দেশের জ্বালানিনীতি ভুলপথে হাঁটছেউন্নয়ন পরিকল্পনা অনুযায়ী দেশে যে দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানিনীতি থাকা উচিত তা বাস্ত্মবে নেই। যেন সবকিছু এডহক ভিত্তিতেই চলছে। বর্তমানে বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ-জাতীয় পার্টি ও সমমনা দলগুলোর জোট সরকারের শাসনামলে তারা যে বড় সুবিধাটি পেয়েছেন তা হলো বিশ্ববাজারে তেলের কম দাম। কম দামে জ্বালানি কিনে ভোক্তাদের কাছে তিনগুণ বেশি মূল্যে বিক্রি করে মধ্যবর্তী মুনাফা সরকারের রাজস্বে জমা হচ্ছে।ড. আসাদুজ্জামান রিপন বাংলাদেশের অর্থনীতির চাকাকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হলে দেশে একটি কার্যকর জ্বালানিনীতি থাকা প্রয়োজন। অত্যন্ত্ম দুঃখের বিষয় হলো, দেশের জ্বালানি খাত এবং এর ব্যবহার, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কোনোটাই বিতর্কের ঊর্ধ্বে নয়। এ বিতর্কের সঙ্গত প্রেক্ষিতও রয়েছে।
উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুযায়ী দেশে যে দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানিনীতি থাকা উচিত তা বাস্ত্মবে নেই। যেন সবকিছু এডহক ভিত্তিতেই চলছে। বর্তমানে বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ-জাতীয় পার্টি ও সমমনা দলগুলোর জোট সরকারের শাসনামলে তারা যে বড় সুবিধাটি পেয়েছেন তা হলো বিশ্ববাজারে তেলের কম দাম। কম দামে জ্বালানি কিনে ভোক্তাদের কাছে তিনগুণ বেশি মূল্যে বিক্রি করে মধ্যবর্তী মুনাফা সরকারের রাজস্বে জমা হচ্ছে।
বিগত বিএনপি সরকার এ সুবিধাটি পায়নি। বেশকিছু বছর ধরে বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমলেও এর সুফল কিন্তু জনগণ পায়নি। অর্থমন্ত্রী কয়েকবার প্রতিশ্রম্নতি দেয়া সত্ত্বেও জ্বালানি তেলের দাম জনগণের সহনীয় পর্যায়ে কমানো হয়নি। ফলে এর গোটা ফল লাভ করেছে ক্ষমতাসীন সরকার। বর্তমানে যে বৃহৎ অঙ্কের জাতীয় বাজেট দেয়া হয় তার বিরাট অঙ্কের জোগান জ্বালানির বর্ধিত মূল্য বিক্রি থেকে আসে। বিশ্ববাজারে তেলের দাম ১৫ বছর আগের জায়গায় থাকলে এটা মোটেই সম্ভব হতো না। যাক সেটা ভিন্ন কথা।
অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে আমাদের জ্বালানিনীতি উন্নত দেশগুলোর নেয়া পদক্ষেপগুলোর বিপরীতেই এগোচ্ছে। কল-কারখানা, গৃহস্থালি, মানুষের আধুনিক জীবনযাত্রা নির্বাহে বিদু্যতের চাহিদা বেড়েছে আগের তুলনায় অনেক। কিন্তু সে চাহিদা পূরণ করতে গিয়ে বর্তমান সরকার বেসরকারি মালিকানায় বিনা টেন্ডারে অধিক মূল্যে বিদু্যৎ ক্রয়ের চুক্তির মাধ্যমে তাদের রাজনীতির সমর্থক ব্যবসায়ীদের যেভাবে 'টাকা কামানোর' প্রকল্প একের পর এক তুলে দিচ্ছে তাতে করে জনগণকে যেমন বেশি দামে বিদু্যৎ ক্রয় করতে হচ্ছে; অন্যদিকে কলকারখানা, ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানগুলোও বেশি দামের বিদু্যৎ কিনে ব্যবসা পরিচালনা করায় জনগণের ওপরই তার বোঝা বর্তাচ্ছে।
বাংলাদেশের নিজস্ব জ্বালানি উৎসর মধ্যে রয়েছে প্রাকৃতিক গ্যাস আর কয়লা। আমাদের দেশে গ্যাস উত্তোলন করতে গিয়ে যে কন্ডেনসেট পাওয়া যায় তা রূপান্ত্মর করে খুব সামান্যই তেল পাওয়া যায়, যার পরিমাণ অনুলেস্নখযোগ্য। কিন্তু বাংলাদেশের প্রাকৃতিক গ্যাসের রিজার্ভও প্রায় শেষ হওয়ার পথে। নতুন নতুন গ্যাসকূপ আবিষ্কার না করতে পারলে দেশ জ্বালানি সংকটের মধ্যে পড়বে, এতে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু গ্যাস উত্তোলনের ক্ষেত্রে যেসব বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি হয় তা নিয়ে বিস্ত্মর প্রাসঙ্গিক সমালোচনা আছে। দেশের স্বার্থ রক্ষা করে এসব চুক্তি সম্পাদনে রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষের যোগ্যতা, কোনো কোনো ক্ষেত্রে সততা নিয়েও প্রশ্ন উঠে থাকে। তেল-গ্যাস উত্তোলনের জন্য বাংলাদেশের একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান আছে- বাপেক্স। এ প্রতিষ্ঠানকে আরও বেশি কার্যকর, শক্তিশালী ও দক্ষ করার চেষ্টা দেখা যায়নি দুর্ভাগ্যজনকভাবে।
এখন সরকার বিদেশ থেকে এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) আমদানির জন্য বিদেশি কয়েকটি রাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে। এই এলএনজি বিতরণ, ব্যবস্থাপনা রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমেই করা উচিত ছিল, কিন্তু তা না করে সরকারের নিজস্ব লোকদের ব্যবসা দেয়ার উদ্দেশ্যে তড়িঘড়ি করে যে উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে তাতে স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে। এসব বিষয় জ্বালানিনীতির একটি মাস্টারপস্ন্যানের আওতায় করা উচিত ছিল।
অন্যদিকে বাংলাদেশ রাশিয়ার সহযোগিতায় পাবনার রূপপুরে একটি পারমাণবিক বিদু্যৎ প্রকল্পের কাজে হাত দিয়েছে। দফায় দফায় এর নির্মাণমূল্য বাড়তে বাড়তে শেষ পর্যন্ত্ম কোথায় গিয়ে দাঁড়ায় তা বলা মুশকিল। সারা পৃথিবীতে যেখানে পারমাণবিক বিদু্যৎ প্রকল্পের ঝুঁকি বিবেচনায় জ্বালানির বিকল্প উৎসর দিকে উন্নত দেশগুলো অগ্রসর হচ্ছে, তখন বর্তমান সরকার তিনগুণেরও বেশি মূল্যে রূপপুর প্রকল্প নিয়ে কাজ করছে। এ প্রকল্পের পরিবেশগত ঝুঁকি নিয়ে আশঙ্কার কথা বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন। প্রশ্ন তুলেছেন বাংলাদেশের মতো একটি ঘনজনবসতিপূর্ণ রাষ্ট্রে এ ধরনের পারমাণবিক বিদু্যৎ কতটা বাস্ত্মবসম্মত। একটি পারমাণবিক বিদু্যৎ প্রকল্প প্রতিষ্ঠার ঝুঁকি বিবেচনায় যেসব শর্ত থাকে, বাংলাদেশের ক্ষেত্রে তা কতটুকু ঝুঁকিমুক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করা যাবে। অর্থাৎ কোনো বিপর্যয় দেখা দিলে এই ছোট্ট দেশটির মানুষের ওপর, পরিবেশের ওপর, জীববৈচিত্র্যের ওপর যে ভয়াবহ প্রভাব পড়বে- এসবের রিস্ক অ্যাসেসমেন্ট সঠিকভাবে করা হয়নি বলেই বিশেষজ্ঞরা মত দিয়েছেন। রাশিয়া এ পারমাণবিক বিদু্যৎ প্রকল্প বানিয়ে দেবে, ভারত এর কারিগরি ব্যবস্থাপনা দেখবে। সম্প্রতি বাংলাদেশ-রাশিয়া-ভারত- এই তিন দেশ এ ব্যাপারে একটি চুক্তিও করেছে। কথা হলো, পারমাণবিক এ বিদু্যৎ প্রকল্প থেকে কয়েক হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে আমরা ১২০০ মেগাওয়াট বিদু্যৎ উৎপাদন করব। এই ১২০০ মেগাওয়াট বিদু্যৎ উৎপাদনের ঝুঁকি কিন্তু কল্পনার বাইরেও বিশাল। বাংলাদেশের বর্তমান সরকার কেন জনগণকে বিদু্যৎ দেয়ার নামে ঝুঁকিতে ফেলতে যাচ্ছে- এ প্রশ্নটি আসতেই পারে। যেখানে জাপান, জার্মানি, ফিনল্যান্ড ও সুইডেনের মতো উন্নত দেশগুলো ক্রমেই পারমাণবিক বিদু্যৎ খাত থেকে সরে আসছে, বাংলাদেশের সঙ্গে মানানসই নয় এমন একটি প্রকল্প নিয়ে কেন এ সরকার অগ্রসর হচ্ছে তার কোনো ব্যাখ্যা সরকারও দিতে পারেনি? এ প্রকল্প নিয়ে জনগণের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ রয়েছে। প্রথমত, ঘনবসতির কথা আগেই বলেছি; দ্বিতীয়ত, যে স্থানটি প্রকল্পের জন্য বাছাই করা হয়েছে তা উপযুক্ত নয়। পারমাণবিক বিদু্যৎ পস্নান্টের কুলিং সিস্টেমের জন্য চাই পর্যাপ্ত পানি। এই বিদু্যৎ পস্নান্টের কাছে যে নদী- তা হলো পদ্মা। ফারাক্কা বাঁধ সচল রাখতে ভারত শুষ্ক মৌসুমে ৭৫% পানি টেনে নেয়। পদ্মা নদীতে পর্যাপ্ত পানি না থাকলে এ পরিস্থিতিতে এ পস্নান্টের কুলিং সিস্টেম ব্যাহত হবে এবং বিপর্যয় অনিবার্য হয়ে দেখা দেবে। রূপপুরে পারমাণবিক বিদু্যৎ পস্নান্ট নির্মাণের শুরম্নতে ৪ বিলিয়ন ডলার ধরা হলেও এখন তা ১৩ বিলিয়নের ওপরে ঠেকেছে। এরপর আরও নানা খাতের ব্যয় তো রয়েছেই। শেষ পর্যন্ত্ম ব্যয় যে আরও বাড়বে তা সহজেই অনুমেয়। অথচ এই মন্দ চুক্তির ঝুঁকিপূর্ণ বিদু্যৎ উৎপাদনে না গিয়েও আমরা বিকল্প জ্বালানি উৎস থেকে এর চেয়েও বেশি-এবং এর চেয়ে কম দামে উৎপাদন করতে পারতাম। যেমন সোলার, উইন্ড, জিওথার্মাল, হাইড্রো ইলেকট্রনিক্স উৎস। এর বাইরে আরও কিছু ক্ষেত্রও রয়েছে, যেখান থেকে স্বল্প পরিমাণে হলেও কিছু বিদু্যৎ উৎপাদন করা যায়। এর মধ্যে সোলার বা সৌর বিদু্যৎ তুলনামূলক কম মূল্যে উৎপাদন করা যায় এবং এর অফুরন্ত্ম সম্ভাবনা বাংলাদেশের রয়েছে। যদিও বাংলাদেশ সরকার বাংলাদেশকে 'সোলার ন্যাশন' বলে ঘোষণা করেছিল; কিন্তু কার্যত কম দামের সোলার বিদু্যৎ উপেক্ষা করে অধিক দামের ঝুঁকিপূর্ণ পারমাণবিক বিদু্যতের দিকেই ঝুঁকেছে আওয়ামী লীগ সরকার। হয়তো আমরা অনেকেই জানি না যে, আমাদের দেশের গড় সূর্যকিরণ (আবৎধমব নৎরমযঃ ঝঁহংযরহব) জার্মানি, ইতালি, ফিনল্যান্ডের তুলনায় অনেক বেশি। ওইসব দেশ এখন সৌর বিদু্যৎকেই জ্বালানির বিকল্প প্রধান উৎস বিবেচনা করছে। বাংলাদেশে শুষ্ক মৌসুমে গড় সূর্যকিরণ প্রায় সাড়ে ৭ ঘণ্টা এবং অন্যান্য সময়ে ৪.৭ ঘণ্টা দিনে। জার্মানি ২০১১ সালে ৭৪০০ মেগাওয়াট সৌর বিদু্যৎ উৎপাদন করেছে (রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্প যখন বিদু্যৎ উৎপাদন করবে সে হিসাবে তার প্রায় ৭ গুণ বেশি)। অথচ জার্মানিতে আমাদের তুলনায় সূর্যকিরণ প্রাপ্তির হার অর্ধেক।
দু'বছর আগে বাংলাদেশের শরীয়তপুর জেলা জাতিসংঘের ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যাওয়ার্ডও জিতেছিল। গত দু'দশকে বাংলাদেশে ৪০ লাখ সোলার হোম সিস্টেম স্থাপিত হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে আমরা ক্লিন এনার্জি উৎপাদনে আরও অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারতাম। কিন্তু সেটা সম্ভব হয়নি, কারণ সংখ্যায় বেশি হলেও এর মান ভালো ছিল না। উচ্চমূল্যে নিম্নমানের সোলার সিস্টেম লক্ষ্যমাত্রাকে ব্যাহত করেছে। এখানে সরকারের নজরদারি ছিল না, যা ছিল তা হলো তাদের নিজস্ব লোকদের পকেট ভারী করে দেয়ার পৃষ্ঠপোষকতা। যার ফলে এ খাতে ইলেকট্রিসিটি জেনারেশন হয়েছে দেশে মাত্র ০.০৭ শতাংশ। সরকারি মালিকানাধীন কোম্পানি ইনফ্রাস্ট্রাকচারাল ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড ও তার অংশীদাররা এ ক্ষেত্রে বড়মাপের ব্যর্থতা দেখিয়েছেন। যদিও সরকারের বিনামূল্যের কর্মসূচিতে কাজের বিনিময়ে টাকা- 'কাবিটা' এ খাতে ব্যাপক দুর্নীতি বিস্ত্মার করেছে। সরকারদলীয় লোকজনের প্রভাবে দরিদ্র মানুষ বিদু্যৎ সুবিধার উপকার পাচ্ছে না। সরকারের বিদু্যৎ বিভাগ ২০২১ সালের মধ্যে ২৬৬২ মেগাওয়াট সৌরবিদু্যৎ উৎপাদনের কথা ঘোষণা করেছে, যখন দেশের বিদু্যৎ চাহিদা দাঁড়াবে প্রায় ২৫০০০ মেগাওয়াট। অন্যদিকে আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারত ২০২২ সালের মধ্যে সোলার ও উইন্ডে- এ দুটি উৎস থেকে ১,৬০,০০০ মেগাওয়াট বিদু্যৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে। বাংলাদেশের পাওয়ার সেক্টর মাস্টারপস্ন্যান (চঝগচ-২০১৬) অনুযায়ী ২০৪১ সাল নাগাদ আমরা নবায়নযোগ্য জ্বালানির উৎস থেকে বিদু্যৎ লাভ করব মাত্র ৩ শতাংশ! অন্যদিকে ভারত ৪০ শতাংশ বিদু্যৎ উৎপাদন করবে এ উৎস থেকে ঐ সময়ে। জার্মানি বর্তমানে এ খাত থেকে তাদের বিদু্যৎ চাহিদার ৩১ শতাংশ উৎপাদন করছে, যা ২০২৫ সালে তারা ৩৫.৪০ শতাংশে উন্নীত করার আশা করছে। যখন শিল্পোন্নত দেশগুলো, বিশেষ করে জার্মানি, ফ্রান্স এমনকি উন্নয়নশীল দেশ ভারতও জীবাশ্ম জ্বালানির উৎস থেকে প্রাকৃতিক নবায়নযোগ্য জ্বালানির উৎসকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে এবং সে লক্ষ্যে তাদের কর্মপরিকল্পনা এগিয়ে নিচ্ছে- বাংলাদেশ ঠিক তখন উল্টোপথে হাঁটছে। সুন্দরবন ধ্বংস করে ভারতের সহযোগিতায় কয়লাভিত্তিক বিদু্যৎ প্রকল্প হাতে নিচ্ছে। আমাদের প্রাকৃতিক সম্পদ হিসেবে কিছু কয়লা রয়েছে। পার্বতীপুরের এ কয়লা খনি থেকে পরিবেশবান্ধব পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলন করে তার আশপাশে একটি কয়লাভিত্তিক বিদু্যৎ প্রকল্প নেয়া যেতে পারত। তা না করে সুন্দরবনের মতো একটি বিশ্বঐতিহ্যর পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য ধ্বংস করে ভারত থেকে কয়লা আমদানি করে কেন কয়লাভিত্তিক বিদু্যৎকেন্দ্র ওখানে নির্মাণ করতে হবে? আবার দেশের জনগণকে ঝুঁকির মুখে ফেলে মন্দ চুক্তির আওতায় পারমাণবিক বিদু্যৎ পস্নান্ট নিয়ে এগোচ্ছে তিন গুণ বেশি অর্থ গুনে। লাভটা কার? দেশের? জনগণের? নাকি শাসকগোষ্ঠীর? এককথায় বলা যায়, দেশের জ্বালানিনীতি ভুলপথে হাঁটছে!

ড. আসাদুজ্জামান রিপন
সাংবাদিক, প্রেসিডেন্ট, সেন্টার ফর অ্যাডভান্সমেন্ট অব বাংলাদেশ, ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের বিশেষ সম্পাদক
 
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন
-এর আরো সংবাদ
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নজঙ্গিবাদ নিয়ে মন্ত্রীদের প্রচারে আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে_ বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান রিপনের এই বক্তব্য সমর্থন করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2015 The Jaijaidin
close