মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর ২০২২, ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৯

ধানের চারা রোপনে ব্যস্ত কাজিপুরের কৃষকরা

শাহজাহান আলী, কাজিপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি
  ০৬ অক্টোবর ২০২২, ১০:৩৪

যমুনার পানি কমে যাওয়ার সাথে সাথেই চরের কৃষকরা বিনা হালে গাইনঞ্জা ধান রোপনে ব্যস্ত সময় পার করছেন। কাজিপুর উপজেলা কৃষি অফিসের দেয়া তথ্যে চলতি মৌসুমে নাবি জাতের এই ধান প্রায় ৩ হাজার ১শ’ হেক্টর জমিতে চাষাবাদের লক্ষ ৎমাত্রা ধরা হয়েছে। তবে লক্ষ মাত্রা যাই ধরা হোক না কেন এই ধানের চাষাবাদ প্রকৃতির উপর নির্ভরশীল বলে চাষের জমির পরিমান কমবেশী হয়ে থাকে।

 

চলতি মৌসুমে ৮ হাজার ৯০০শ’ হেক্টর রোপা আমন চাষাবাদের লক্ষমাত্রা ধরা হলেও  বন্যাসহ অনাবৃষ্টির কারণে উপজেলায় প্রায় ২শ’ হেক্টর জমির রোপাআমন ক্ষতি গ্রস্থ হয়েছে। কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, রোপা আমনের এই ক্ষতি পুষিয়ে নিতেই এবার কৃষকরা গাইনঞ্জা ধান রোপনে ঝুঁকে পড়েছে। এমনিতেই কাজিপুরের কৃষকদের বিশেষকরে চরের কৃষকদের আগে থেকেই গাইনঞ্জা চাষের প্রতি আগ্রহ রয়েছে। এবার রোপাআমনের ক্ষতি হওয়ায় অনেকটা বাধ্য হয়েই গাইনঞ্জা ধান চাষে কৃষকরা ঝুঁকে পড়েছে। গাইনঞ্জা ধান আশ্বিন মাসের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নদীর পানি কমে গেলে ডুবো চরে, নদীর খাড়ি, ও তীঁরে পলিপড়া স্থানে এই ধানের চারা  রোপন করা হয়।

 

স্থানীয়ভাবে এই ধানের কদর বেশি কেননা খেতে সুস্বাদু পলিমাটিতে চাষের কারণে সামান্ন ইউরিয়া সার ছাড়া আর কোনো সার বা কীটনাশক প্রয়োগ করতে হয় না। এছাড়া অসময়ে মাঘ মাস মাসের শুরুতে ধান পাকে। বিঘাপ্রতি ১০/১২ মন ধান  উৎপাদন হয়।

 

ফলন কম হলেও খরচ কম বলে কৃষকের বেশ পুষিয়ে যায়। খাশরাজবাড়ি কৃষক  আলহাজ্ব জয়নাল আবেদিন জানান রোপাআমনের ব্যপক ক্ষতি হওয়ায় গাইনঞ্জা ধান এবার বেশী লাগিয়েছি । কাজিপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রেজাউল করিম জানান চলতি মৌসুমে রোপাআমনের ক্ষতি হওয়ায় কৃষকরা গাইনঞ্জা ও স্থানীয় করঙ্গা ধান চাষাবাদ করছে পাশাপাশী আমরা সরকারিভাবে প্রায় সাড়ে ২৬০ জন কৃষককে  কালাই বোনার জন্য বীজ সরবরাহ করেছি।

 

যাযাদি/ সাইফুল

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

উপরে