চকরিয়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাফারি পার্ক

চকরিয়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাফারি পার্ক

বিশে^র দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত, প্রাকৃতিক নান্দনিক সৌন্দর্যের অপরূপ লীলাভূমি পর্যটন জেলা কক্সবাজার। নদী-সাগর-পাহাড়-ঝরনা চিরসবুজ বন নিয়ে প্রাকৃতিকভাবে কক্সবাজারের ভৌগোলিক অবস্থান। পৃথিবীতে এই রকম সমন্বয়ের স্থান আর কোথাও আছে বলে মনে করেন না আগত পর্যটকরা।

বিভিন্ন প্রাকৃতিক বৈচিত্র্যে ভরপুর এই জেলায় রয়েছে প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন, ইতিহাস, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। জেলার প্রবেশদ্বার চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক সংলগ্ন বনবিভাগের উদ্যোগে সংরক্ষিত বন ঘিরে প্রাকৃতিকভাবে গড়ে তোলা হয়েছে দেশের প্রথম ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাফারি পার্ক’।

এই পার্কে দেশ-বিদেশের বিলুপ্তপ্রায় ও বিরল প্রজাতির বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও বংশবৃদ্ধিসহ মানুষের চিত্তবিনোদন, গবেষণা ইত্যাদি নিশ্চিতের লক্ষ্যে এই পার্ক স্থাপন করা হয়।

বুনো জীবজন্তুর ডাক, পাখির কিচির-মিচির কোলাহল সমাহারে প্রাণবন্তÍ হয়ে উঠেছে নান্দনিক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাফারি পার্কটি। সপ্তাহে মঙ্গলবার ছাড়া ছয়দিন সকাল থেকেই হাজার হাজার দেশি-বিদেশি পর্যটক ভিড় করে সাফারি পার্কে। পার্কের প্রধান ফটকের বাম পাশে রয়েছে ডিসপ্লে­ ম্যাপ। এই ম্যাপ ধরে কোথায় কি আছে তা বুঝে নিতে পারেন পর্যটকরা। তৃণভোজী প্রাণীগুলো পুরো প্রাকৃতিক পরিবেশে খোলামেলা বসবাস করলেও বেষ্টনীর ভেতরে রয়েছে হিস্র জীবজন্তুগুলো। আটটি ব্লকে ভাগ করে গড়ে তোলা এ পার্কে মুক্ত পরিবেশে হাঁটাচলা করা যায়। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে অনায়াসে বেড়ানো সম্ভব।

পার্কে যেসব বন্যপ্রাণী ও পশুপাখি রয়েছে :

দেশ-বিদেশ থেকে সংগ্রহ করা বিলুপ্ত প্রায় (স্তন্যপায়ী প্রাণী) ১৪৯ প্রজাতির। সরীসৃপ জাতের ১৫২ প্রজাতির প্রাণী ও ৬১ প্রজাতির পাখি। তাছাড়া পার্কে উন্মুক্তভাবে অবাধ বিচরণে রয়েছে ৮০৬টি বন্যপ্রাণী। এ পার্কে ঢাকায় মিরপুরের জাতীয় চিড়িয়াখানার মতো বেশি সংখ্যক পশু পাখি না থাকলেও কোনো পশুপাখির কমতি নেই। স্তন্যপ্রাণীর মধ্যে রয়েছে টাইগার (বাঘ), সিংহ, হাতি, মায়া হরিণ, চিত্রা হরিণ, হনুমান, বাঁশভাল্লুক, বন্যশূকর, খরগোশ, বনগরু বা গয়াল, বাঘডাশা, বনবিড়াল, মার্বেল বিড়াল, চিতা বিড়াল, বনরুই, সজারু, বাদর, লজ্জাবতী বানর, আসামি বানর, উল্লুক, কালো উল্লুক, সাম্বার হরিণ, শিয়াল, মেছোবাঘ, ওয়াইল্ডেবিস্ট, জলহস্তি ও চিত্রা হরিণ। সরীসৃপ জাতের মধ্যে কালিকাইট্টা, রক্তচোষা, কড়ি কাইট্টা, কালো গুই, ছিম কাছিম, পানি সাপ, বোস্তামি কাছিম, তারকা কচ্ছপ, সুন্দী কাছিম, মেটে সাপ, গোখরা, ঢোঁড়া সাপ, টিকটিকি, তক্ষক, বিশাল আকৃতির অজগর, নোনাপানির কুমির, ঘড়িয়াল, মিঠাপানির কুমির, হলুদ পাহাড়ি কচ্ছপ ও উভচর প্রাণী সোনা ব্যাঙ, গেছো ব্যাঙ এবং কুনো ব্যাঙ ইত্যাদি। এছাড়া দেশি-বিদেশি পাখির মধ্যে রয়েছে পানকৌড়ি, মাথুরা, ভুতুম পেঁছা, এমু, লক্ষ্মীপেঁচা, ডুবুরি, খুদে মাছরাঙ্গা, কালোমাথা মাছরাঙা, গু শালিক, কাটমৌর, কালোমাথা ময়না, তিলা ঘুঘু, দাঁড়কাক, সবুজ ঘুঘু, কানাবক, সোনালি ফিজেন্ট, টিয়াপাখি, ধূসর বক, গো-বক, নিশি বক, কোকিল, সিপাহি বুলববুলি, রূপালী ফিজেন্ট, টুনটুনি, ছোট সরালী, শঙ্খচিল, দোয়েল, সাদা ঈগল, বনমোরগ, চড়ুঁই, ডাহুক, তিলা মুনিরা, মদন টাক, লালচে কাঠঠোকরা, কালেম, কাকাতুয়া, খয়েরি ঈগল, ধনেশ, রাজ ধনেশ, ময়ূর, কালিজ ফিজেন্ট, শঙ্খচিল, তোতা, লাভবার্ড, মুনিয়া, লালমোহন তোতা, সাদা ঘুঘু, ভুবন চিল, এমারেলড্ ঘুঘু, তার্কিস ফিজেন্ড, গ্রিফন শকুন, লেজার ফ্ল্যামিংগু, সারস পাখি, সাদা পেলিকন, হাড়গিলা, রঙিলা বক ইত্যাদি।

পার্কে আরও যা দেখা যাবে :

পার্কে আরও যা দেখা যাবে, তার মধ্যে বাংলাদেশের প্রায় সব ধরনের বনাঞ্চলের গাছপালা ও বন্যপ্রাণীর মডেল, ম্যুরাল ও স্টাফিং তৈরি করে আলো ও শব্দ প্রবাহের মাধ্যমে বন্যপ্রাণী ও বনাঞ্চল সম্পর্কে সম্যক ধারনা পেতে রয়েছে প্রকৃতি বীক্ষণ কেন্দ্র। রয়েছে ন্যাচারাল হিস্ট্রি মিউজিয়াম। এতে দুই হাজার নানা জাতের প্রাণীর দেহাবশেষ। এগুলো সেখানে স্প্যাসিমেন ও স্টাফিং সংগ্রহ করে মিউজিয়ামে সংরক্ষণ করা হয়েছে। প্রাণীর পাশাপাশি তিনশ প্রজাতির গাছপালার হারবেরিয়াম সিট তৈরি করে মিউজিয়ামে সংগ্রহ করে রাখা হয়েছে। বন্যপ্রাণী সম্পর্কে গণসচেতনতা বৃদ্ধি, শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ সৃষ্টিতে পর্যটন, শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জন্য সহায়ক হবে। এছাড়া ডাটাবেজ থেকে শিক্ষার্থী ও গবেষকরা বন্যপ্রাণী ও উদ্ভিদ জগতের ধারণা পাবে। পার্কের প্রধান ফটকের পাশে রয়েছে অর্কিড হাউজ। সেখানে দেশি-বিদেশি অন্তত ৫০ প্রজাতির অর্কিড সম্পর্কে বিশদ ধারণা পেতে পারবেন শিক্ষার্থী ও গবেষকরা। পার্কের বাইরে প্রধান ফটকের পাশে রয়েছে ২২ লাখ টাকা ব্যয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একটি নান্দনিক ভাস্কর্য। পার্কে বিশ্রামের জন্য রয়েছে একাধিক ছাতা, শেড ও বেঞ্চ। রয়েছে পাবলিক টয়লেট ।

মহামারি করোনাকালে প্রাণীকুলে আগমন ঘটেছে নতুন নতুন অতিথির :

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে বৈশ্বিক মহামারি করোনাকালে ছিল না পর্যটক-দর্শনার্থীদের আগমন। ওই সময় বেশ স্বাচ্ছন্দ্যে ছিল পার্কের সব প্রাণী। আর সেই সুযোগে করোনাকালের অন্তত কোলাহলমুক্ত পরিবেশে প্রাণিকুলে যেমন প্রাণচাঞ্চল্য ছিল, তেমনি আগমন ঘটেছে একের পর এক প্রাণীদের প্রসব করা নতুন নতুন অতিথির। বেড়েছে প্রাণীগুলোর পরিবারের সদস্য সংখ্যাও। পার্কের প্রতিটি প্রাণিকুলে বংশবিস্তার ঘটেছে। জন্ম নেওয়া প্রাণীর মধ্যে হরিণ, বানর, ভাল্লুক, জলহস্তি। পাশাপাশি জন্মলাভ করেছে ময়ূরসহ বিভিন্ন প্রজাতির পাখির। করোনা মহামারিতে পার্কে অন্তত শতাধিক বন্যপ্রাণী নতুন অতিথি জন্ম দিয়েছে বলে জানিয়েছে পার্কের কর্তৃপক্ষ। এসব জন্ম নেওয়া বেশির ভাগ প্রাণী নিবিড় পরিচর্যায় বড় করে তুলছেন পার্কের ভেটেরিনারি বিভাগের সদস্যরা।

প্রতি বছর অতিথি পাখির আগমনও ঘটে পার্কে

প্রতি বছর ডিসেম্বর মাসে হিমালয়ের উত্তরে শীত নামতে শুরু করলে সুদূর সাইবেরিয়া, মঙ্গোলিয়া, চীন, নেপাল, জিনজিয়াং, ভারত থেকে পাখিরা উষ্ণতার খোঁজে পাড়ি জমায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কের প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট বিশালাকার লেকেই। আসে হাজারো অতিথি পাখি। আর অতিথি পাখিদের আবাসস্থলের মধ্যে এ পার্কটি অন্যতম। গত ডিসেম্বর মাসে পার্কে আসা অতিথি পাখিদের মধ্যে অধিকাংশই হাঁস প্রজাতির। এরা উড়ে বেড়ায়, আবার লেকের পানিতে ভেসে বিশ্রামও নেয়। এ বছরে আসা অতিথি পাখির মধ্যে রয়েছে- সরালি, পচার্ড, ফ্লাইফেচার, গার্গেনি, ছোট জিরিয়া, পান্তামুখী, পাতারি, মুরগ্যাধি, পাতারী হাঁস, জলকুক্কুট, খয়রা, কামপাখি, মানিকজোড়, কলাই, ছোট নগ, জলপিপি, নাকতা, খঞ্জনা, চিতাটুপি, বামুনিয়া হাঁস, লাল গুড়গুটি, নর্দানপিনটেল, কাস্তেচাড়া। এখানে স্থাপিত একাধিক পর্যবেক্ষণ টাওয়ারের মাধ্যমে নয়নাভিরাম সৌর্ন্দয ও পশুপাখিদের বিচরণ নিরাপদে পর্যবেক্ষণ করা যায়। নানা প্রজাতির বড় বড় বৃক্ষ, মূল্যবান গাছগাছালি আর দুর্লভ ও ঔষধি লতাপাতা গুল্ম রয়েছে এ পার্কে।

রয়েছে প্রকৃতি বীক্ষণ কেন্দ্র ও ন্যাচারাল হিস্ট্রি মিউজিয়াম

স্টাফিং তৈরি করে আলো ও শব্দ প্রবাহের মাধ্যমে বন্যপ্রাণী ও বনাঞ্চল সম্পর্কে সম্যক ধারণা পেতে রয়েছে প্রকৃতি বীক্ষণ কেন্দ্র। রয়েছে ন্যাচারাল হিস্ট্রি মিউজিয়াম। এতে দুই হাজার নানা জাতের প্রাণীর দেহাবশেষ। এগুলো সেখানে স্প্যাসিমেন ও স্টাফিং সংগ্রহ করে মিউজিয়ামে সংরক্ষণ করা হয়েছে। প্রাণীর পাশাপাশি তিনশ প্রজাতির গাছপালার হারবেরিয়াম সিট তৈরি করে মিউজিয়ামে সংগ্রহ করে রাখা হয়েছে। বন্যপ্রাণী সম্পর্কে গণসচেতনতা বৃদ্ধি, শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ সৃষ্টিতে পর্যটন, শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জন্য সহায়ক হবে। এছাড়া ডাটাবেজ থেকে শিক্ষার্থী ও গবেষকরা বন্যপ্রাণী ও উদ্ভিদ জগতের ধারণা পাবেন।

রয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একটি ভার্স্কয ও অর্কিড হাউজ

পার্কের প্রধান ফটকের পাশে রয়েছে অর্কিড হাউজ। সেখানে দেশি-বিদেশি অন্তত ৫০ প্রজাতির অর্কিড সম্পর্কে বিশদ ধারণা পেতে পারবে শিক্ষার্থী ও গবেষকরা। পার্কের বাইরে প্রধান ফটকের পাশে রয়েছে ২২ লাখ টাকা ব্যয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একটি নান্দনিক ভাস্কর্য। পার্কে বিশ্রামের জন্য রয়েছে একাধিক ছাতা, শেড ও বেঞ্চ। রয়েছে পাবলিক টয়লেট।

যেভাবে সাফারি পার্কে যাবেন

চকরিয়া বাসস্টেশন থেকে এর দূরত্ব প্রায় ১০ কিলোমিটার আর কক্সবাজার জেলা শহর থেকে এর দূরত্ব প্রায় ৪৫ কিলোমিটার। প্রায় নয়শ হেক্টর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত দেশের একমাত্র সাফারি পার্কটির নাম বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর নামে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্ক’ রাখা হয়েছে। কিছু পশুপাখি খাঁচায় বন্দি হলেও এ পার্কে অবস্থানরত অধিকাংশ পশুপাখির বিচরণের জন্য প্রচুর উন্মুক্ত জায়গা রয়েছে। পর্যটকদের জন্য রয়েছে বিশ্রামাগার ও ডরমেটরি। অকস্মাৎ বন্যহাতির পাল পার্কে অযাচিত ও অবৈধ প্রবেশ করে সাফারি পার্ক কর্তৃপক্ষকে অবশ্য টেনশনে রাখে। পার্কে অবস্থানরত পশুপাখিদের এহেন অসুবিধার দিক বিবেচনায় সাফারি পার্ক কর্তৃপক্ষকে আরও সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত বলে প্রাণিবিশেষজ্ঞরা মনে করেন। হরিণ প্রজনন কেন্দ্রটি পার্কের সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এখানে রয়েছে ন্যাচারাল হিস্ট্রি মিউজিয়াম ও বাংলাদেশের সর্বপ্রথম প্রকৃতি বীক্ষণ কেন্দ্র। সাফারি পার্কের প্রবেশমুখে রয়েছে ইট কংক্রিট দিয়ে নির্মিত বিশালাকৃতি ডাইনোসর, হাতির প্রতিকৃতি। মূল ফটকের বামে রয়েছে ত্রিশ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত সুজলা-সুফলা সবুজ শস্য-শ্যামলায় প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশের মানচিত্র (ডিসপ্লে­ ম্যাপ) ও পার্কের বিভিন্ন স্থানের বর্ণনা। সাফারি পার্ক দিনে দিনে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে আর পর্যটন মৌসুমে পর্যটকদের একটি অংশ পার্কের বিভিন্ন লোকেশনে পিকনিক আয়োজন করে থাকে।

জানা গেছে, কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের ফাঁসিয়াখালীর রেঞ্জের সংরক্ষিত বনের বগাচত্বর এলাকার ৯০০ হেক্টর আয়তনের গাছগাছালিতে ভরপুর এই জনপদটি ১৯৮০-৮১ সালে হরিণ প্রজনন কেন্দ্র হিসেবে চালু করা হয়েছিল। বর্তমানে এটি জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের জন্য নানা রকম বুনো জীবজন্তুর নির্ভর আবাসস্থল এবং ইকো-ট্যুরিজম ও গবেষণার পাশাপাশি বিনোদন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। যার নামকরণও করা হয়েছে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাফারি পার্ক।’

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কের প্রকল্প পরিচালক এবং চট্টগ্রাম বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) আবু নাছের মোহাম্মদ ইয়াছিন নেওয়াজ দৈনিক যায়যায়দিনকে জানান, ‘প্রাকৃতিক পরিবেশে প্রতিষ্ঠিত দেশের একমাত্র সাফারি পার্ক এটি। পার্কটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে শিক্ষা ও চিত্তবিনোদনের অন্যতম দর্শনীয় স্থান হিসেবে গড়ে উঠেছে পর্যটক-দর্শনার্থীদের কাছে।’

প্রকল্প পরিচালক আবু নাছের মোহাম্মদ ইয়াছিন নেওয়াজ আরও বলেন, ‘বর্তমানে যে চেহারা বা অবয়বে পার্কটি দেখা যাচ্ছে, আগামীতে সেই অবয়ব থাকবে না। সরকারের মাস্টারপ্লানের আওতায় এই পার্কের সবকিছুই পাল্টে যাবে। তখন এই পার্কটি বিশ^মানের সাফারি পার্ক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।’

যাযাদি/ এস

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

আরও খবর

Copyright JaiJaiDin ©2021

Design and developed by Orangebd


উপরে