চন্দনাইশে কমিউনিটি সেন্টার নিয়ে বিরোধ, সংঘর্ষে আহত ৫

চন্দনাইশে  কমিউনিটি সেন্টার নিয়ে বিরোধ, সংঘর্ষে আহত ৫

চট্টগ্রামের চন্দনাইশে একটি কমিউনিটি সেন্টারের শেয়ার হোল্ডার নিয়ে সংঘর্ষে অন্তত ৫জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ১৫ সেপ্টেম্বর বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টায় উপজেলার বরমা কেশুয়া রাস্তা মাথা এলাকায় ঘটে। এ ঘটনায় আহতরা হলেন, বরমা বানু চৌধুরী বাড়ী এলাকার রাকিব উদ্দীন (২৫), বরমা কুলাল ডেঙ্গা এলাকার ইছহাক মিয়ার পুত্র মোঃ ইলিয়াছ (২৫), পশ্চিম কেশুয়া এলাকার মৃত গুরা মিয়ার পুত্র জানে আলম (৩৯)সহ অন্তত ৫জন আহত হয়েছে। তৎমধ্যে রাকিব উদ্দীনের অবস্থা গুরুত্বর হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে চমেক হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

স্থানীয়রা জানান, বরমা কেশুয়া রাস্তা মাথা এলাকার সাঈদা আর্কেট কমিউনিটি সেন্টারের মালিক জামাল উদ্দীন মোঃ ইউছুফ ছালেহ প্রঃ জালাল উদ্দীন গত আড়াই বছর আগে স্থানীয় গুরা মিয়ার পুত্র জানে আলম থেকে টাকা নিয়ে চুক্তির মাধ্যমে সাঈদা আর্কেট কমিউনিটি সেন্টারে শেয়ার হোল্ডার করেন। কিন্তু জানে আলমকে উক্ত কমিউনিটি সেন্টারের বাবদ কোন লভ্যাংশ না দেওয়ায় প্রেক্ষিতে জানে আলম গত ১৯ জুন চন্দনাইশ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। পরে স্থানীয়দের নিয়ে বৈঠকে সিন্ধান্ত মোতাবেক ওই কমিউনিটি সেন্টার বদ্ধ থাকবে এমন কথা উভয় পক্ষ মেনে নিয়ে তালা বদ্ধ থাকে বলে জানা যায়। এদিকে কমিউনিটি সেন্টারের বিরোধ নিয়ে গতকাল বুধবার দুপুরে জানে আলমের উপর হামলা চালায় এসময় সংঘর্ষে জানে আলমের সাথে থাকা রাকিব,মোঃ ইলিয়াছ চন্দনাইশ হাসপাতাল ও জানে আলম সহ আরো ৩জন স্থানীয়বাবে চিকিৎসা নেয় বলে জানা যায়। তৎ মধ্যে রাকিবকের অবস্থা গুরুত্বর হওয়ায় তাকে চমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে চন্দনাইশ থানার সেকেন্ড অফিসার এস আই হাসানের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

এ ঘটনায় জানে আলম বলেন,সাঈদা আর্কেট কমিউনিটি সেন্টারের শেয়ার বাবদ বিভিন্ন দাপে ২০ লক্ষ টাকার নিয়ে চুক্তির মাধ্যমে শেয়ার হোল্ডার হিসেবে ৫০% লভ্যাংশ হিসেবে চুক্তিবদ্ধ হয়। কিন্তু জামাল তাকে শেয়ারের লভ্যাংশ তো দুরের কথা কোন হিসাব না দেওয়ায় তার ২০ লক্ষ টাকা ফেরত চাই। অবশেষে গত ১৯ জুন চন্দনাইশ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। তারই প্রেক্ষিতে উভয় পক্ষের মতামতের ভিত্তিতে কমিউনিটি সেন্টারটি তালবদ্ধ করা হয় এবং টাকা পরিশোধের পর কমিউনিটি সেন্টার চালু করবে বলে সিন্ধান্ত হয়। এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে বুধবার কেশুয়া রাস্তার মাথা এলাকায় জামালের পুত্র মঞ্জুর মেয়ের জামাতা মঞ্জুরসহ কয়েজন মিলে তাদের উপর হামলা চালায়। তৎমধ্য তিনিসহ ৩জন আহত হয়। একজনকে মুমুর্ষ অবস্থায় চমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয় বলে তিনি জানান। অন্যদিকে সাঈদা আর্কেট কমিউনিটি সেন্টারের মালিক জামাল উদ্দীন মোঃ ইউছুফ ছালেহ প্রঃ জালাল উদ্দীন জানান, তার কাছ থেকে কোন টাকা নেয়নি এবং কোন কমিউনিটি সেন্টারের শেয়ার হোল্ডার দেয়নি বলে তাকে বিরক্ত না করার কথা বলে মোবাইল ফোন কেটে দেন।

এ ব্যাপারে চন্দনাইশ থানার ইন্সেপেক্টর তদন্ত মজনু মিয়া বলেন, এধরণের তেমন ঘটনা নিয়ে তিনি অবগত নন এবং এ ঘটনা নিয়ে কোন পক্ষই থানায় মামলা করেননি।

যাযাদি/ এস

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

আরও খবর

Copyright JaiJaiDin ©2021

Design and developed by Orangebd


উপরে