ঈশ্বরদী শহরকে পরিচ্ছন্ন করতে ভাগাড়ে এমপি গালিব

প্রকাশ | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০০:০০

ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি
পাবনার ঈশ্বরদীতে শিশুপার্ক নির্মাণ করতে অরণখোলার হারুখালি মাঠের ময়লার ভাগাড় পরিষ্কার করেন গালিবুর রহমান শরীফ এমপি -যাযাদি
শিশুপার্ক নির্মাণ করতে শহরের প্রবেশদ্বার অরুণখোলার হারুখালী মাঠের ময়লার ভাগাড় পরিষ্কার ও পরিচ্ছন্ন করলেন পাবনা-৪ (ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া) আসনের এমপি গালিবুর রহমান শরীফ। শনিবার উপজেলা ও পৌর ছাত্রলীগের উদ্যোগে 'নিয়েছি শপথ গড়বো দেশ, পরিচ্ছন্ন রাখবো বাংলাদেশ'- স্স্নোগানে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি-২৪ উদ্বোধন করেন এমপি গালিব। এ সময় ঈশ্বরদী পৌর মেয়র ইছাহক আলী মালিথা, প্যানেল মেয়র আবুল হাশেম, উপজেলার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম খান, উপজেলা যুবলীগ সভাপতি শিরহান শরীফ তমাল, পৌর যুবলীগ সভাপতি আলাউদ্দিন বিপস্নব, স্বেচ্ছাসেবক লীগ আহ্বায়ক মাসুদ রানা, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মিলন মলিস্নক তন্ময়, পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি আবির হাসান শৈশবসহ আওয়ামী ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও পৌরসভার অন্যান্য কাউন্সিলর উপস্থিত ছিলেন। জানা যায়, দাশুড়িয়া দিক হতে ঈশ্বরদী শহরের প্রবেশ মুখে ময়লার দুর্গন্ধের ভাগাড়টি ছিল মানুষের কাছে বিষের নিঃশ্বাস। নাক ও মুখ বন্ধ করে জনসাধারণকে করতে হতো চলাচল। ভাগাড়টি হারুখালী মাঠ থেকে ময়লার ভাগাড়টি সরিয়ে নেওয়ার দাবি ছিল দীর্ঘদিনের। সেই দাবির প্রেক্ষাপটে পৌরসভার উদ্যোগে গত বছর ভাগাড়টি সরিয়ে ফেলা হয়। কিন্তু পূর্বের ময়লা ও পলিথিনের নোংরা, অপরিষ্কার থেকেই যায়। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে প্রথম সংসদ অধিবেশন থেকে ফিরেই গালিবুর রহমান শরীফ সেই নোংরা হারুখালী মাঠটি নিজ হাতেই করলেন পরিষ্কার। পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি আবির হাসান শৈশব জানান, হারুখালী মাঠে থাকা দুর্গন্ধ দূর করতে এমপি গালিবুর রহমান শরীফ, মেয়রসহ ছাত্রলীগ, যুবলীগসহ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের নিয়ে নিজ হাতে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন কাজ করেন। যেসব ভাগাড়ের উঁচু নিচু স্থান রোলার করে বালু ফেলা হবে। ঈশ্বরদী পৌর মেয়র ইছাহক আলী মালিথা জানান, 'দীর্ঘদিনের দুর্গন্ধযুক্ত হারুখালী মাঠটি এমপি গালিবুর রহমান শরীফ আমাদের নিয়ে নিজহাতে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করেছেন। দুর্গন্ধযুক্ত হারুখালীর ময়লার ভাগাড়টি দুর্গন্ধহীন হবে। শিশুদের বিনোদনের লক্ষ্যে একটি শিশুপার্ক করার পরিকল্পনা পৌরসভা থেকে গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে এমপি গালিবুর রহমান শরীফের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।