলাকায় ব্রিজের নিচে ফেলে দেয়।
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

উপরে