logo
রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০ ৫ আশ্বিন ১৪২৭

  ক্রীড়া প্রতিবেদক   ২৭ ডিসেম্বর ২০১৯, ০০:০০  

ঢাকায় ফিরছে বঙ্গবন্ধু বিপিএল

মাহমুদউলস্নাহর ফেরার অপেক্ষা বাড়ছে

বিপিএল যখন ঢাকায় ফিরছে তখন মাহমুদউলস্নাহ রিয়াদকে ছাড়াই পুনরায় মাঠে নামতে হচ্ছে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সদের

মাহমুদউলস্নাহর ফেরার অপেক্ষা বাড়ছে
বঙ্গবন্ধু বিপিএলে দুদিন বিরতি দিয়ে ঢাকায় তৃতীয় পর্বের খেলা শুরু হচ্ছে আজ শুক্রবার। চলবে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। অনুষ্ঠিত হবে মোট আটটি ম্যাচ। সবগুলো ম্যাচের ভেনু্য শেরেবাংলা স্টেডিয়াম। আজ দিনের প্রথম ম্যাচে মোকাবিলা করবে মাহমুদউলস্নাহ রিয়াদ-ইমরুল কায়েসদের চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স ও মাশরাফি বিন মর্তুজা-তামিম ইকবালদের ঢাকা পস্নাটুন। পরের খেলায় মুশফিকুর রহিমদের খুলনা টাইগার্স ও রংপুর রেঞ্জার্স।

বিপিএলের দুই পর্ব শেষ হয়েছে এরই মধ্যে। রাজধানী ঢাকার মিরপুরের শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে গেল ১১ থেকে ১৪ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয় প্রথম পর্ব। এরপর ১৭ থেকে ২৪ ডিসেম্বর দ্বিতীয় পর্বের খেলা গড়িয়েছে বন্দরনগরী চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে।

দ্বিতীয় পর্ব শেষে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে আছে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। ৭ ম্যাচে ৫ জয়ে তাদের অর্জন ১০ পয়েন্ট। ৫ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট নিয়ে তাদের পরেই আছে রাজশাহী রয়্যালস। ৬ ম্যাচে সমান পয়েন্ট নিয়ে নেট রান রেটে পিছিয়ে থাকায় তৃতীয় স্থানে আছে ঢাকা পস্নাটুন।

বিপিএল যখন ঢাকায় ফিরছে তখন মাহমুদউলস্নাহ রিয়াদকে ছাড়াই পুনরায় মাঠে নামতে হচ্ছে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সদের। ভারত থেকে বয়ে আনা হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে বঙ্গবন্ধু বিপিএলের প্রথম দুই ম্যাচে নামতে পারেননি মাহমুদউলস্নাহ রিয়াদ। গ্রেড ওয়ান টিয়ারের সেই চোট কাটিয়ে মাঠে ফিরে খেলেন টানা তিন ম্যাচ। ব্যাটে পান রানও। কিন্তু চট্টগ্রামে ঢাকা পস্নাটুনের বিপক্ষে ঝড়ো ইনিংস খেলতে গিয়ে আবার পড়ে টান। সেই চোট না সারায় খেলেননি পরের দুই ম্যাচ। চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স অধিনায়কের মাঠে ফেরার অপেক্ষা বাড়ছে আরও।

চট্টগ্রাম পর্ব শেষে শুক্রবার শুরু হচ্ছে ঢাকায় আরেক ধাপের খেলা। ঢাকায় এবারের পর্বের প্রথম ম্যাচেই চট্টগ্রামের প্রতিপক্ষ সেই ঢাকা পস্নাটুন। এই ম্যাচে মাহমুদউলস্নাহ থাকছেন না একরকম নিশ্চিত। মঙ্গলবার ঢাকায় এই ধাপের শেষ ম্যাচেও অনিশ্চিত তিনি। ২ জানুয়ারি থেকে খেলা যাবে সিলেটে। সেখানে একটাই ম্যাচ আছে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের। ওই ম্যাচ দিয়েই আবার বিপিএলে ফিরতে পারেন মাহমুদউলস্নাহ।

অনেকগুলো ম্যাচ মিস করলেও মাহমুদউলস্নাহর চোট খুব গুরুতর না। এমআরআই প্রতিবেদনে কোনো খারাপ খবর নেই। কিন্তু সামনেই আছে জাতীয় দলের অনেকগুলো খেলা। ঝুঁকি এড়াতে তাই এই ব্যাটসম্যানকে দেওয়া হয়েছে এক সপ্তাহের বিশ্রাম।

বিশ্রামে থাকা মাহমুদউলস্নাহকে ছাড়াই বৃহস্পতিবার অনুশীলন করেছে চট্টগ্রাম। তার পরিবর্তনে অধিনায়কত্ব করা ইমরুল কায়েসও নিয়মিত অধিনায়কের পরের দুই ম্যাচ খেলা নিয়ে জানালেন অনিশ্চয়তা, 'সব নির্ভর করছে ফিজিওর ওপর। আগামী ম্যাচে নাও পাওয়া যায় তাহলে সামনের ম্যাচগুলো থেকে হয়তো পাওয়া যেতেও পারে। তবে নিশ্চিত না।'

এবার বিপিএলে শুরু থেকেই দারুণ ছন্দে ইমরুল কায়েস। শুরু থেকেই আগ্রাসী মেজাজ নিয়ে নামছেন, দলের রানে তার অবদান থাকছে বড়। প্রথম চার ম্যাচ পর সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকাতেও উঠে গিয়েছিলেন এক নম্বরে। তবে তাকে ছাপিয়ে ডেভিড মালান, রাইলি রুশো এখন এগিয়ে। এক থেকে ইমরুল নেমে গেছেন পাঁচে। ইমরুল নিজে অবশ্য এসব নিয়ে চিন্তিত না। তার একটাই কথা নিজের কথা না ভেবে খেলবেন কেবল দলের জন্য।

বিপিএলে এখন পর্যন্ত ৭ ম্যাচ খেলে দুই ফিফটিতে ইমরুলের রান ২৩৯। ৩৯.১৬ গড়ের সঙ্গে ১৪১.৫৬ স্ট্রাইকরেট জানাচ্ছে ইমরুলের ইতিবাচক অ্যাপ্রোচের ছবি।

প্রথম ম্যাচে ৬২ রান করার পর ইমরুল পরের ম্যাচে ফেরেন ১২ রানে। এরপরের ম্যাচে অপরাজিত ৪৪ রান করে দলকে জিতিয়েই মাঠ ছাড়েন। পরের ম্যাচে আবার আউট হয়ে যান ৬ রান করে। এরপরের দুই ম্যাচে এসেছে ৪০ ও ৬২ রানের আরও দুই ইনিংস। সব শেষ ম্যাচে ইমরুল ফেরেন ১০ রানে। অর্থাৎ তিন ম্যাচে বলার মতো রান আসেনি তার ব্যাটে।

চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের এই ব্যাটসম্যান জানাচ্ছেন, নিজের কথা ভাবলে ওসব ম্যাচেও রান পেতে পারতেন তিনি, 'দেখেন আমি কত নম্বরে (রান করায়) আছি এটা নিয়ে চিন্তা করছি না। করলে হয়তোবা যে ম্যাচগুলো রান করিনি ওই ম্যাচে নিজের খেলা খেলতে পারতাম। ৫০টা বল খেলে নিজের জন্য ৬০-৭০ রান করতে পারতাম। যে রকম পরিস্থিতি দরকার সেভাবে আমি খেলব চিন্তা করেছি। আমার রান কত হয়েছে সেটা বিষয় না।'

বিপিএলে রানের মধ্যে আছেন। কিন্তু ভারত সফরে ছিলেন ব্যর্থতার অপর নাম। ইমরুল মনে করছেন খারাপ-ভালো যাই হোক আগের কোনোকিছু নিয়েই মাথায় ভাবনার জট রাখছেন না তিনি, 'ভারত সিরিজের সময় খারাপ খেলেনি মানতে হবে। কেবল আমি না আমরা কেউই ভালো খেলিনি। ভারতের অংশটা শেষ, এটা নিয়ে আর ভাবছি না। ভারতের অংশ ওখানেই ডিলেট করে দিয়েছি। আবার নতুন করে শুরু হয়েছে সব। আসলে কখন খারাপ খেলেছি, কখন ভালো খেলেছি এটা চিন্তা করলে হয় না। পরের ম্যাচ নিয়েই ভাবতে হয়।'
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সকল ফিচার

রঙ বেরঙ
উনিশ বিশ
জেজেডি ফ্রেন্ডস ফোরাম
নন্দিনী
আইন ও বিচার
ক্যাম্পাস
হাট্টি মা টিম টিম
তারার মেলা
সাহিত্য
সুস্বাস্থ্য
কৃষি ও সম্ভাবনা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
close

উপরে