logo
রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০ ৫ আশ্বিন ১৪২৭

  ক্রীড়া প্রতিবেদক   ২৮ ডিসেম্বর ২০১৯, ০০:০০  

বসুন্ধরাকে হারিয়ে গ্রম্নপ চ্যাম্পিয়ন চট্টলা

বসুন্ধরাকে হারিয়ে গ্রম্নপ চ্যাম্পিয়ন চট্টলা
ফেডারেশন কাপের গত আসরের রানার্সআপ হিসেবে ফেবারিটের তকমা নিয়েই মাঠে নেমেছিলো বসুন্ধরা কিংস। কিন্ত শুক্রবার বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে সেই দলটিকেই হারিয়ে দিয়ে গ্রম্নপের চ্যাম্পিয়ন হয়ে গেছে চট্টগ্রাম আবাহনী। ম্যাচে বল দখলের লড়াই -বাফুফে
ফেডারেশন কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে শক্তিধর বসুন্ধরা কিংসকে হারিয়ে দিয়ে নিজেদের শক্তির জানান দিয়েছে চট্টগ্রাম আবাহনী। শুক্রবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত 'বি' গ্রম্নপের শেষ ম্যাচে কিংসদের ২-০ গোলে হারিয়ে গ্রম্নপ চ্যাম্পিয়ন হয় চট্টলা।

গ্রম্নপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে চট্টগ্রাম আবাহনী আর বসুন্ধরা কিংস দুই দলেরই প্রতিপক্ষ ছিল ব্রাদার্স ইউনিয়ন। তাদের বিপক্ষে বসুন্ধরা ১-০ গোলের জয় পেলেও চট্টলার জয়টা ছিল ২-০ গোলের। দুই হারে গ্রম্নপ থেকে ব্রাদার্সের বিদায় নিশ্চিত হওয়াতে এক ম্যাচ হাতে রেখেই 'বি' গ্রম্নপ থেকে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত হয়ে যায় কিংস ও চট্টলার। শুক্রবার তাই এই দুই দলের গ্রম্নপ পর্বের শেষ লড়াইটা ছিল গ্রম্নপ চ্যাম্পিয়ন হবার। সে লড়াইয়ে জয়টা পেল চট্টলাই। দুই ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে গ্রম্নপ চ্যাম্পিয়ন হয় তারা।

শুক্রবার ম্যাচের ২১ মিনিটে বক্সের প্রায় ৫ গজ দূরে ফ্রি কিক পায় চট্টগ্রাম আবাহনী। কিন্তু সুযোগটা কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন মারুফুল হকের শিষ্যরা। তবে ২৫ মিনিটে ম্যাচে লিড নেয় তারা। বাঁপ্রান্ত থেকে চিনেদু ম্যাথিও বক্সে ক্রস দেন সতীর্থ চট্টগ্রাম আবাহনীর অধিনায়ক চার্লস দিদিয়েরকে। কিন্তু বলটি বুঝে নিতে পারেননি এই খেলোয়াড়। তার পায়ে লেগে বল চলে যায় ডান প্রান্তে। অরক্ষিত পোস্টে বলটি ঠেলে দেন রাকিব হোসেন (১-০)। ৪২ মিনিটে বসুন্ধরার একটি গোলের সুযোগ নষ্ট করেন চট্টগ্রাম আবাহনীর গোলরক্ষক। ডানপ্রান্ত থেকে দারুণ কাটব্যাক করেছিলেন ইব্রাহিম। ছোট বক্সে পৌঁছেও গিয়েছিলেন বসুন্ধরার তৌহিদুল আলম সবুজ। কিন্তু তিনি বল বুঝে নেয়ার আগেই দৌড়ে এসে আয়ত্তে নিয়ে নেন চট্টলার গোলরক্ষক মোহাম্মদ নেহাল। ৪৫ মিনিটে দশজনের দলে পরিণত হয় বসুন্ধরা কিংস। বল নিয়ে আক্রমণে যাচ্ছিলেন চার্লস। তাকে অফ দা বলেই চার্জ করে বসেন বসুন্ধরার তাজিকিস্তানের ফুটবলার আকতাম নাজারভ। রেফারি মিজানুর রহমান লাল কার্ড দেখান তাকে। প্রথমার্ধের সংযুক্তি সময়ে চট্টগ্রাম আবাহনীর রাকিবের পাস থেকে বল নিয়ে ক্রস করেন তার এক সতীর্থ। বক্স থেকে শূন্যে লাফিয়ে উঠে দারুণ হেডে গোলরক্ষক আনিসুর রহমান জিকোকে পরাস্ত করেন চার্লস (২-০)। একদিকে দুই গোল অন্যদিকে এক ফুটবলারকে হারিয়ে বিশ্রামে যায় গত আসরের রানার্সআপ দল বসুন্ধরা কিংস।

\হদ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই ম্যাচে ফিরতে চেষ্টা করেছে কিংসরা। কিন্তু বারবারই তাদের সব আক্রমণ প্রতিহত হচ্ছিল চট্টলার কঠিন রক্ষণে। ৬২ মিনিটে বাঁপ্রান্ত থেকে বসুন্ধরার রবিউলের শট বক্সে ক্লিয়ার করেন চট্টগ্রাম আবাহনীর ডিফেন্ডাররা। ৬৪ মিনিটে দলীয় অধিনায়ক তৌহিদুল আলম সবুজ বল নিয়ে ঢুকে পড়েন চট্টলার বক্সে। কিন্তু তাকে আটকে দেন প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডাররা। বল বাড়িয়ে দেন সতীর্থর উদ্দ্যেশে। ডানপ্রান্ত থেকে চমৎকার ক্রস করেন রিমন। কিন্তু বলে হেড নিতে পারেননি ছোট বক্সে থাকা তার সতীর্থ ফুটবলাররা। এর আগেই বল গ্রিপে নেন গোলরক্ষক নেহাল। শেষ পর্যন্ত ম্যাচে ফিরতে পারেনি টুর্নামেন্টের বর্তমান রানার্সআপ দল বসুন্ধরা কিংস। আজ 'ডি' গ্রম্নপের দুটি ম্যাচ। দুপুর ৩.৩০ মিনিটে মোহামেডানের প্রতিপক্ষ উত্তর বারিধারা ক্লাব। দ্বিতীয় ম্যাচে সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় শেখ রাসেল খেলবে মুক্তিযোদ্ধার বিপক্ষে।
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

সকল ফিচার

রঙ বেরঙ
উনিশ বিশ
জেজেডি ফ্রেন্ডস ফোরাম
নন্দিনী
আইন ও বিচার
ক্যাম্পাস
হাট্টি মা টিম টিম
তারার মেলা
সাহিত্য
সুস্বাস্থ্য
কৃষি ও সম্ভাবনা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
close

উপরে