তারম্নণ্যের একুশে বইমেলাছবি ঘোষ আজ থেকে প্রায় ৬২ বছর আগের এই ভাষা শহীদদের স্মরণে বাংলা একাডেমির নিজস্ব জায়গায় সর্বপ্রথম মেলা শুরম্ন হয়। মাত্র একটি প্রকাশনী- 'মুক্তধারা' ৩২টি বই নিয়ে প্রথম মেলাটি শুরম্ন করে। তখন শুধু ফেব্রম্নয়ারির শেষ সপ্তাহে এ মেলা উদ্‌যাপিত হতো। কালক্রমে মাসব্যাপী রূপ নেয়। এ মেলায় চলে বাংলা ভাষা, সাহিত্য চর্চা ও ভাষা শহীদদের স্মৃতিচারণা। এটা শুধু বইমেলা নয়, বাংলার প্রাণের মেলা। এখানে হয় জ্ঞান ও জ্ঞানীদের মেলা, জগৎটাকে জানা ও চেনার মেলা। বাঙালি চেতনাবোধকে জাগিয়ে তোলার মেলা।
১ ফেব্রম্নয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাঙালির প্রাণের অমর একুশে বইমেলা উদ্বোধন করেন। তারপর শুরম্ন হয় হাজারো মানুষের ঢল, দেখে মনে হলো বাঙালি ভোলেনি তাদের আত্মাকে, তারা আজো স্মরণ করে ভাষা শহীদদের। তারা ভালোবাসে তাদের মাকে, মায়ের ভাষাকে। মনে হলো তারা হাতে নিচ্ছে একুশ শতকের চ্যালেঞ্জ, গড়তে চাচ্ছে 'ডিজিটাল বাংলাদেশ'। তারা যেন হাতে হাত রেখে, পায়ের তালে পা মিলিয়ে সামনে বাড়িয়ে চলছে।প্রতিটি জাতীয় জীবনে এমন দু-একটি দিন আসে যা স্বমহিমায় সমুজ্জ্বল। বাঙালি জাতির জীবনে ২১ ফেব্রম্নয়ারি এমন একটি উজ্জ্বল দিন। সেই ১৯৫২ সালের এই দিনটিতে বাংলার তরম্নণরা মাতৃভাষাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার জন্য বুকের যে তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছিলেন তার প্রতীকী ও স্মরণে আমাদের এ অমর ২১ ফেব্রম্নয়ারি। তাই ২১ ফেব্রম্নয়ারি বাঙালির জাতীয়তাবোধের নবজন্মের দিন। বাংলা ভাষাকে বাংলার মানুষের প্রাণে জাগিয়ে তোলার তাগিদে, বাংলার ঐতিহ্য তুলে ধরার জন্য প্রতি বছর হয়ে আসছে বইমেলা। এ বইমেলা ও ২১ ফেব্রম্নয়ারি বাঙালির প্রাণ। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে বাংলা একাডেমির মাঠকে বই দ্বারা রংবেরঙে সাজিয়ে তুলেছে। মেলায় প্রতিদিনই নতুন নতুন বই প্রকাশ হচ্ছে। নজরম্নল মঞ্চে সারা দিনই চলছে মোড়ক উন্মোচনের ভিড়। এর মধ্যে রয়েছে গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ, কবিতা, হাস্যকৌতুক, ছোটদের ছড়ার বই, মজার মজার গল্প। আছে বিজ্ঞান, রান্না, ভ্রমণ কাহিনী, ফটোগ্রাফিক বিষয়ক বই; আছে সায়েন্স ফিকশনের বই। ক্রেতাদের চাহিদার সঙ্গে মিল রেখে নতুন নতুন বই বের করে প্রকাশকরা মেলায় নিয়ে আসেন। মেলায় নতুন বই কেনার জন্য নেমেছে মানুষের ঢল। প্রতিদিনই বিক্রি হচ্ছে প্রচুর বই। ক্রেতা-বিক্রেতার সঙ্গে আসেন প্রকাশিত বইয়ের লেখক, তারা তাদের পাঠকদের সঙ্গে কিছুক্ষণ আনন্দঘন সময় কাটান। তাদের বই তুলে দেন পাঠকের হাতে।
এ যেন আনন্দের স্পন্দন, তাতেও কি পূরণ হবে একুশ শতকের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়া..., একুশ শতকের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে হলে প্রয়োজন যে বিজ্ঞানের সেই বিজ্ঞানে আজো পিছিয়ে আমরা। যদিও মেলায় প্রচুর বিজ্ঞান সম্পর্কিত বই আছে, ক্রেতাদেরও চাহিদা প্রচুর। কিন্তু মানসম্মত বই না পেয়ে ক্রেতারা কিনছেন অন্য বই। এতে নতুন প্রজন্ম বিজ্ঞান থেকে পিছিয়ে পড়ছে।
 
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নজঙ্গিবাদ নিয়ে মন্ত্রীদের প্রচারে আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে_ বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান রিপনের এই বক্তব্য সমর্থন করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2015 The Jaijaidin
close