logo
রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০ ৫ আশ্বিন ১৪২৭

  ক্রীড়া প্রতিবেদক   ০৮ ডিসেম্বর ২০১৯, ০০:০০  

বড় ব্যবধানের জয় চাই বাংলাদেশের

এসএ গেমস ফুটবলে গ্রম্নপের শেষ ম্যাচে আজ স্বাগতিক নেপালের মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব ২৩ ফুটবল দল। দশরথ স্টেডিয়ামে সন্ধ্যা ৫.৪৫ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে ম্যাচটি। এই ম্যাচে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে চায় বাংলাদেশ দল। যদিও বাংলাদেশের স্বর্ণ জয়ের মিশনটা এখন নানান সমীকরণের মারপ্যাচে কঠিন হয়ে গেছে। তাই ফাইনালে খেলতে হলে এখন জামালদের শুধু নেপালকে হারালেই চলবে না সেটি হতে হবে বড় ব্যবধানে। তবে অন্তত একটি পদক নিয়ে দেশে ফিরতে পারলেই খুশি বাংলাদেশের কোচ জেমি ডে।

দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলের অন্যতম পরাশক্তি ভারত ও পাকিস্তান এবারের আসরে নেই। তাই নেপাল, ভুটান, শ্রীলংকা ও মালদ্বীপের মতো দেশের পাশে বাংলাদেশকে ধরা হচ্ছিল টুর্নামেন্টের ফেভারিট হিসেবেই। কিন্তু গ্রম্নপের তিন ম্যাচে সব মিলে বাংলাদেশ সংগ্রহ করেছে মাত্র ৪ পয়েন্ট। সেটিও খুব বেশি গোলের ব্যবধানে নয়। যে কারণে এখন ৯ বছর আগের সোনালি দিন ফিরিয়ে আনতে হলে নিজেদের শেষ ম্যাচে জামাল ভুইয়াদের নেপালের বিপক্ষে জয়ের পাশাপাশি তাকিয়ে থাকতে হবে অন্য দলগুলোর ফলাফলের দিকেও। যদিও এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটান এই তিন দলেরই সম্ভাবনা বেঁচে আছে ফাইনালে খেলার। সোমবার নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে মালদ্বীপকে ২-১ গোলে হারিয়ে দিয়েছে নেপাল। ৩ ম্যাচে তাদের সংগ্রহ ৭ পয়েন্ট। সব মিলে এখন পর্যন্ত নেপাল গোল দিয়েছে ৭টি। হজম করেছে ২টি। তাদের গোলগড় (+৫)। তাই তাদের ফাইনাল একরকম নিশ্চিতই বলা চলে। ভুটান ৩ ম্যাচে সংগহ করেছে ৬ পয়েন্ট। গোলগড় (-২)। সমান ম্যাচে বাংলাদেশের ৪ পয়েন্ট। তারা তিন ম্যাচে গোল দিয়েছে ২টি। রিসিভও করেছে ২টি। তাই তাদের গোলগড় শূন্য। নিজেদের শেষ ম্যাচে ভুটান খেলছে শ্রীলংকার বিপক্ষে। ওই ম্যাচে তারা জিতে গেলে তাদের হবে ৯ পয়েন্ট। ড্র করলে ৭ পয়েন্ট আর হেরে গেলে সুযোগ বাড়বে বাংলাদেশের। আজ নেপালকে হারাতে পারলে ৭ পয়েন্ট হবে বাংলাদেশের। তাই সমীকরণ বলছে ফলাফল যাই হোক ফাইনালে খেলতে হলে বাংলাদেশকে হারাতেই হবে নেপালকে। সংগহ করতে হবে ৭ পয়েন্ট। ভুটান জিতে গেলে বা ড্র করলেও অবশ্যই শেষ ম্যাচে বড় ব্যবধানের জয় লাগবে বাংলাদেশের। কারণ নেপালেরও গোলগড় বেশি। তবে সমীকরণ নিয়ে না ভেবে চাপমুক্ত হয়ে নেপালকে মোকাবেলা করতে চায় বাংলাদেশ দল। স্বাগতিক নেপালকে পরপর দুই দিনে খেলতে হচ্ছে দুটি ম্যাচ। বাংলাদেশকেও এই ঝামেলায় পড়তে হয়েছিল শুরুর দিকে। তবে লংকানদের হারিয়ে দেয়ার পর প্রায় তিন দিনের বিশ্রাম পেয়েছেন জামাল-সুফিলরা। অন্যদিকে আগের দিন মালদ্বীপের সঙ্গে খেলে পরদিনই বাংলাদেশের মুখোমুখি হতে হচ্ছে নেপালকে। যে কারণে ক্লান্ত থাকবে স্বাগতিক দলটি। আর সেই সুযোগটাই কাজে লাগাতে চায় লাল-সবুজরা। দলীয় অধিনায়ক জামাল ভুইয়া বলেন,'শ্রীলংকার বিপক্ষে জিতে দলের সবার আত্মবিশ্বাস বেড়েছে। সবাই জানে নেপাল ম্যাচটা আমাদের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ। তাদের হারাতে পারলে ফাইনালে খেলার সুযোগ থাকছে। নেপাল আজ (শনিবার) একটি ম্যাচ খেলেছে। কাল (আজ) আমাদের সঙ্গে খেলবে। এক ম্যাচ খেলে ওরা ক্লান্ত থাকবে। আমরা সেই সুযোগটা কাজে লাগাতে চাই।'

দলের কোচ জেমি ডেও আশাবাদী ম্যাচ জিততে, 'আমাদের সামনে এখনো সুযোগ আছে। নেপালের বিপক্ষে অবশ্যই জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে চাই। ছেলেরা আগের ম্যাচগুলোতে দুর্দান্ত খেলেছে।'

এর আগে এসএ গেমসে বেশ কয়েকবার মুখোমুখি হয়েছে নেপাল বাংলাদেশ। ১৯৮৪ সালে প্রথম আসরেই ফাইনালে নেপালের কাছে ৪-২ গোলে হেরেছিল লাল-সবুজরা। ১৯৯১ সালে ২-০ গোলে নেপালকে হারিয়ে ব্রোঞ্জ জয়ের পর ১৯৯৯ সালে ফাইনালে ১-০ গোলে হারিয়ে সোনা জিতেছিল বাংলাদেশ দল।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সকল ফিচার

রঙ বেরঙ
উনিশ বিশ
জেজেডি ফ্রেন্ডস ফোরাম
নন্দিনী
আইন ও বিচার
ক্যাম্পাস
হাট্টি মা টিম টিম
তারার মেলা
সাহিত্য
সুস্বাস্থ্য
কৃষি ও সম্ভাবনা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
close

উপরে