২০২১ রূপকল্প বাস্ত্মবায়নে তথ্য যোগাযোগ ও প্রযুক্তির ব্যবহারশুধু আইটির মাধ্যমেই বাংলাদেশের আয় ২৫০ মিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে। গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ২৩২ একর জমির ওপর গড়ে তোলা হয়েছে দেশের প্রথম সুসমৃদ্ধ হাইটেক পার্ক সেই সঙ্গে চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় ৯৮ একর জমির ওপর সাইবার সিটি। এ ছাড়া চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩০০ একর জমিসহ দেশের আরও দশটি সিটিতে হাইটেক পার্কের কাজ চলছে।কাজী হারম্নন-অর-রশীদ মিরন আধুনিক সভ্যতা হচ্ছে তথ্য, যোগাযোগ ও প্রযুক্তির। প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে উন্নত দেশগুলো উন্নয়নের মৌলিক সূচকগুলো যেমন- দারিদ্র্য বিমোচন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য, তথ্যপ্রবাহসহ জনবান্ধব বিভিন্ন সেবাগুলোর উন্নয়নে এক অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছে, যার হাওয়া এখন উন্নয়নশীল ও স্বল্পোন্নত দেশগুলোয়ও এসে লেগেছে।
তথ্য, যোগাযোগ ও প্রযুক্তি মানেই শুধু কম্পিউটার ব্যবহার বোঝায় না। ৮০-র দশকে কম্পিউটার সিস্টেমে ডাটা বা তথ্য সংরক্ষণ ও চাহিদা মাফিক তথ্যপ্রাপ্তির সুযোগকে তথ্যপ্রযুক্তি বা ওঞ বলা হতো। তার সঙ্গে ৯০ দশকের প্রথম দিকে ই-মেইলব্যবস্থা বা ইন্টারনেট সার্ভিস যুক্ত হয় সেখান থেকেই আজকের ওঈঞ'র যাত্রা শুরম্ন। জাতিসংঘের সূত্র মতে, ওঈঞ'র অর্থ হলো ইন্টারনেট সার্ভিস, টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমস এবং সার্ভিসেস। ওঞ সিস্টেমস এবং সার্ভিসেস, মিডিয়া এবং ব্রডকাস্টিং, লাইব্রেরি, তথ্য সেন্টার, নেটওয়ার্ক, বাণিজ্যিক তথ্য সরবরাহকারী এবং অন্যান্য তথ্য ও যোগাযোগ কার্যক্রম। ওঈঞ'র অন্যতম উপাদান হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার ও নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক বা ইসিস্টেমস চালু হয়েছে। জনবান্ধব সেবা প্রদানের জন্য ই-গভর্নেন্স, ই-শিক্ষা, ই-স্বাস্থ্য, ই-কৃষি, ই-ব্যাংকিং ইত্যাদি ভূমিকা উলেস্নখযোগ্য। এ ছাড়া রয়েছে বিভিন্ন বিভাগীয় কার্যক্রম ব্যবস্থাপনার জন্য সফটওয়্যার অ্যাপিস্নকেশনস। আর এগুলো বাস্ত্মবায়নে যেমন রয়েছে বিভিন্ন অপারেটিং সিস্টেমস, বিভিন্ন ক্যারিয়ার যেমন- ডেক্সটপ, ল্যাপটপ, ট্যাবলেট, মোবাইল ফোন ইত্যাদি।
বর্তমান সরকারের ভিশন ২০২১-এর মধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে বাংলাদেশও এগিয়ে চলেছে। যদিও বাস্ত্মবায়নের ক্ষেত্রে রয়েছে যথেষ্ট চ্যালেঞ্জ ও সীমাবদ্ধতা। যদিও তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞের দৃষ্টিভঙ্গি এবং উন্নত বিশ্ব বিশেষত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অভাবনীয় সাফল্যকে মানদ- হিসেবে ধরা হয়। কেননা টঝঅ ৯০ দশকের মধ্যে সব সরকারি, বেসরকারি, বিচার বিভাগসহ সর্বক্ষেত্রে ম্যানুয়াল সিস্টেমকে বিদায় জানিয়ে অটোমেটেড পদ্ধতি অথবা পাশাপাশি সমন্বয়ের মাধ্যমে দুই ব্যবস্থাই চালু রেখে জনগণকে সর্বোচ্চ সেবা দিয়ে যাচ্ছে।
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা, ৩০ লাখ শহীদের আত্মত্যাগের মুক্তিযুদ্ধের চেতনার তথা শোষণহীন, গণতান্ত্রিক জনবান্ধব রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় ওঈঞ'র যথাযথ ব্যবহার অত্যাবশ্যক।
এখানে একটি সরকারি সেবা পেতে বৃহৎ জনগোষ্ঠীর ভোগান্ত্মির শেষ থাকে না। অর্থ এবং সময়ের অপচয় তো আছেই। আর এ সুযোগেই গড়ে উঠেছে মধ্যস্বত্ত্বভোগী বা দালালচক্র। যথাযথভাবে প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে এই দালালচক্র নিরোধসহ দাপ্তরিক অসাধু লোকদের দৌরাত্ম্য সহনীয় মাত্রায় নিয়ে আসা অথবা পুরোপুরি দূর করা সম্ভব।
বিদু্যৎ বিল, গ্যাস বিল পরিশোধে ব্যাংকের পাশাপাশি সার্ভিস চার্জযুক্ত অনলাইন সেবা চালু হয়েছে। তবে এ সেবাও পর্যাপ্ত হওয়ার কথা নয়। আমেরিকায় পোস্টাল সার্ভিস এক গুরম্নত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে। আধুনিক প্রযুক্তি ও ম্যানুয়াল পদ্ধতির অপূর্ব সমন্বয় করে টঝ পোস্টাল সার্ভিস আস্থার একটি অনন্য প্রতীক যেটা আমাদের দেশেও চালু করা যেতে পারে এবং ব্যাংকিং চেক বিল প্রদানের একটি বহুল ব্যবহৃত মাধ্যম হতে পারে।
ইতোমধ্যে তথ্য বাতায়নে সরকারি কার্যক্রমে যুক্ত হয়েছে। এ পদ্ধতি শিক্ষা, কৃষি, স্বাস্থ্য, সরকারের বহু তথ্য সংযোজিত হয়েছে যদিও কোনো কোনো ক্ষেত্রে দায়সারা গোছের অথবা আপডেটহীন তথ্য বর্তমান। কৃষি বিভাগে বাংলাদেশ প্রভূত উন্নতি করেছে। তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারে কৃষি মন্ত্রণালয় অনেকটাই এগিয়ে। এখানে যেমন চালু রয়েছে কৃষি কল সেন্টার মোবাইল ডায়াল ১৬১২৩, বিনামূল্যে কৃষিবিষয়ক সব তথ্যই সরবরাহ করা হয় সেই সঙ্গে যুক্ত হয়েছে তথ্য বাতায়ন। কৃষি বিপণে মোবাইল ব্যাংকিং, বিকাশ কৃষকবান্ধব হিসেবে কাজ করে চলেছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ড্রোন সিস্টেম অটোকপ্টার যার সঙ্গে যুক্ত রয়েছে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ক্যামেরা এবং যা রেডিও পদ্ধতি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ও বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের সহযোগিতায় বরিশাল ও পটুয়াখালীতে ২১ একর জমির ওপর একটি আন্ত্মর্জাতিক ঘএঙখওগগণঞ-এ পাইলট প্রকল্প চালু করেছে। এটা সাফল্যম-িত হলে সময় অপচয় যেমন রোধ হবে তেমন অতি কার্যকরভাবে জমির ফসল, মাটি, বিভিন্ন রোগ-বালাই শনাক্তকরণসহ প্রতিকারের উপায়ে একযুগান্ত্মকারী পরিবর্তন সূচিত হবে।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে টেন্ডারবাজি একটি কলুষিত অধ্যায় আর এটা রোধে অনেকটা দেরিতে হলেও চারটি গুরম্নত্বপূর্ণ বিভাগ ইডউই, খএঊউ, জঐউ এবং জঊই, ই-টেন্ডারিং ব্যবস্থা চালু করেছে। ওঈঞ নির্ভর ই-শিক্ষা কার্যক্রম জনগণের দোরগোড়ায় চলে এসেছে। অনলাইনের মাধ্যমে বিশ্বের যে কোনো প্রান্ত্মের উন্নত লাইব্রেরি, উন্নত স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, ইউকিপিডিয়া অথবা গুগলসহ বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে নিজের জ্ঞানকে সমৃদ্ধ করা অতীব সহজ। আমাদের শিক্ষা বাতায়নেও ছাত্রছাত্রীদের সহায়ক কিছু তথ্য যুক্ত হয়েছে। আমাদের দেশের সন্ত্মানদের অভিভাবকরা কোচিং সেন্টারের পেছনে অযথা সময় ও অর্থ ব্যয় করে দৌড়াদৌড়ি না করে ই-শিক্ষার সুফলগুলো কাজে লাগাতে ব্রত হলে তাদের সন্ত্মানরা যেমন স্বনির্ভর হতে পারত তেমনিভাবে হতে পারত জ্ঞানী। অভিভাবকদেরও জানা দরকার ফেসবুক, টুইটার, স্কাইপি ইত্যাদি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে অথবা দিনভরে ভিডিও গেম খেলা বিনোদনমূলক যাতে ক্ষতিকর মারাত্মক ঝুঁকিও রয়েছে।
স্বাস্থ্যসেবায় ওঈঞ'র ব্যবহারও বহুমাত্রিক। আমাদের তথ্য বাতায়নে যুক্ত হয়েছে হসপিটাল ও টেলিমেডিসিন সেবা সম্পর্কিত কিছু তথ্য এবং দুর্ভাগ্যের বিষয় কিছু নামকরা বেসরকারি হসপিটাল ছাড়া হাসপাতালের কার্যক্রম পরিচালনায় সরকারি অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মতো সরকারি হাসপাতালগুলো এখনো ওঈঞ ব্যবহারে নির্লিপ্ত।
ক্যান্সারকে বেশিরভাগ মানুষ মরণব্যাধি হিসেবেই গণ্য করে। কিন্তু এটাও তো সত্য তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করলে এই ব্যাধিও নিরাময়যোগ্য। আমাদের দেশে প্রতিবছর প্রায় দুই লাখ লোক ক্যান্সারে আক্রান্ত্ম হয় এবং বেশিরভাগ রোগী অধরা অথবা অপচিকিৎসায় নিহত হয়। বর্তমানে নির্ভুলভাবে ক্যান্সারের কোষ নির্ণয়ে চঊঞ ঈঞ স্ক্যানিং-রে বিকল্প নেই। দুর্ভাগ্যজনকভাবে সত্য আমাদের দেশে অতিসম্প্রতি মাত্র দুটি হাসপাতাল ইউনাইটেড ও মেডোনোভা এ প্রযুক্তিনির্ভর সার্ভিস চালু করেছে যা পার্শ্ববর্তী ভারতের সঙ্গে তুলনা করলে দুইগুণেরও বেশি উচ্চমূল্যে পাওয়া যায়, গুণতে হয় ৬৫-৮০ হাজার টাকা।
একজন ব্রিটিশ স্বাস্থ্য গবেষকের মতে, ক্যান্সার নিরাময়ের একটি প্রধান মাধ্যম প্রযুক্তিনির্ভর রেডিয়েশন পদ্ধতির মাত্র ৩০টি সেন্টার বাংলাদেশে রয়েছে যা প্রয়োজনের তুলনায় মাত্র দশ শতাংশ। প্রয়োজনের তুলনায় একেবারে অপ্রতুল যে দুই-একটি সরকারি হাসপাতাল ক্যান্সারের চিকিৎসা দিয়ে থাকে যা পেতে রোগীকে সাধারণত তিন মাস অপেক্ষা করতে হয় অন্যভাবে দেখলে যা অগ্রহণযোগ্য, অমানবিক ও ঠা-া মাথায় মানুষ হত্যারই সামিল।
আনন্দের কথা বাংলাদেশে বড় বড় বিপণিবিতানগুলোয় ওঞ নির্ভর কার্যক্রম চালু হয়েছে এবং দ্রম্নতই অন্যান্য ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান এটাকে রপ্ত করছে। এতে সরকার একদিকে যেমন বেশি বেশি করে রাজস্ব পাচ্ছে এবং জনগণও পাচ্ছে উন্নত বিশ্বের লেনদেনের স্বাদ। সিকিউরিটি সিস্টেমে ওঈঞ গুরম্নত্বপূর্ণ অবদান রাখছে তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ ঈঈঞঠ ক্যামেরা। ঘরে বসেই এ ক্যামেরা দ্বারা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, বাড়ি, অফিশিয়াল কার্যক্রম, পরীক্ষার হল ইত্যাদি মনিটরিং করা সম্ভব এবং উন্নত বিশ্বে এ পদ্ধতি বহুল ব্যবহারিত হচ্ছে।
এভাবেই আমাদের এদেশ স্বপ্নের সোনার বাংলায় রূপান্ত্মরিত হতে পারে নচেৎ যতই হাঁকডাক দিক সব প্রকল্পই মুখ থুবড়ে পড়তে বা পথ হারাতে বাধ্য। কেননা আমাদের ইমান, নৈতিকতার মান দিন দিন নিম্নমুখী, রাজনীতিবিদদের এক বিরাট অংশ সমাজ পরিবর্তনের বদলে নিজেদের পরিবর্তনে অথবা পরস্পরে বিষদগারে ব্যস্ত্ম, কথামালায় বেশি অভ্যস্ত্ম, কাজে কম। তবে এতসব সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও ওঈঞ নির্ভর প্রযুক্তিতে এগিয়ে চলেছে দেশ। আজ দেশে ইলেকট্রনিক মিডিয়া, মোবাইল প্রযুক্তির ইন্টারনেট, সফটওয়্যার ব্যবহার যেমনি সরকারি সহযোগিতায় বৃদ্ধি পাচ্ছে ঠিক তেমনি বেসরকারি উদ্যোগে সেবার পরিধি বেড়েই চলেছে। আজ এ দেশের মানুষ ঘরে বসেই বা ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার অথবা সাইবার ক্যাফে অথবা কোনো পরিবেশনকারী প্রতিষ্ঠান থেকে অনলাইনে বিভিন্ন ফরম পূরণ করে আবেদন করতে পারছে, বৈদেশিক চাকরির রেজিস্ট্রেশন, হজের রেজিস্ট্রেশন, ই-পরচা, রেলওয়ে টিকিট, জন্ম-মৃতু্য নিবন্ধন, বিদু্যৎ বিল, গ্যাসের বিল, আয়কর ট্যাক্স রিটার্ন, কৃষি, হাসপাতাল, শিক্ষা, সংবাদ ইত্যাদি প্রয়োজনীয় তথ্য পাচ্ছে। সফটওয়্যার ব্যবহারের মাধ্যমে হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের বেতন দেয়া, ইনভেনটরি অথবা অফিস, ব্যবসা ব্যবস্থাপনায় ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার প্রতিদিন বেড়েই চলেছে।
শুধু আইটির মাধ্যমেই বাংলাদেশের আয় ২৫০ মিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে। গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ২৩২ একর জমির ওপর গড়ে তোলা হয়েছে দেশের প্রথম সুসমৃদ্ধ হাইটেক পার্ক সেই সঙ্গে চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় ৯৮ একর জমির ওপর সাইবার সিটি। এ ছাড়া চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩০০ একর জমিসহ দেশের আরও দশটি সিটিতে হাইটেক পার্কের কাজ চলছে।
তবে প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন সেবার আওতা বাড়লেও ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা, সুষ্ঠু তদারকির অভাব, আমলানির্ভর প্রচারণায় জনগণের প্রাপ্তিতে রয়েছে যোজন যোজন এঅচ, ইন্টারনেটের উচ্চমূল্য, নিরবচ্ছিন্ন বিদু্যতের অভাব, জেলা ও গ্রাম পর্যায়ে ওঈঞ ব্যবহার উপযোগী শিক্ষিত জনবলের অভাব এবং এ প্রযুক্তি ব্যবহারে যারা সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত্ম হবে তাদের সাবোট্যাজ এই এঅচ পূরণের ক্ষেত্রে অন্যতম বাধা হিসেবে বিবেচিত। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সময়োপযোগী যথাবিহীত ব্যবস্থা গ্রহণের মধ্যদিয়ে পূরণ করতে হবে ২০২১ রূপকল্পের স্বপ্নকে।

কাজী হারম্নন-অর-রশীদ মিরন
আইটি কনসালট্যান্ট (সাবেক)
যুক্তরাষ্ট্র
 
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন
-এর আরো সংবাদ
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নজঙ্গিবাদ নিয়ে মন্ত্রীদের প্রচারে আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে_ বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান রিপনের এই বক্তব্য সমর্থন করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2015 The Jaijaidin
close