গস্নুকোজ গবেষণায় নতুন সাফল্যবাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণাগারের কেমিক্যাল রিসার্চ ডিভিশনের শর্করা শাখার বিজ্ঞানীরা শটি, কাসাভো, মিষ্টি আলু ইত্যাদি থেকে উৎপাদিত স্টার্চ ব্যবহার করে তরল গস্নুকোজ উৎপাদনের পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন...এনায়েত আখতার মধ্যম ও উচ্চ রূপান্ত্মরিত তরল গস্নুকোজ সাধারণত ওষুধ শিল্পে ইনজেকশন ও সিরাপ তৈরিতে এবং ট্যাবলেটের কোটিং ও বাইন্ডিং দ্রব্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। খাদ্য ও কনফেকশনারি দ্রব্য তৈরিতে যেমন আইসক্রিম ও হিমায়িত ডেইরি দ্রব্য তৈরিতে ব্যাপকভাবে অল্প রূপান্ত্মরিত এবং সময় সময় মধ্যম রূপান্ত্মরিত তরল গস্নুকোজ ব্যবহৃত হয়।
বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণাগারের কেমিক্যাল রিসার্চ ডিভিশনের শর্করা শাখার বিজ্ঞানীরা শটি, কাসাভো, মিষ্টি আলু ইত্যাদি থেকে উৎপাদিত স্টার্চ ব্যবহার করে তরল গস্নুকোজ উৎপাদনের পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন। এই পদ্ধতিতে অসম্পূর্ণ হাইড্রোলাইসিসের মাধ্যমে তরল গস্নুকোজ আঠালো ধরনের সিরাপ জাতীয় পদার্থ। সেই সাথে সামান্য পরিমাণে রয়েছে মল্টোজ ও তার চেয়ে বেশি ওলিগো স্যাকারাইড। এতে কঠিন পদার্থের পরিমাণ কমপক্ষে শতকরা ৮০ ভাগ। পদ্ধতিটি উদ্ভাবনের সাথে জড়িত বিজ্ঞানীরা হলেন ড. মো. নিজামউদ্দীন, ড. এ আউয়াল, বি কে আকন্দ, এ কাশেম, বেগম হোসনে আরা ও এইচ খোন্দকার।
ব্যবহারের ভিন্নতা ও চাহিদার ভিত্তিতে হাইড্রোলাইসিস প্রক্রিয়ার মাত্রা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে তিন ধনের তরল গস্নুকোজ তৈরি করা হয়। এগুলো হলো ১. অল্প রূপান্ত্মরিত তরল গস্নুকোজ (তুল্য ডেক্সট্রোজের পরিমাণ শতকরা ৩৫ ভাগের কম) ২. মধ্যম রূপান্ত্মরিত তরল গস্নুকোজ (তুল্য ডেক্সাট্রোজের পরিমাণ শতকরা ৩৫ থেকে ৫৫ ভাগ) ৩. উচ্চ রূপান্ত্মরিত তরল গস্নুকোজ (তুল্য ডেক্সট্রোজের পরিমাণ শতকরা ৫৫ ভাগের বেশি)।
মধ্যম ও উচ্চ রূপান্ত্মরিত তরল গস্নুকোজ সাধারণত ওষুধ শিল্পে ইনজেকশন ও সিরাপ তৈরিতে এবং ট্যাবলেটের কোটিং ও বাইন্ডিং দ্রব্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। খাদ্য ও কনফেকশনারি দ্রব্য তৈরিতে যেমন আইসক্রিম ও হিমায়িত ডেইরি দ্রব্য তৈরিতে ব্যাপকভাবে অল্প রূপান্ত্মরিত এবং সময় সময় মধ্যম রূপান্ত্মরিত তরল গস্নুকোজ ব্যবহৃত হয়।
এছাড়া টফি, ক্যান্ডি, চুইংগাম ইত্যাদি তৈরিতে মধ্যম রূপান্ত্মরিত তরল গস্নুকোজ ব্যবহৃত হয়। জ্যাম, জেলি, কৌটাজাত ফল, কেক, বিস্কুট প্রভৃতি বেকারি দ্রব্য এবং কোমল পানীয় তৈরিতে উচ্চ রূপান্ত্মরিত তরল গস্নুকোজ ব্যবহৃত হয়ে থাকে। উলেস্নখযোগ্য পরিমাণ তরল গস্নুকোজ আমদানি করে সাধারণত দেশের চাহিদা মেটানো হয়। আশার কথা এই যে, পদ্ধতিটি শিল্পক্ষেত্রে প্রয়োগ করে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে উৎপাদনের প্রয়াস চালানো হলে দেশের চাহিদা মিটিয়েও তরল গস্নুকোজ বিদেশে রপ্তানি করা যাবে। এতে বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় হবে বলে বিশেষজ্ঞদের অভিমত।
 
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নজঙ্গিবাদ নিয়ে মন্ত্রীদের প্রচারে আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে_ বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান রিপনের এই বক্তব্য সমর্থন করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2015 The Jaijaidin
close