চাঁদপুর লঞ্চঘাটে মানুষের ঢল

চাঁদপুর লঞ্চঘাটে মানুষের ঢল

গার্মেন্টসহ রপ্তানিমুখী শিল্পকারখানার শ্রমিকদের কর্মস্থলে ফেরার সুবিধার্থে রোববার দুপুর ১২টা পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত লঞ্চ চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সরকার। যে কারণে চাঁদপুর লঞ্চঘাটে ঢাকার কর্মমুখী মানুষের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

এদিকে রোববার চাঁদপুর লঞ্চঘাটে যাত্রীর চাপ থাকলে লঞ্চের সংখ্যা ছিল কম। ফলে অনেক যাত্রীকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লঞ্চঘাটে অপেক্ষা করতে হয়েছে। তবে অন্যবারের তুলনায় লঞ্চঘাটে প্রশাসন ছিল কঠোর অবস্থানে। সকাল থেকে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, বিআইডবিস্নউটিএ, পুলিশ ও কোস্টগার্ড সদস্যরা ঘাটে অবস্থান করেছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঘাট থেকে প্রত্যেকটি লঞ্চ ছেড়ে গেছে বলে জানিয়েছেন লঞ্চ মালিক কর্তৃপক্ষ।

লঞ্চ মালিক প্রতিনিধি বিপস্নব সরকার বলেন, ঘাটে যে সংখ্যক যাত্রী ছিল, সেই অনুযায়ী লঞ্চ ছিল না। স্বাস্থ্যবিধি মেনে যাত্রী ধারণক্ষমতার অর্ধেক যাত্রী নিয়ে ঢাকা ছেড়ে গেছে লঞ্চ। সরকার নির্দেশনা মেনেই ১২টা ২ মিনিট পর্যন্ত লঞ্চ চলাচল করেছে।

এ বিষয়ে চাঁদপুর বিআইডবিস্নউটিএ'র উপপরিচালক কায়সারুল ইসলাম বলেন, শিল্পকারখানার শ্রমিকদের কর্মস্থলে ফেরার সুবিধার্থে স্বাস্থ্যবিধি মেনে লঞ্চ চলেছে।

হুড়োহুড়ি করে আহত ৩০ : এদিকে চাঁদপুর লঞ্চঘাটে হুড়োহুড়ি করে উঠতে গিয়ে অন্তত ৩০ জন যাত্রী আহত হয়েছে। রোববার সকালে ঢাকাগামী এমভি সোনার তরী-২ ও ইমাম হাসান লঞ্চের যাত্রীরা এ ঘটনায় আহত হন। আহতদের অনেকেই চাঁদপুর সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।

জানা গেছে, শিডিউলের বাইরে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা সোনার তরী-২ ও ইমাম হাসান লঞ্চ চাঁদপুর ঘাটে আসা মাত্রই যাত্রীরা হুড়োহুড়ি করে লঞ্চে উঠতে থাকে। এ সময় যাত্রীদের পায়ে পিষ্ট হয়ে ও লঞ্চের ধাক্কায় ৩০ জন যাত্রী আহত হয়।

চাঁদপুর নৌ-থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, সময় কম থাকায় অনেক লঞ্চ ঘাটে আসতে পারেনি। যার কারণে অল্প কিছু লঞ্চ চাঁদপুর-ঢাকা যাতায়াত করেছে। ঢাকার দু'টি লঞ্চ ঘাটে এলে যাত্রীরা ঝুঁকি নিয়ে লঞ্চে ওঠা শুরু করে, যার কারণে কয়েকজন যাত্রী আহত হয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

আরও খবর

Copyright JaiJaiDin ©2021

Design and developed by Orangebd


উপরে