শুক্রবার, ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ২০ মাঘ ১৪২৯
walton1

গজনী বনাঞ্চলে রাবার ড্যাম প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ক্ষতির সম্ভাবনা

ঝিনাইগাতী(শেরপুর)প্রতিনিধি
  ২৭ নভেম্বর ২০২২, ১৭:২১

শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতীতে এলজিইডি কর্তৃক অনুমোদিত রাংটিয়া রেঞ্জের আওতায় গজনী বিট এলাকায় কালঘোষা-মালাঝোড়া খালে রাবার ড্যাম/সুইচ গেইট উপ-প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে ময়মনসিংহ বিভাগের ঐতিহ্যবাহী শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার গজনী বনাঞ্চলের ব্যাপক ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে বলে বনবিভাগ সূত্রে জানা গেছে।

এলজিইডি অফিস শেরপুর এ বিষয়ে একটি উপ-প্রকল্প হাতে নেয়। এ প্রেক্ষিতে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে বন বিভাগের অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন বন বিভাগের কর্তৃপক্ষ। এ বিষয়ে গত ১২ জুলাই ২০২২ ইং তারিখে উক্ত প্রকল্প বন্ধের জন্য শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার রাংটিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা ময়মনসিংহ বন বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তার বরাবর একটি পত্র প্রেরণ করেছেন।

পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে রাংটিয়া রেঞ্জের গজনী বিটের আওতায় ভারতের মেঘালয় হতে আগত কালঘোষা নদীর উপর গান্ধিগাঁও এলাকায় রাবার ড্যাম/সুইচ গেইট করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন এলজিইডি কর্তৃপক্ষ। কিন্তু ওই স্থানে রাবার ড্যাম/সুইচ গেইট নির্মাণ করা হলে বন বিভাগের হালচাটি মৌজায় ৫০৮ একর, নওকুচি মৌজায় ২০০ একর, গান্ধিগাঁও মৌজায় ৩০০ একরসহ সর্বমোট প্রায় ১০০৮ একর বন ভূমি পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে । বন্যপ্রাণীর আবাস্থল, খাদ্য ও প্রজননের ব্যাপক ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সাথে জমে থাকা পানির কারণে শালগাছসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ মরে জীববৈচিত্র হুমকির সম্মুখীন হয়ে পড়বে।

এছাড়াও ওই সুইচ গেইট নির্মান করা হলে অতিরিক্ত ভূমি ক্ষয়সহ প্রাকৃতিক বিপর্যয় দেখা দিবে। বন বাঁচলে মানুষ বাঁচবে, কিন্তু এ বিষয়টি তোয়াক্কা না করে এলাকার কিছু লোক যারা বনের জমিতে বসবাস করে তারা উল্টো রাবার ড্যাম/সুইচ গেইট বাস্তবায়নের জন্য গত ১৪ নভেম্বর সোমবার ২০২২ ইং তারিখে একটি মানববন্ধন করেন। প্রকৃতপক্ষে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, রাবার ড্যাম নির্মিত হলে বন বিভাগের অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যাবে। সেই সাথে বনের জমি বেদখলের একটি মহোৎসবে পরিণত হবে বলে অভিজ্ঞ মহল মনে করছেন।রাংটিয়া রেজ্ঞকর্মকর্তা প্রকল্পটি বন্ধের জন্যে চিঠি পাঠানোর কথা শিকার করেছেন ।


যাযাদি/সৌলভ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

উপরে