নোয়াখালীতে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর গলাকেটে হত্যা

নোয়াখালীতে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর গলাকেটে হত্যা

নোয়াখালী জেলা শহর মাইজদীতে স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের পর গলাকেটে হত্যা মামলার প্রধান আসামি আব্দুর রহিম রনিকে জিজ্ঞাসাবাবাদের জন্য তিনদিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।

শুক্রবার ( ২৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রনিকে জেলার মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে হাজির করে পুলিস ১০ দিনে রিমান্ড আবেদন করলে শুনানি শেষে জেষ্ঠ্য বিচারিক হাকিম মোহাম্মদ এমদাদ তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে এ আদেশ দেন।

এ মামলায় গ্রেপ্তার অপর তিন আসামি ইসরাফিল আলম, সাঈদ ও ইমাম হোসেনকে একই আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

তিন আসামির মধ্যে সাঈদকে হত্যা মামলা সরাসরি গ্রেপ্তার দেখানো হলেও অপর দুইজন ইসরাফিল আলম এবং নিহতের চাচা ইমাম হোসেনকে সন্দেভাজন হিসেবে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়।

এর আগে দুপুরে নিজ কার্যালয়ের প্রেসবিফিংয়ে পুলিশ সুপার মো. শহীদুল ইসলাম জানান, নিহত স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধারের পর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ওই ছাত্রীকে বিভিন্ন সময় উত্যাক্তকারী কিশোর ইসরাফিল, ইসরাফিলের ভাই সাঈদ ও সাবেক প্রাইভেট শিক্ষক আবদুর রহিম রনিকে আটক করের পুলিশ।

রনির মাথা, ঘাড়, গলাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে নখের আঁচড় দেখে তাকে এ ঘটনার সাথে ড়িত বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে নোয়াখালী জেলা শহরের লক্ষ্মীনারায়নপুর এলাকার জাহান মঞ্জিলের একটি কক্ষ থেকে স্থানীয় একটি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণিতে পড়ুয়া ছাত্রীর নিজঘরে গলাকাটা ও অর্ধনগ্ন অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এসপি আরও জানান, কিছুদিন আগে ভুক্তভোগী রনিকে বাদ দিয়ে অন্য একজনের কাছে প্রাইভেট পড়া শুরু করে। এরপরো রনি ওই স্কুলছাত্রীর বাসায় অবাধে আসা যাওয়া করতো।

এ হত্যাকান্ডের সাথে পারিবারিক বা অন্যকোন বিষয় আছে কিনা তাও খতিয়ে দেখার জন্য ভুক্তভোগীর চাচা ইমাম হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ।

পরে রনি ও ইসরাফিলকে হত্যা মামলা এবং সাঈদ ও ইমাম হোসনকে বিশেষ ক্ষমতা আইনে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়।

যাযাদি/ এম

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

আরও খবর

Copyright JaiJaiDin ©2022

Design and developed by Orangebd


উপরে