সোমবার, ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ২৩ মাঘ ১৪২৯
walton1

বিভিন্ন দাবি ও প্রতিবাদে তিন জেলায় মানববন্ধন

স্বদেশ ডেস্ক
  ২৫ জানুয়ারি ২০২৩, ০০:০০
জামালপুরের বকশীগঞ্জে নিলাখিয়া আর.জে পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকের দুর্নীতির অভিযোগে ও তার অপসারণ দাবিতে অভিভাবকদের মানববন্ধন -যাযাদি
বিভিন্ন দাবি ও প্রতিবাদে তিন জেলায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। ঝিনাইদহ, পাবনা ও জামালপুরের বকশীগঞ্জে এসব মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর- ঝিনাইদহ প্রতিনিধি জানান, ঝিনাইদহে এক্সপ্রেস জোনের কার্যক্রম বন্ধের দাবিতে রং-মিস্ত্রিদের মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে শহরের পোস্ট অফিস মোড়ে এই মানববন্ধনের আয়োজন করে জেলা রং-মিস্ত্রি শ্রমিক ইউনিয়ন। এতে জেলার কয়েকশ' রং-মিস্ত্রি ব্যানার, ফেস্টুন, লিফলেট নিয়ে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধনে অংশ নেন। এ সময় জেলা রং-মিস্ত্রি শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মিজানুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ আলী কাজল, সহ-সভাপতি জাকিরুল ইসলাম বাবু, যুগ্ম-সম্পাদক আব্দুর রহিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মনোয়ার হোসেন, সদস্য বাবু মিয়াসহ অন্যরা বক্তব্য রাখেন। পাবনা প্রতিনিধি জানান, পাবনা জেলা ব্যাটারিচালিত অটোবাইক মালিক ও চালক সমিতির নামে সাধারণ চালকদের কাছ থেকে অবৈধ চাঁদা আদায়ের প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে সাধারণ চালকরা। মঙ্গলবার শহরের মুজাহিদ ক্লাব মোড়ে সাধারণ অটোচালকরা এই প্রতিবাদ করেন। অটোবাইক চালকরা বলেন, পৌর এলাকায় যানজট নিরসনে পৌরসভার নিবন্ধিত অটোবাইক লাল ও হলুদ রং করে প্রতি চালকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে এবং প্রতি মাসে ৩০০ টাকা হারে মাসিক চাঁদা আদায়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বর্তমান কমিটি। বিক্ষোভকারীরা এই অবৈধ কমিটি বাতিলের দাবি করেন। তা না হলে আগামীতে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন বিক্ষোভকারীরা। পরে প্রশাসনের আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেন তারা। বকশীগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি জানান, জামালপুরের বকশীগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী নিলাখিয়া আর. জে পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মিরামিড মিয়ার বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগে তার অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন করেছে বিদ্যালয়ের অভিভাবকরা। মঙ্গলবার নিলাখিয়া আর. জে পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ঘণ্টাব্যাপী ওই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন- শিক্ষার্থী অভিভাবক হাবিবুর রহমান, মনির মিয়া, ইউসুফ সরকার প্রমুখ। বক্তারা বলেন, বিদ্যালয়ের গণিত শিক্ষক পিরামিড মিয়া বিদ্যালয়ের বিভিন্ন ফান্ডের অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। তিনি শিক্ষার্থীদের ফেল করানোর হুমকি দিয়ে নিজ বাসায় প্রাইভেট বাণিজ্য করেন। এ ছাড়াও তিনি স্থানীয় হওয়ায় অভিভাবকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা প্রতিবাদ করলে তাদের সঙ্গেও খারাপ আচরণ করেন। তাই তাকে অপসারণ করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন অভিভাবকরা। এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক পিরামিড মিয়া জানান, তাকে বিদ্যালয় থেকে বিতারিত করতে কতিপয় শিক্ষক ও স্থানীয় প্রভাবশালীরা ষড়যন্ত্র করছেন। এ কারণে ভাড়াটে লোকজন দিয়ে তার বিরুদ্ধে মানববন্ধন করানো হয়েছে। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সুজা উদ্দিন জানান, তদন্ত কমিটি গঠন করে অভিযোগ গুলো তদন্ত করা হবে।
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

উপরে