কালশীর ৬০ ফিট খাল হয়ে গেছে ৫ ফিট: মেয়র আতিক

প্রকাশ | ২০ অক্টোবর ২০১৯, ০০:০০ | আপডেট: ২০ অক্টোবর ২০১৯, ১১:৩৪

যাযাদি রিপোর্ট
শনিবার ইউনিভার্সিটি ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সায়েন্সেসের (ইউআইটিএস) শরৎকালীন সেমিস্টারের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন ডিএনসিসি মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম -যাযাদি

রাজধানীর মিরপুরের কালশী খাল দখলদারের কবলে চলে যাওয়ার বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেছেন, কালশীতে এক সময় ৬০ ফিট খাল ছিল। পরে ২০ ফিট হয়ে যায়। বর্তমানে আছে ৫ ফিট। এই খাল গেল কোথায়? শনিবার বেলা ১১টায় ইউনিভার্সিটি ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সায়েন্সেসের (ইউআইটিএস) শরৎকালীন সেমিস্টারের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। মেয়র নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, শিক্ষককে সম্মান, শ্রদ্ধা ও ভক্তি করতে হবে। বড়দের সম্মান, ছোটদের ভালোবাসতে হবে। শিক্ষা-দীক্ষায় সুনাগরিক হয়ে গড়ে উঠতে হবে- এগুলোর বিকল্প নেই। ফুট ওভারব্রিজ ব্যবহার, জেব্রা ক্রসিং দিয়ে পারাপার, সিগনালের লাল বাতি জ্বলে উঠলে থেমে যাওয়া- এসব মানতে হবে। রাস্তায় ময়লায় ফেলা যাবে না। এগুলো নিজে মানতে হবে, অন্যকেও সচেতন করতে হবে। তিনি বলেন, ঢাকায় ১৫টি ফুট ওভারব্রিজে চলন্ত সিঁড়ি লাগানো আছে। প্রগতি সরণিতে ফুট ওভারব্রিজের কাজ এখনো শেষ হয়নি। চলন্ত সিঁড়ি লাগানো হবে। তবে বর্তমানে চলাচলের জন্য চালু আছে। খালকে দেশের সম্পদ উলেস্নখ করে এগুলো মুক্ত রাখার তাগিদ দেন মেয়র। এসময় তিনি বলেন, কালশীতে এক সময় ৬০ ফিট খাল ছিল। পরে ২০ ফিট হয়ে যায়। বর্তমানে আছে ৫ ফিট। এই খাল গেল কোথায়? এলাকাবাসীর অভিযোগ, বৃষ্টির পানিতে সড়ক ডুবে যায়, জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। খাল না থাকলে পানি যাবে কোথায়? বিভিন্ন সময় পরিদর্শন করে দেখা গেছে, এই খাল পেশিশক্তি দখল করে বহুতল ভবন করছে। এরাই সমাজের শত্রু দেশের শত্রু। ইউআইটিএস উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) চেয়ারম্যান ড. সুলতান আহমেদ। প্রধান আলোচক ছিলেন ইউআইটিএসের প্রতিষ্ঠাতা এবং বোর্ড অব ট্রাস্টিজ ও পিএইচপি পরিবারের চেয়ারম্যান সুফি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান। এছাড়াও আলোচক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও ইউআইটিএস বোর্ড অব ট্রাস্টিজের উপদেষ্টা ড. কে এক সাইফুল ইসলাম খান, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ডিন অধ্যাপক ড. মো. মাজহারুল হক, স্কুল অব বিজনেসের ডিন অধ্যাপক ড. সিরাজ উদ্দিন আহমেদ এবং স্কুল অব লিবারেল আর্টস অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্সেসের ডিন ড. আরিফাতুল কিবরিয়া। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক আ ন ম শরীফ। উপস্থিত ছিলেন শিক্ষাবিদ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও অভিভাবকরা।