শৈলকুপায় অসহায়দের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করল তারুণ্যের দিশারী

প্রকাশ | ০৫ এপ্রিল ২০২৪, ১৬:৩৯

শৈলকুপা (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি

বয়স আশি ছুঁই ছুঁই সমিরন নেছার। এ বয়সে দেখার মত কেউ নেই তার। অনেক আগেই স্বামী চলে গেছেন না ফেরার দেশে। পাশে দাঁড়ানোর মত আপন কেউ নেই তার। অন্যদিকে সত্তর বছর বয়সের মকো মোল্লা। একদিকে সে প্রতিবন্ধী অন্যদিকে বয়সের ভরে কাজ করার সামর্থ্য হারিয়েছে। একাধিক কন্যা সন্তান থাকলেও কোন পুত্র সন্তান নেই। ফলে অসহায়ত্বের মাধ্যমে জীবন কাটছে তার।

এমন সমিরন নেছা ও মকো মোল্লার মত প্রায় শতাধিক পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী উপহার দিয়ে তাদের মুখে হাঁসি ফুটিয়েছেন ঝিনাইদহের শৈলকুপার অরাজনৈতিক, স্বেচ্ছাসেবী ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী তারুণ্যের  দিশারী সংগঠন। 

শুক্রবার (৫ এপ্রিল) উপজেলার শেখপাড়া বাজারের হাজী মার্কেটের সামনে এ কর্মসূচি পালন করে সংগঠনটি। এসময় প্রত্যেককে এক কেজি তেল, সেমাই, চিনি, লবন, ডাউল, পাঁচ কেজি চাউল এবং শাড়ী বা লুঙ্গি প্রদান করা হয়। 

এসময় সংগঠনটির সভাপতি মোহাম্মদ মিশুক হাসানের সভাপতিত্বে এবং সজল কুমার বিশ্বাসের সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শৈলকুপা উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ মেহেদী ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শেখপাড়া রাহাতন নেছা গালর্স স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মাসুদুর রহমান,  ত্রিবেণী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মোসারফ হোসেন, বাংলাদেশ হাইকোর্টের আইনজীবী ও মোল্লা এগ্রো সাইন্সের স্বত্বাধিকারী অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল, সংগঠনটির উপদেষ্টা মোঃ খয়বার রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রউফ, শৈলকুপা প্রেস ক্লাবের সভাপতি শাহীন আলম পলাশ, ঝিনাইদহ প্রেস ইউনিটির সভাপতি সাহিদুল এনাম পল্লব,  প্রেস ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন।

এসময় উপহার পেয়ে সমিরন নেছা বলেন, যাক বাবা বড় উপকার হলো ঈদের দিনের চিন্তা শেষ। প্রতি বছর ঈদের দিন নিয়ে খুব চিন্তায় থাকি। 

সংগঠনটির সভাপতি মোহাম্মদ মিশুক হোসেন বলেন, আমরা সব সময় অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো চেষ্টা করি। আমরা প্রতি মাসে শতাধিক পরিবারকে অল্প হলেও মাসিক খাদ্য সহায়তা দিয়ে থাকি। এছাড়াও মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের  সেবায় নিজেদেরকে নিয়োজিত রাখতে চাই। আজকের এ কর্মসূচীর সার্বিক সহযোগীতায় ছিল কে এফ কে গোল্ড ট্রেডিং এলএলসি ও এম পি এফ গোল্ড ট্রেডিং এল.এল.সি। আমরা সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।

যাযাদি/ এসএম