চট্টগ্রামে বিএনপি কাযার্লয়ে ছাত্রদলের ভাঙচুর

প্রকাশ | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০০:০০

যাযাদি ডেস্ক
কমিটি নিয়ে বিরোধের জেরে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপি কাযার্লয়ে আয়োজিত প্রতীকী অনশন কমর্সূচির অনুষ্ঠানে ভাঙচুর করেন ছাত্রদলের পদবঞ্চিত বিক্ষুব্ধ নেতাকমীর্রা Ñযাযাদি
কমিটি নিয়ে বিরোধের জেরে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির কাযার্লয়ে ভাঙচুর করেছে ছাত্রদলের পদবঞ্চিত বিক্ষুব্ধ নেতাকমীর্রা। বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নগরের নিউমাকের্ট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে কেন্দ্র ঘোষিত প্রতীকী অনশন কমর্সূচি পালনের পরপরই এ ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে বলে জানান প্রত্যক্ষদশীর্রা। বিএনপি নেতা মুজিবুর রহমান চেয়ারম্যান জানান, দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের সাবেক আহŸায়ক জসিম উদ্দিন, দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি থেকে অব্যাহতি প্রাপ্ত সিনিয়র সহ-সভাপতি ইকবাল হায়দার এবং পটিয়া থানা ছাত্রদল সভাপতি জমির উদ্দিন মানিকের নেতৃত্বে জেলা বিএনপির কাযার্লয় ভাঙচুর চালানো হয়। স¤প্রতি ঘোষিত দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের কমিটি নিয়ে দু’পক্ষের বিরোধের জেরে পদবঞ্চিত বিক্ষুব্ধ নেতাকমীর্রা এ ভাঙচুর করেন। অভিযোগের ব্যাপারে জানতে চাইলে জমির উদ্দিন বলেন, ‘আমরা তো প্রতীকী অনশনে ছিলাম। এ ধরনের কোনো ঘটনার বিষয়ে আমরা জানি না। আমরা যে প্রতীকী অনুষ্ঠানে ছিলাম, এরকম ভিডিও ও ছবি আছে। কীভাবে আমরা ভাঙচুর চালাব?’ এ বিষয়ে জানতে চাইলে দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শহীদুল আলম শহীদ ও সাধারণ সম্পাদক মহসিনও অস্বীকার করেন। শহীদুল আলম বলেন, ‘আমরা সকাল ১০টা থেকে নতুন ব্রিজ এলাকার মান্নান টাওয়ারের নিচে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে প্রতীকী অনশন নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম। ভাঙচুরের এরকম কোনো ঘটনার বিষয়ে আমরা জানি না। যদি এরকম ঘটেও থাকে তারা হয়তো সন্ত্রাসী।’ কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কমর্কতার্ (ওসি) মো. মহসিন বলেন, এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি। কেউ আমাদের অভিযোগও দেয়নি। এদিকে, ভাঙচুরের খবর পেয়ে দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি জাফরুল ইসলাম চৌধুরী ঘটনাস্থলে গিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, যারা দলীয় কাযার্লয়ে হামলা চালিয়েছে তারা বিএনপির ভেতরে থাকা আওয়ামী দালাল। আমরা তাদের চিহ্নিত করছি, তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।